০২:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর দুরদর্শী সিদ্ধান্তে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি‌তে দেশের অর্থনীতি সচল: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতিক বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ব্যবসা ও শিল্পবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সক্ষম হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পখাতের অগ্রগতির চলমান ধারা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ অতি দ্রুত উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছে যাবে।’

সোমবার (৩১ জানুয়ারী) বিকা‌লে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহ‌রের ৪ নম্বর সেক্ট‌রে বঙ্গবন্ধু বাংলা‌দেশ-চায়না ‌ফ্রেন্ড‌শিপ এ‌ক্সি‌বিশন সেন্টারে “২৬ তম ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বা‌নিজ্য‌মেলা (ডিআই‌টিএফ)-২০২২” এর সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে মন্ত্রী এসব কথা ব‌লেন। এবার মেলায় প্রায় ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানির আদেশ পাওয়া গেছে এবং প্রায় ৪০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রয় হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মেলায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য গাজী ইন্টারন্যাশনাল সহ ১২ ক্যাটাগরিতে ৪২ জন্য অংশগ্রহনকারীকে, বিভিন্ন দপ্তরের ১০ জন কর্মকর্তাকে এবং ২৭ সংস্থাকে পদকে ভূষিত করা হয়।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতিক আরও ব‌লেন, “দেশ সর্ব‌ক্ষে‌ত্রে এ‌গি‌য়ে যা‌চ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ যা‌চ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের পথে। ২০৪১ সালের আগেই উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।’

গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক বলেন, “দেশের ব্যবসা বাণিজ্য এবং সার্বিক অর্থনীতি দ্রত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী দিক নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের কারনে কোভিড-১৯ পরিস্থি‌তিতে দেশের বাণিজ্য এবং অর্থনীতি সচল রয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানের অধীনে থেকে আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনীতির উন্নতি সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। আজ তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অর্থনৈতিক মুক্তি পাচ্ছে। একসময় বিদ্যুতের অভাবে দেশে শিল্প কলকারখানা স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। আজ বাংলাদেশ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পন্ন। অনেক প্রতিকুল এবং নতুন ক্যাম্পাসে এবারের বাণিজ্য মেলা খুবই সফল হয়েছে।

অনুষ্ঠা‌নে বি‌শেষ অ‌তি‌থি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বি‌শেষ অ‌তি‌থি বক্ত‌ব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লেন, “অনেক প্রতিকুল পরিবেশে এবারের বাণিজ্য মেলা শেষ হলো। দেশের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য সরকার সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ বছর ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি করা সম্ভব হবে। আগামী ২০২৪ সালে দেশের রপ্তানি ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হবে। তখন এলডিসি ভুক্ত দেশ হিসেবে আমাদের অনেক বাণিজ্য সুবিধা থাকবে না। আমাদের প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যেতে হবে। তখন পিটিএ অথবা এফটিএ স্বাক্ষর করে বাণিজ্য সুবিধা নিতে হবে। চলতি বছর আমরা চারটি দেশের সাথে এ বানিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করার জন্য কাজ করছি।
বা‌নিজ্য স‌চিব তপন কান্তি ঘোষ এর সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে অন্যান্য‌দের ম‌ধ্যে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ‌কেএম আহসান, দি ফেডা‌রেশন অব বাংলা‌দেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডা‌ষ্ট্রিজ এর সভাপ‌তি মোহাম্মদ জ‌সিম উ‌দ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ও বাণিজ্যমেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সহ অ‌নে‌কে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১ জানুয়ারী সকা‌লে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহ‌রের ৪ নম্বর সেক্ট‌রে বঙ্গবন্ধু বাংলা‌দেশ-চায়না ‌ফ্রেন্ড‌শিপ এ‌ক্সি‌বিশন সেন্টারে “২৬ তম ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বা‌নিজ্য‌মেলা” শুভ উদ্বোধন করেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ মোট ২২টি দেশ অংশ নিয়েছে। এবারের ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বাণিজ্য মেলায় ছোট-বড় মিলে ২২৫টি স্টলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের পসরা নিয়ে হাজির হয়ে‌ছিল। এবার মেলায় প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে ছিল দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কারপেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহ-সামগ্রী, চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি।

প্রতিদিন মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলে রাত ৯টা পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত)। মেলার প্রবেশ মূল্য ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা, শিশুদের ২০ টাকা। মেলায় দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে প্রতিদিন ৩০টি বিআরটিসি বাস ও অন্যান্য যাত্রীবাহী বাস চলাচল করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

প্রধানমন্ত্রীর দুরদর্শী সিদ্ধান্তে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি‌তে দেশের অর্থনীতি সচল: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৭:৪৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২২

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতিক বলেছেন, ‘বর্তমান সরকার ব্যবসা ও শিল্পবান্ধব সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্পবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে সক্ষম হয়েছে। ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্পখাতের অগ্রগতির চলমান ধারা অব্যাহত রেখে বাংলাদেশ অতি দ্রুত উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছে যাবে।’

