০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

সালমান খানের রায় ৫ এপ্রিল

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০২:০১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮
  • 218

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের বিরুদ্ধে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার রায় প্রায় দুই দশক পরে আগামী ৫ এপ্রিল ঘোষণা করবেন যোধপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

সালমান খানের আইনজীবীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর ১৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। বাদি পক্ষের আইনজীবী প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য তুলে ধরেন। ২৩ অক্টোবর বাদি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর সালমানের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয় এবং তা শেষ হয় চলতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। গত ২৪ মার্চ এটি শেষ হয়।

১৯৯৮ সালে হিন্দি সিনেমা হাম সাথ সাথ হ্যায়’র শুটিং চলাকালীন যোধপুরের কাছে কঙ্কনী গ্রামে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে মামলাও দায়ের হয়। সিনেমাটিতে সালমান খানেরসহ অভিনয়শিল্পী সাইফ আলী খান, সোনালী বেন্দ্রে ও টাবুকেও এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদপুরে বাবার স্মৃতি বিজড়িত খোদ্দ খাল খননের উদ্বোধন করলেন তারেক রহমান

সালমান খানের রায় ৫ এপ্রিল

প্রকাশিত : ০২:০১:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের বিরুদ্ধে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার রায় প্রায় দুই দশক পরে আগামী ৫ এপ্রিল ঘোষণা করবেন যোধপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

সালমান খানের আইনজীবীর বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর ১৩ সেপ্টেম্বর এ মামলার যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয়। বাদি পক্ষের আইনজীবী প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য তুলে ধরেন। ২৩ অক্টোবর বাদি পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। এরপর সালমানের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শুরু হয় এবং তা শেষ হয় চলতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর মামলার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের আইনজীবীরা তাদের যুক্তি উপস্থাপন শুরু করেন। গত ২৪ মার্চ এটি শেষ হয়।

১৯৯৮ সালে হিন্দি সিনেমা হাম সাথ সাথ হ্যায়’র শুটিং চলাকালীন যোধপুরের কাছে কঙ্কনী গ্রামে বিরল প্রজাতির কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ ওঠে সালমানের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে মামলাও দায়ের হয়। সিনেমাটিতে সালমান খানেরসহ অভিনয়শিল্পী সাইফ আলী খান, সোনালী বেন্দ্রে ও টাবুকেও এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।