দিগন্তজোড়া মাঠে সারি সারি ফুলকপি। নয়ন জুড়ানো সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এসব ফুলকপির প্রতিটি সবুজ পাতা যেন মেলে ধরেছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। গত মৌসুমে ফুলকপি চাষ করে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের অনেকেই ক্ষতি পুষিয়ে লাভবান হওয়ার আশায় ফুলকপি চাষ করে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন ভেড়ামারা উপজেলার সবজি চাষিরা।
সম্প্রতি ভেড়ামারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ফুলকপি চাষের এমন চিত্র দেখা গেছে। জানা যায় ভেড়ামারা উপজেলার অনেক কৃষকই লাভের আশায় ঋণ নিয়ে ফুলকপি চাষ করছে। ফুলকপির ফলনও ভালো হয়েছে।
ভেড়ামারা উপজেলার কৃষকরা ফুলকপি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। ফুলকপির ভরা মৌসুমে ভালো দাম পেয়ে ফুলকপি বিক্রি করে আগের ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন কৃষকরা। তাই ভালো লাভের আশায় ফুলকপির দিকেই ঝুঁকছেন চাষিরা। উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহায়তায় এ ফুলকপি চাষ করে ভালো দাম পাচ্ছেন। ভেড়ামারার মাঠ থেকেই পাইকারি ক্রেতারা কিনে নিয়ে যায়। এখানকার ফুলকপি ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, গোপালগঞ্জ ও সিলেটে রপ্তানি হয়। এছাড়া স্থানীয় হাট-বাজার ও কুষ্টিয়া শহরেও বিক্রি হয়। ধান, গম, ভুট্টা, আলু, পেঁয়াজের তুলনায় অধিক লাভ এই ফুলকপিতে। তাই এই অঞ্চলের মানুষ এখন ফুলকপি চাষে ঝুঁকছে। ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শায়খুল ইসলাম জানান, ভেড়ামারা উপজেলার এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি সবজি চাষের জন্য খুবই উপযোগী। এছাড়া কৃষি বিভাগের পরামর্শে এই অঞ্চলের মানুষ আধুনিক চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছেন। চাষিরা ফুলকপি চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। ফলে তারা ফুলকপি চাষের দিকে ঝুঁকছেন। সাধারণত শীতকালেই মৌসুমে বিভিন্ন জাতের ফুলকপি আবাদ করা যায়। তিনি আরো জানান, এলাকায় ক্যাপটেন, সুদর্শন ও মার্বেল জাতের ফুলকপি আবাদ হচ্ছে। ফুলকপি আবাদে অধিক যত্ন নিতে হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর



















