১১:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট মিন্ট

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন উইন মিন্ট। তিনি অং সান সু চির দীর্ঘদিনের মিত্র। দেশটির পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনের সময় আজ শুক্রবার শপথ নেন ৬৬ বছর বয়সী মিন্ট। এসময় দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট মিন্ট সোয়ে ও হেনরি ভান টিও-ও শপথ গ্রহণ করেন। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

এর আগে বুধবার (২৮ মার্চ) মিন্টকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করে মিয়ানমার পার্লামেন্ট। গেলো ২১ মার্চ ‘বিশ্রামের’ জন্য প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে দেন সু চির বিশ্বস্ত সহযোগী ও তার সাবেক ড্রাইভার থিন কিয়াও। এরপরই মূলত মিন্টকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রায় দুই বছর বয়সী সরকারে সু চি নির্বাহী বিভাগের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। তবে মিন্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় দেশটির জটিল রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আসবে না।

এনএলডি’র একজন আইনপ্রণেতা বলেছেন, নীতির কোনো পরিবর্তন হবে না। আগের প্রেসিডেন্টের অধীনে যে নীতি ছিল সেটিই বহাল থাকবে।

মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধান। কিন্তু সাবেক প্রেসিডেন্ট থিন কিয়াওয়ের মর্যাদা ছিল আলঙ্কারিক।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট মিন্ট

প্রকাশিত : ০৯:৫৭:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন উইন মিন্ট। তিনি অং সান সু চির দীর্ঘদিনের মিত্র। দেশটির পার্লামেন্টের যৌথ অধিবেশনের সময় আজ শুক্রবার শপথ নেন ৬৬ বছর বয়সী মিন্ট। এসময় দুই ভাইস প্রেসিডেন্ট মিন্ট সোয়ে ও হেনরি ভান টিও-ও শপথ গ্রহণ করেন। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

এর আগে বুধবার (২৮ মার্চ) মিন্টকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করে মিয়ানমার পার্লামেন্ট। গেলো ২১ মার্চ ‘বিশ্রামের’ জন্য প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে দেন সু চির বিশ্বস্ত সহযোগী ও তার সাবেক ড্রাইভার থিন কিয়াও। এরপরই মূলত মিন্টকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রায় দুই বছর বয়সী সরকারে সু চি নির্বাহী বিভাগের ওপর কিছুটা নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছেন। তবে মিন্ট প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় দেশটির জটিল রাজনৈতিক ব্যবস্থায় কোনো পরিবর্তন আসবে না।

এনএলডি’র একজন আইনপ্রণেতা বলেছেন, নীতির কোনো পরিবর্তন হবে না। আগের প্রেসিডেন্টের অধীনে যে নীতি ছিল সেটিই বহাল থাকবে।

মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্র ও সরকারের প্রধান। কিন্তু সাবেক প্রেসিডেন্ট থিন কিয়াওয়ের মর্যাদা ছিল আলঙ্কারিক।