১০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

বায়ার্নকে বিধ্বস্ত করলো মনচেংগ্লাডবাখ

জার্মান ফুটবল ক্লাবগুলোর কাছে আতঙ্কের নাম বায়ার্ন মিউনিখ। উড়ন্ত ফর্মে থাকা ক্লাবটি যার বিপক্ষেই মাঠে নামবে তাকেই বিধ্বস্ত করে দেয়।

কিন্তু এবার হয়েছে উল্টো। জার্মান কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে বরুশিয়া মনচেংগ্লাডবাখের বিপক্ষে ৫ গোল খেয়ে হেরেছে ক্লাবটি।
বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাতে বরুশিয়া পার্কে বায়ার্নের জালে গোল উৎসব করেছে মনচেংগ্লাডবাখ। খেলতে নেমে ম্যাচ শুরুর দ্বিতীয় মিনিটেই মনচেংগ্লাডবাখকে এগিয়ে নেন কাউদিও কোনে। তার এই গোলে সহায়তা করেন ব্রিল এমবোলো। এরপর ১৫ মিনিটের সময় জোনাস হফম্যানের বাড়িয়ে দেওয়া বলে দলের স্কোর দ্বিগুণ করেন রামি বেনসেবাইনি। ২১ মিনিটে একটি পেনাল্টিও পেয়ে যান তিনি এবং গোল ব্যবধান ৩-০ করেন।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ ও ৫৭ মিনিটে বাকি দুটি গোল করেন এমবোলো। পুরো ম্যাচে টার্গেটে ৭টি শট নিয়েছে মনচেংগ্লাডবাখ। এর মধ্যে পাঁচটিই গোলে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ ৮টি শট নিয়েও সবগুলোতে ব্যর্থ বায়ার্ন। এমনকি তাদের কাছে ৬২ শতাংশ সময় বল দখলে ছিল। তবুও কোনো গোল না করেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

এমন পরাজয়ে সম্পূর্ণ হতবিহব্বল বায়ার্ন। ক্লাবটির স্পোর্টস ডিরেক্টর ও সাবেক খেলোয়াড় হাসান সালিহামিদজিক এআরডি’কে বলেন, ‘আমি একেবারে হতবাক। সোজাকথায় আমরা ঘুরে দাঁড়াতেই পারিনি। আমরা সেখানে (খেলায়) ছিলাম না। প্রথমার্ধ জুড়ে আমরা একটি ট্যাকল বা চ্যালেঞ্জও জিততে পারিনি। ’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার

জনপ্রিয়

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বায়ার্নকে বিধ্বস্ত করলো মনচেংগ্লাডবাখ

প্রকাশিত : ১২:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

জার্মান ফুটবল ক্লাবগুলোর কাছে আতঙ্কের নাম বায়ার্ন মিউনিখ। উড়ন্ত ফর্মে থাকা ক্লাবটি যার বিপক্ষেই মাঠে নামবে তাকেই বিধ্বস্ত করে দেয়।

কিন্তু এবার হয়েছে উল্টো। জার্মান কাপের দ্বিতীয় রাউন্ডে বরুশিয়া মনচেংগ্লাডবাখের বিপক্ষে ৫ গোল খেয়ে হেরেছে ক্লাবটি।
বুধবার (২৭ অক্টোবর) রাতে বরুশিয়া পার্কে বায়ার্নের জালে গোল উৎসব করেছে মনচেংগ্লাডবাখ। খেলতে নেমে ম্যাচ শুরুর দ্বিতীয় মিনিটেই মনচেংগ্লাডবাখকে এগিয়ে নেন কাউদিও কোনে। তার এই গোলে সহায়তা করেন ব্রিল এমবোলো। এরপর ১৫ মিনিটের সময় জোনাস হফম্যানের বাড়িয়ে দেওয়া বলে দলের স্কোর দ্বিগুণ করেন রামি বেনসেবাইনি। ২১ মিনিটে একটি পেনাল্টিও পেয়ে যান তিনি এবং গোল ব্যবধান ৩-০ করেন।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ ও ৫৭ মিনিটে বাকি দুটি গোল করেন এমবোলো। পুরো ম্যাচে টার্গেটে ৭টি শট নিয়েছে মনচেংগ্লাডবাখ। এর মধ্যে পাঁচটিই গোলে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে, সর্বোচ্চ ৮টি শট নিয়েও সবগুলোতে ব্যর্থ বায়ার্ন। এমনকি তাদের কাছে ৬২ শতাংশ সময় বল দখলে ছিল। তবুও কোনো গোল না করেই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের।

এমন পরাজয়ে সম্পূর্ণ হতবিহব্বল বায়ার্ন। ক্লাবটির স্পোর্টস ডিরেক্টর ও সাবেক খেলোয়াড় হাসান সালিহামিদজিক এআরডি’কে বলেন, ‘আমি একেবারে হতবাক। সোজাকথায় আমরা ঘুরে দাঁড়াতেই পারিনি। আমরা সেখানে (খেলায়) ছিলাম না। প্রথমার্ধ জুড়ে আমরা একটি ট্যাকল বা চ্যালেঞ্জও জিততে পারিনি। ’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এস শিকদার