দুবাইয়ে আগামীকাল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। যে দলই জিতুক, হবে নতুন ইতিহাস। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে এখনো শিরোপার দেখা পায়নি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের কোনোটিই। আগামীকালের ফাইনাল দেখতে বসার আগে চোখ বুলিয়ে আসা যাক ক্রিকেটে আবেগের লড়াই।
বিশ্বকাপ মানে লড়াই। ভালো ক্রিকেট খেলার প্রতিযোগিতা। আর কী? আবেগ অবশ্যই। ডেভেন কনওয়েকেই দেখুন। আউট হওয়ার হতাশায় ব্যাটে ঘুষি মেরে বসলেন। দল ফাইনাল খেলার পথে পিছিয়ে গেল কি না, এমন ভাবনা থেকেই হয়তো। ফাইনালটা খুব করে খেলতে চেয়েছিলেন নিশ্চয়ই। নিউজিল্যান্ড ফাইনালে গেছে ঠিকই। কিন্তু আবেগের সেই ঘুষিটাই যে তার কাল হলো! আঙ্গুল ভেঙে গিয়েছে ঘুষিতে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফাইনালটা তাই খেলা হচ্ছে না তার।
জন মিচেল একটা চাকরি করতেন। ইংল্যান্ডের রাগবি দলের সহকারি কোচ ছিলেন তিনি। ছেলে ড্যারিলের খেলা দেখার জন্য ছুটি চাইলেন হেড কোচের কাছে। পেলেন না। আপনি হলে কী করতেন তখন? যাই করুন, জন কিন্তু চাকরিটাই ছেড়ে দিয়েছিলেন।
জিমি নিশামের টুইটটা আপনার না দেখার কোনো কারণ নেই। বাচ্চাদের ক্রিকেট ছেড়ে দিতে বলেছিলেন তিনি। ২০১৯ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে হারের পরের হতাশায়। তিনিই এবার নায়ক হয়ে নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে তুলেছেন। এখন বাচ্চাদের খেলার ব্যাপারে তার মত কী? এখনও জানা যায়নি সেটি।
অথবা ওয়েডের কথাই ধরুণ। টানা তিন ছক্কায় অস্ট্রেলিয়াকে ফাইনালে তুলেছেন যিনি। দলে জায়গাটা কখনোই পাকা করতে পারেননি, ভেবেছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালটাই তার শেষ ম্যাচ অস্ট্রেলিয়ার জার্সি গায়ে। কে জানতো, মঞ্চটা তার জন্য বাদ পড়ার নয়, নায়ক হওয়ার!

























