০৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

মঞ্চ নাটকে নেই প্রযুক্তির ছোঁয়া

প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না মঞ্চ নাটক। টিভি ও ইন্টারনেটের কাছে দিনে দিনে কোনঠাঁসা হয়ে পড়ছে এ শিল্পমাধ্যম। মঞ্চ নাটকের পুরোধা ব্যক্তিদের কারো কারো কণ্ঠে মেলে প্রযুক্তি বরণের আকুতি। তারাও চান এ মাধ্যমটির আধুনিকায়ন হোক।

মঞ্চ সজ্জা, মঞ্চ পরিকল্পনা, আলোকসজ্জা আবহসংগীত ও অভিনয়, সব মিলিয়েই প্রাণ পায় একেকটি নাটক। কিন্তু প্রাণের রসদ বদলায় যুগে যুগে। বর্তমান যুগ প্রযুক্তির দখলে। সেই প্রযুক্তি গ্রহণ না করে একটি শিল্প মাধ্যম কি অগ্রসর হতে পারে?

আজ ২৭ মার্চ, বিশ্ব নাট্য দিবস। ১৯৬২ সাল থেকে সারাবিশ্বে প্রতিবছর এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি কেন্দ্র করে কথা বলেছে মঞ্চ নাটকের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত কিছু ব্যক্তির সঙ্গে। আলোচ্য বিষয় ছিল মঞ্চ নাটকে প্রযুক্তির ব্যবহার।

মঞ্চে প্রযুক্তি ব্যবহার সম্পর্কে রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘আমি মনে করি আধুনিকতা মানেই যে শুধু কারিগরি দিক থেকে আধুনিক হওয়া, সেটা নয়। চিন্তার ক্ষেত্রে, পরিবেশনার ক্ষেত্রে আধুনিকতাকে আমি গুরুত্ব দিই বেশি। মানসিক দিক থেকে আমরা এগোতে পেরেছি।’

২০১২ সালে নাট্যকলায় একুশে পদক অর্জন করা মামুনুর রশীদ নাট্যাঙ্গনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন ১৯৯৭ সাল থেকে। ১৯৭২ সালে কলকাতা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসে তিনি তৈরি করেছিলেন আরণ্যক নাট্যদল। মঞ্চ নাটকের আধুনিকতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্যাপক আধুনিক হয়েছে। আমরা যে জায়গা থেকে শুরু করেছিলাম সে জায়গা থেকে বর্তমানে অনেক আধুনিক হয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় আমরা ঘাটতি রয়েছে।’ তিনি আধুনিকতার কথা বলেছেন মঞ্চা সজ্জা ও স্ক্রিপ্টের ক্ষেত্রে। প্রযুক্তির বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘আমাদের বিনোদন তো এখন প্রত্যেকের হাতের মুঠোয়। ফেসবুক, ইউটিউবে আমরা সিনেমা দেখছি, গান শুনছি, টেলিভিশনেও অনেক চ্যানেল রয়েছে। এখন মঞ্চ নাটকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচিত। মঞ্চ নাটককে যদি প্রতিযোগিতায় যেতে হয়, তাহলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তি যত বেশি ব্যবহার করা যায়, নাটককে তত বেশি মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া যায়।’

প্রাচ্যনাট নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা আজাদ আবুল কালাম। ১৯৮৫ সাল থেকে আরণ্যক নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে ১২ বছর অভিনয় করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে ছোট ও বড় পর্দায় তিনি বহুল জনপ্রিয় একজন অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘মঞ্চ নাটকে আধুনিকতা গ্রহণ যদি কন্টেন্টের ক্ষেত্রে হয়, সে ক্ষেত্রে বলব আমরা মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে ভীষণভাবে আধুনিক কাজই করি। সময় উপযোগী, বিশ্বের সাথে তাল মেলানো নাটকই আমরা করি। আর যদি তথ্য প্রযুক্তির কথা বলি, তাহলে বলব আমরা সেই সামর্থ্য এখনো অর্জন করতে পারিনি। এ সব সামর্থ্য ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে হয় না। রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হয়।’

