০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আগ্রহের স্থান বঙ্গবন্ধু গ্যালারি

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের আগ্রহের স্থান হয়ে উঠেছে বঙ্গবন্ধু গ্যালারি। মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকার বিভিন্ন নিদর্শন নিয়ে সাজানো এ গ্যালারি দেখতে হাজারও দর্শনার্থী ভিড় করছেন। সরকারি ছুটির দিনে সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। যদিও শুরুতে ক্রেতা-দর্শনার্থী কম ছিল।
সরেজমিন দেখা যায়, মেলার এগারো দিনেও প্রচণ্ড ভিড় ছিল। দর্শনার্থী বাড়ায় পার্কিং জোন আরও বড় করা হয়েছে। এতে শৃঙ্খলা ফিরেছে পারিপার্শ্বিক পরিবেশেও। বঙ্গবন্ধু গ্যালারিতে নারী পুরুষসহ শিশুদের ভিড় ছিল। এখানে বঙ্গবন্ধুর জীবনীর ওপর বিভিন্ন বই ও প্রামাণ্যচিত্র রয়েছে। অনেকে বই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া মেলার পূর্ব ও পশ্চিম পাশে স্টলগুলোতেও সমানতালে ভিড় দেখা যায়। কেনাকাটাও আগের তুলনায় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা? তবে ঢাকা বাইপাস সড়কের ৪ লেন উন্নীতকরণ কাজ চলমান থাকায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ধুলোবালির ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
মেলার খাবার হোটেলের মালিক রাশেদুল ইসলাম রাব্বি বলেন, প্রথমবার রূপগঞ্জে মেলা হচ্ছে। স্থানীয়দের সহায়তায় মেলা জমে উঠেছে। দূর থেকে আসা ক্রেতা-দর্শনার্থীদের কথা চিন্তা করে আমরা খাবারের দাম কমিয়ে দিয়েছি।

মেলায় ঘুরতে আসা রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি, কলামিস্ট ও গবেষক লায়ন মীর আব্দুল আলীম বলেন, উন্নত দেশের আদলে এবার স্থায়ী প্যাভিলিয়নে বাণিজ্য মেলার আসর বসেছে। এটা আমাদের রূপগঞ্জবাসীর জন্য গৌরবের। খোলামেলা ও সুন্দর পরিবেশে মেলা হওয়ায় ক্রেতা-দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান ভুইয়া বলেন, মেলায় ক্রমেই ক্রেতা-দর্শনার্থী বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সব রকম সহযোগিতা থাকায় দর্শনার্থীরা নিরাপদ বোধ করছেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, মেলার নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পাশাপাশি ডিমএমপির সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মাসব্যাপী মেলায় এবার দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কসমেটিকস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়ার জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা ও শিশুদের ২০ টাকা। এ ছাড়া কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভার থেকে মেলা প্রাঙ্গণে যাতায়াতের জন্য ৩৫টি বিআরটিসির বাস চলাচল করছে। ভাড়া জনপ্রতি ৩০ টাকা। ইপিবি জানিয়েছে, দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়লে বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।
মেলার পরিচালক ও বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, মেলায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। ক্রেতারা এখন আস্থার সঙ্গে কেনাকাটা করছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

৮ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল লেনদেনে ‘রেড অ্যালার্ট’

ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আগ্রহের স্থান বঙ্গবন্ধু গ্যালারি

প্রকাশিত : ০৫:৫৭:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারী ২০২২

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় দর্শনার্থীদের আগ্রহের স্থান হয়ে উঠেছে বঙ্গবন্ধু গ্যালারি। মুক্তিযুদ্ধ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভূমিকার বিভিন্ন নিদর্শন নিয়ে সাজানো এ গ্যালারি দেখতে হাজারও দর্শনার্থী ভিড় করছেন। সরকারি ছুটির দিনে সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। যদিও শুরুতে ক্রেতা-দর্শনার্থী কম ছিল।
সরেজমিন দেখা যায়, মেলার এগারো দিনেও প্রচণ্ড ভিড় ছিল। দর্শনার্থী বাড়ায় পার্কিং জোন আরও বড় করা হয়েছে। এতে শৃঙ্খলা ফিরেছে পারিপার্শ্বিক পরিবেশেও। বঙ্গবন্ধু গ্যালারিতে নারী পুরুষসহ শিশুদের ভিড় ছিল। এখানে বঙ্গবন্ধুর জীবনীর ওপর বিভিন্ন বই ও প্রামাণ্যচিত্র রয়েছে। অনেকে বই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া মেলার পূর্ব ও পশ্চিম পাশে স্টলগুলোতেও সমানতালে ভিড় দেখা যায়। কেনাকাটাও আগের তুলনায় বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা? তবে ঢাকা বাইপাস সড়কের ৪ লেন উন্নীতকরণ কাজ চলমান থাকায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের ধুলোবালির ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
মেলার খাবার হোটেলের মালিক রাশেদুল ইসলাম রাব্বি বলেন, প্রথমবার রূপগঞ্জে মেলা হচ্ছে। স্থানীয়দের সহায়তায় মেলা জমে উঠেছে। দূর থেকে আসা ক্রেতা-দর্শনার্থীদের কথা চিন্তা করে আমরা খাবারের দাম কমিয়ে দিয়েছি।

মেলায় ঘুরতে আসা রূপগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি, কলামিস্ট ও গবেষক লায়ন মীর আব্দুল আলীম বলেন, উন্নত দেশের আদলে এবার স্থায়ী প্যাভিলিয়নে বাণিজ্য মেলার আসর বসেছে। এটা আমাদের রূপগঞ্জবাসীর জন্য গৌরবের। খোলামেলা ও সুন্দর পরিবেশে মেলা হওয়ায় ক্রেতা-দর্শনার্থীরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান ভুইয়া বলেন, মেলায় ক্রমেই ক্রেতা-দর্শনার্থী বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সব রকম সহযোগিতা থাকায় দর্শনার্থীরা নিরাপদ বোধ করছেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, মেলার নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের পাশাপাশি ডিমএমপির সদস্যরা নিয়োজিত রয়েছেন। সিসি ক্যামেরায় পর্যবেক্ষণ করে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। মাসব্যাপী মেলায় এবার দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কসমেটিকস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহসামগ্রী, চামড়ার জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি পণ্য প্রদর্শন ও বিক্রি করা হচ্ছে।
মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকছে। মেলার প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা ও শিশুদের ২০ টাকা। এ ছাড়া কুড়িল বিশ্বরোড ফ্লাইওভার থেকে মেলা প্রাঙ্গণে যাতায়াতের জন্য ৩৫টি বিআরটিসির বাস চলাচল করছে। ভাড়া জনপ্রতি ৩০ টাকা। ইপিবি জানিয়েছে, দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়লে বাসের সংখ্যাও বাড়ানো হবে।
মেলার পরিচালক ও বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী বলেন, মেলায় কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা রয়েছে। ক্রেতারা এখন আস্থার সঙ্গে কেনাকাটা করছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