সোমবার (৩১ জানুয়ারী) বিকা‌লে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহ‌রের ৪ নম্বর সেক্ট‌রে বঙ্গবন্ধু বাংলা‌দেশ-চায়না ‌ফ্রেন্ড‌শিপ এ‌ক্সি‌বিশন সেন্টারে “২৬ তম ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বা‌নিজ্য‌মেলা (ডিআই‌টিএফ)-২০২২” এর সমাপনী অনুষ্ঠা‌নে প্রধান অ‌তি‌থির বক্ত‌ব্যে মন্ত্রী এসব কথা ব‌লেন। এবার মেলায় প্রায় ১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানির আদেশ পাওয়া গেছে এবং প্রায় ৪০ কোটি টাকার পণ্য বিক্রয় হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মেলায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য গাজী ইন্টারন্যাশনাল সহ ১২ ক্যাটাগরিতে ৪২ জন্য অংশগ্রহনকারীকে, বিভিন্ন দপ্তরের ১০ জন কর্মকর্তাকে এবং ২৭ সংস্থাকে পদকে ভূষিত করা হয়।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতিক আরও ব‌লেন, “দেশ সর্ব‌ক্ষে‌ত্রে এ‌গি‌য়ে যা‌চ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ যা‌চ্ছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন এখন বাস্তবায়নের পথে। ২০৪১ সালের আগেই উন্নত সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।’

গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক বলেন, “দেশের ব্যবসা বাণিজ্য এবং সার্বিক অর্থনীতি দ্রত এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুরদর্শী দিক নির্দেশনা ও সিদ্ধান্তের কারনে কোভিড-১৯ পরিস্থি‌তিতে দেশের বাণিজ্য এবং অর্থনীতি সচল রয়েছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানের অধীনে থেকে আমাদের ব্যবসা বাণিজ্য ও অর্থনীতির উন্নতি সম্ভব নয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। আজ তাঁরই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অর্থনৈতিক মুক্তি পাচ্ছে। একসময় বিদ্যুতের অভাবে দেশে শিল্প কলকারখানা স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। আজ বাংলাদেশ বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পন্ন। অনেক প্রতিকুল এবং নতুন ক্যাম্পাসে এবারের বাণিজ্য মেলা খুবই সফল হয়েছে।

অনুষ্ঠা‌নে বি‌শেষ অ‌তি‌থি হি‌সে‌বে উপ‌স্থিত ছি‌লেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বি‌শেষ অ‌তি‌থি বক্ত‌ব্যে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি ব‌লেন, “অনেক প্রতিকুল পরিবেশে এবারের বাণিজ্য মেলা শেষ হলো। দেশের রপ্তানি বাড়ানোর জন্য সরকার সবধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ বছর ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি করা সম্ভব হবে। আগামী ২০২৪ সালে দেশের রপ্তানি ৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত হবে। তখন এলডিসি ভুক্ত দেশ হিসেবে আমাদের অনেক বাণিজ্য সুবিধা থাকবে না। আমাদের প্রতিযোগিতা করে এগিয়ে যেতে হবে। তখন পিটিএ অথবা এফটিএ স্বাক্ষর করে বাণিজ্য সুবিধা নিতে হবে। চলতি বছর আমরা চারটি দেশের সাথে এ বানিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করার জন্য কাজ করছি।
বা‌নিজ্য স‌চিব তপন কান্তি ঘোষ এর সভাপ‌তি‌ত্বে অনুষ্ঠা‌নে অন্যান্য‌দের ম‌ধ্যে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান এ‌কেএম আহসান, দি ফেডা‌রেশন অব বাংলা‌দেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডা‌ষ্ট্রিজ এর সভাপ‌তি মোহাম্মদ জ‌সিম উ‌দ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর সচিব ও বাণিজ্যমেলার পরিচালক ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী সহ অ‌নে‌কে।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ১ জানুয়ারী সকা‌লে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পূর্বাচল উপশহ‌রের ৪ নম্বর সেক্ট‌রে বঙ্গবন্ধু বাংলা‌দেশ-চায়না ‌ফ্রেন্ড‌শিপ এ‌ক্সি‌বিশন সেন্টারে “২৬ তম ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বা‌নিজ্য‌মেলা” শুভ উদ্বোধন করেন। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত এবারের মেলায় বাংলাদেশসহ মোট ২২টি দেশ অংশ নিয়েছে। এবারের ঢাকা আন্তর্জা‌তিক বাণিজ্য মেলায় ছোট-বড় মিলে ২২৫টি স্টলে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্যের পসরা নিয়ে হাজির হয়ে‌ছিল। এবার মেলায় প্রদর্শিত পণ্যের মধ্যে ছিল দেশীয় বস্ত্র, মেশিনারিজ, কারপেট, কসমেটিকস অ্যান্ড বিউটি এইডস, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিকস, ফার্নিচার, পাট ও পাটজাত পণ্য, গৃহ-সামগ্রী, চামড়া ও জুতাসহ চামড়াজাত পণ্য, স্পোর্টস গুডস, স্যানিটারিওয়্যার, খেলনা, স্টেশনারি, ক্রোকারিজ, প্লাস্টিক, মেলামাইন পলিমার, হারবাল ও টয়লেট্রিজ, ইমিটেশন জুয়েলারি, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হস্তশিল্পজাত পণ্য, হোম ডেকর ইত্যাদি।

প্রতিদিন মেলা সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে চলে রাত ৯টা পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিনে রাত ১০টা পর্যন্ত)। মেলার প্রবেশ মূল্য ছিল প্রাপ্তবয়স্কদের ৪০ টাকা, শিশুদের ২০ টাকা। মেলায় দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য কুড়িল ফ্লাইওভার থেকে প্রতিদিন ৩০টি বিআরটিসি বাস ও অন্যান্য যাত্রীবাহী বাস চলাচল করেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