‘সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র অতটা যত্নবান না। আধুকায়ন বলতে যদি ইনফাস্ট্রাকচারের (অবকাঠামো) কথা বলা হয়, সেক্ষেত্রে আধুনিক করার জন্য যা যা করা দরকার সেটা সরকার করলেই পারে,’ বলেন এ গুণীজন।

লাল জমিন নাটকে একক অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে থাকে মঞ্চাভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী। তিনি মনে করেন, নাটক মঞ্চায়নের জন্য উপযুক্ত হল ও হলের সংখ্যার অভাব রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনুপাতে আমরা যথেষ্ট আধুনিকতার সঙ্গে কাজ করছি। লাইট, সেট, স্ক্রিপ্ট। কিন্তু আমাদের মঞ্চের অভাব। মঞ্চের দারুণ সঙ্কট। একমাত্র ঢাকার শিল্পকলার তিনটি হল ছাড়া আমাদের কিন্তু সেরকম হল নেই। আর যেগুলো আছে সেগুলো তো আধুনিক নয়। আমরা কিছু কিছু জায়গায় কাজ করতে গিয়ে দেখেছি যে চমৎকার হল, কিন্তু সাউন্ড সিস্টেমে ঝামেলা আছে। আমাদের দেশে মঞ্চ নাটকের জন্য মঞ্চেরই অভাবই বেশি। ঢাকার উত্তরার মতো জায়গায় কোনো হল নেই, মিরপুরে হল নেই। হলেরই তো সঙ্কট, সেটা আধুনিক করা তো পরের প্রশ্ন।’

নাট্য নির্দেশক, অভিনতা, গবেষক, সংগঠক, নাট্য ও মূকাভিনয় প্রশিক্ষক এবং নাট্যসংগঠন ‘স্বপ্নদল’- এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক জাহিদ রিপন। মঞ্চ নাটকে প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে। আমি চাই নাটক সবসময় আধুনিক থাকবে, অর্থাৎ হালনাগাদ থাকবে। পৃথিবী প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাবে, নাটক সেখানে পিছিয়ে থাকবে, সেটা যেন না হয়। আমরা আমাদের নাটকে প্রচুর প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। প্রযুক্তির ব্যবহার দর্শকদের আলাদা ধরনের আনন্দ দেয়। প্রচলিত ঘরানার নাটক দেখতে দেখতে দর্শক এক ধরনের একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে আমরা যদি এত উচ্চমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করি যেটা আমাদের পক্ষে অর্থনৈতিকভাবে ধারণ করা কঠিন হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ভাবা উচিত যে সেটা আমরা করব কি না।’

রিপন আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, থিয়েটারে প্রযুক্তি ব্যবহার হলে একধরনের বৈচিত্র্য আসে। তবে থিয়েটারের মূল বিষয় যেহেতু অভিনয়, সেই অভিনয়টা অবশ্যই মানসম্পন্ন হতে হবে।’

‘আমাদের দেশে সেভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছেই না। আমি বিদেশে গিয়ে ওদের মঞ্চ নাটক দেখেছি। সেগুলো অনেক চোখ ধাঁধানো। আমরা যদি সেরকম প্রযুক্তিনির্ভর নাটক করতে পারি, তাহলে দর্শক হয়তো বেশি টাকা দিয়েও টিকেট কেটে মঞ্চ নাটক দেখবে। তবে অভিনয় দুর্বলতা ঢাকার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার কাম্য নয়। সেটা ক্ষতিকর হবে থিয়েটারের জন্য’।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

মঞ্চ নাটকে নেই প্রযুক্তির ছোঁয়া

প্রকাশিত : ০৯:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ ২০১৮

প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মেলাতে পারছেন না মঞ্চ নাটক। টিভি ও ইন্টারনেটের কাছে দিনে দিনে কোনঠাঁসা হয়ে পড়ছে এ শিল্পমাধ্যম। মঞ্চ নাটকের পুরোধা ব্যক্তিদের কারো কারো কণ্ঠে মেলে প্রযুক্তি বরণের আকুতি। তারাও চান এ মাধ্যমটির আধুনিকায়ন হোক।

মঞ্চ সজ্জা, মঞ্চ পরিকল্পনা, আলোকসজ্জা আবহসংগীত ও অভিনয়, সব মিলিয়েই প্রাণ পায় একেকটি নাটক। কিন্তু প্রাণের রসদ বদলায় যুগে যুগে। বর্তমান যুগ প্রযুক্তির দখলে। সেই প্রযুক্তি গ্রহণ না করে একটি শিল্প মাধ্যম কি অগ্রসর হতে পারে?

আজ ২৭ মার্চ, বিশ্ব নাট্য দিবস। ১৯৬২ সাল থেকে সারাবিশ্বে প্রতিবছর এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি কেন্দ্র করে কথা বলেছে মঞ্চ নাটকের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত কিছু ব্যক্তির সঙ্গে। আলোচ্য বিষয় ছিল মঞ্চ নাটকে প্রযুক্তির ব্যবহার।

মঞ্চে প্রযুক্তি ব্যবহার সম্পর্কে রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘আমি মনে করি আধুনিকতা মানেই যে শুধু কারিগরি দিক থেকে আধুনিক হওয়া, সেটা নয়। চিন্তার ক্ষেত্রে, পরিবেশনার ক্ষেত্রে আধুনিকতাকে আমি গুরুত্ব দিই বেশি। মানসিক দিক থেকে আমরা এগোতে পেরেছি।’

২০১২ সালে নাট্যকলায় একুশে পদক অর্জন করা মামুনুর রশীদ নাট্যাঙ্গনের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন ১৯৯৭ সাল থেকে। ১৯৭২ সালে কলকাতা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরে এসে তিনি তৈরি করেছিলেন আরণ্যক নাট্যদল। মঞ্চ নাটকের আধুনিকতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ব্যাপক আধুনিক হয়েছে। আমরা যে জায়গা থেকে শুরু করেছিলাম সে জায়গা থেকে বর্তমানে অনেক আধুনিক হয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় আমরা ঘাটতি রয়েছে।’ তিনি আধুনিকতার কথা বলেছেন মঞ্চা সজ্জা ও স্ক্রিপ্টের ক্ষেত্রে। প্রযুক্তির বিষয়ে কিছু বলেননি তিনি।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, ‘আমাদের বিনোদন তো এখন প্রত্যেকের হাতের মুঠোয়। ফেসবুক, ইউটিউবে আমরা সিনেমা দেখছি, গান শুনছি, টেলিভিশনেও অনেক চ্যানেল রয়েছে। এখন মঞ্চ নাটকে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করা উচিত। মঞ্চ নাটককে যদি প্রতিযোগিতায় যেতে হয়, তাহলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। আধুনিক প্রযুক্তি যত বেশি ব্যবহার করা যায়, নাটককে তত বেশি মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়া যায়।’

প্রাচ্যনাট নাট্যদলের প্রতিষ্ঠাতা আজাদ আবুল কালাম। ১৯৮৫ সাল থেকে আরণ্যক নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে ১২ বছর অভিনয় করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বর্তমানে ছোট ও বড় পর্দায় তিনি বহুল জনপ্রিয় একজন অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘মঞ্চ নাটকে আধুনিকতা গ্রহণ যদি কন্টেন্টের ক্ষেত্রে হয়, সে ক্ষেত্রে বলব আমরা মুক্তিযুদ্ধের পর থেকে ভীষণভাবে আধুনিক কাজই করি। সময় উপযোগী, বিশ্বের সাথে তাল মেলানো নাটকই আমরা করি। আর যদি তথ্য প্রযুক্তির কথা বলি, তাহলে বলব আমরা সেই সামর্থ্য এখনো অর্জন করতে পারিনি। এ সব সামর্থ্য ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে হয় না। রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হয়।’

‘সেক্ষেত্রে রাষ্ট্র অতটা যত্নবান না। আধুকায়ন বলতে যদি ইনফাস্ট্রাকচারের (অবকাঠামো) কথা বলা হয়, সেক্ষেত্রে আধুনিক করার জন্য যা যা করা দরকার সেটা সরকার করলেই পারে,’ বলেন এ গুণীজন।

লাল জমিন নাটকে একক অভিনয় করে খ্যাতির শীর্ষে থাকে মঞ্চাভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী। তিনি মনে করেন, নাটক মঞ্চায়নের জন্য উপযুক্ত হল ও হলের সংখ্যার অভাব রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের অনুপাতে আমরা যথেষ্ট আধুনিকতার সঙ্গে কাজ করছি। লাইট, সেট, স্ক্রিপ্ট। কিন্তু আমাদের মঞ্চের অভাব। মঞ্চের দারুণ সঙ্কট। একমাত্র ঢাকার শিল্পকলার তিনটি হল ছাড়া আমাদের কিন্তু সেরকম হল নেই। আর যেগুলো আছে সেগুলো তো আধুনিক নয়। আমরা কিছু কিছু জায়গায় কাজ করতে গিয়ে দেখেছি যে চমৎকার হল, কিন্তু সাউন্ড সিস্টেমে ঝামেলা আছে। আমাদের দেশে মঞ্চ নাটকের জন্য মঞ্চেরই অভাবই বেশি। ঢাকার উত্তরার মতো জায়গায় কোনো হল নেই, মিরপুরে হল নেই। হলেরই তো সঙ্কট, সেটা আধুনিক করা তো পরের প্রশ্ন।’

নাট্য নির্দেশক, অভিনতা, গবেষক, সংগঠক, নাট্য ও মূকাভিনয় প্রশিক্ষক এবং নাট্যসংগঠন ‘স্বপ্নদল’- এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক জাহিদ রিপন। মঞ্চ নাটকে প্রযুক্তির প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রযুক্তি ব্যবহারের পক্ষে। আমি চাই নাটক সবসময় আধুনিক থাকবে, অর্থাৎ হালনাগাদ থাকবে। পৃথিবী প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাবে, নাটক সেখানে পিছিয়ে থাকবে, সেটা যেন না হয়। আমরা আমাদের নাটকে প্রচুর প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। প্রযুক্তির ব্যবহার দর্শকদের আলাদা ধরনের আনন্দ দেয়। প্রচলিত ঘরানার নাটক দেখতে দেখতে দর্শক এক ধরনের একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। তবে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে আমরা যদি এত উচ্চমানের প্রযুক্তি ব্যবহার করি যেটা আমাদের পক্ষে অর্থনৈতিকভাবে ধারণ করা কঠিন হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ভাবা উচিত যে সেটা আমরা করব কি না।’

রিপন আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, থিয়েটারে প্রযুক্তি ব্যবহার হলে একধরনের বৈচিত্র্য আসে। তবে থিয়েটারের মূল বিষয় যেহেতু অভিনয়, সেই অভিনয়টা অবশ্যই মানসম্পন্ন হতে হবে।’

‘আমাদের দেশে সেভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছেই না। আমি বিদেশে গিয়ে ওদের মঞ্চ নাটক দেখেছি। সেগুলো অনেক চোখ ধাঁধানো। আমরা যদি সেরকম প্রযুক্তিনির্ভর নাটক করতে পারি, তাহলে দর্শক হয়তো বেশি টাকা দিয়েও টিকেট কেটে মঞ্চ নাটক দেখবে। তবে অভিনয় দুর্বলতা ঢাকার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার কাম্য নয়। সেটা ক্ষতিকর হবে থিয়েটারের জন্য’।