১২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

পাংশায় নদী থেকে অবাধে চলছে মাটি ও বালু উত্তোলন

প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ করেই পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি ও মাটি উত্তোলন করছেন একটি মহল। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী পদ্মা নদী থেকে দিনে ও রাতের অন্ধকারে মাটি ও বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির মিটিংয়ে আলোচনা হলেও যথাযথ ফলপ্রসূ হয়নি।

উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বারংবার বালুখেকো এবং মাটি খেকোদের বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধে নির্দেশনা দিলেও তা এখনো বন্ধ হয়নি। প্রশাসনকে একপ্রকার চ্যালেঞ্জ করেই অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় বালি এবং মাটি কাটা অব্যাহত রয়েছে। মাটি এবং বালি কাটার ফলে হুমকির মুখে রয়েছে বেরিবাঁধ। সচেতন মহল মনে করছেন ভেকু মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে অবিরত বালি এবং মাটি কাটা চলতে থাকলে আগামী বর্ষা মৌসুমে কোনভাবেই বেরিবাঁধ রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

ইউনিয়নের চরপাড়া, চড়ঝিকড়ি, শাহামিরপুর, চর আফরা সহ বেরিবাঁধ এলাকা থেকে ভেকু দিয়ে বালি ও মাটি উত্তোলন করে ড্রাম ট্রাক এবং বাটাহাম্বার যোগে বিভিন্ন অবৈধ ইট ভাটায় নেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাস্তাঘাট নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। প্রকাশ্যে দিবালোকে এমন কর্মযজ্ঞ চললেও বালি খেকো এবং মাটি খেকোদের কাছে যেন অসহায় প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে কিছু অবৈধ ইটভাটার মালিকের নিজস্ব ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করার।

স্থানীয়রা বলেন ইতিপূর্বেও নদী থেকে অবৈধভাবে বালি ও মাটি উত্তোলনের কারণে আমাদের ফসলি জমি এবং বিটা মাটি নদীগর্ভে চলে গেছে। প্রশাসন যদি নদী থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ না করে হয়তো আগামী বর্ষা মৌসুমে আবারো ভেঙে যাবে এই বেরিবাঁধ। ভিটা মাটি হারিয়ে অসহায় হয়ে যাবে হাজারো পরিবার।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

‘ঘড়ির কাঁটা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে’, ইরানকে সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

পাংশায় নদী থেকে অবাধে চলছে মাটি ও বালু উত্তোলন

প্রকাশিত : ০৫:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২২

প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ করেই পদ্মা নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি ও মাটি উত্তোলন করছেন একটি মহল। রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী পদ্মা নদী থেকে দিনে ও রাতের অন্ধকারে মাটি ও বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির মিটিংয়ে আলোচনা হলেও যথাযথ ফলপ্রসূ হয়নি।

উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে বারংবার বালুখেকো এবং মাটি খেকোদের বালি ও মাটি উত্তোলন বন্ধে নির্দেশনা দিলেও তা এখনো বন্ধ হয়নি। প্রশাসনকে একপ্রকার চ্যালেঞ্জ করেই অদৃশ্য শক্তির ছত্রছায়ায় বালি এবং মাটি কাটা অব্যাহত রয়েছে। মাটি এবং বালি কাটার ফলে হুমকির মুখে রয়েছে বেরিবাঁধ। সচেতন মহল মনে করছেন ভেকু মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে অবিরত বালি এবং মাটি কাটা চলতে থাকলে আগামী বর্ষা মৌসুমে কোনভাবেই বেরিবাঁধ রক্ষা করা সম্ভব হবে না।

ইউনিয়নের চরপাড়া, চড়ঝিকড়ি, শাহামিরপুর, চর আফরা সহ বেরিবাঁধ এলাকা থেকে ভেকু দিয়ে বালি ও মাটি উত্তোলন করে ড্রাম ট্রাক এবং বাটাহাম্বার যোগে বিভিন্ন অবৈধ ইট ভাটায় নেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে রাস্তাঘাট নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ। প্রকাশ্যে দিবালোকে এমন কর্মযজ্ঞ চললেও বালি খেকো এবং মাটি খেকোদের কাছে যেন অসহায় প্রশাসন। অভিযোগ রয়েছে কিছু অবৈধ ইটভাটার মালিকের নিজস্ব ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোলন করার।

স্থানীয়রা বলেন ইতিপূর্বেও নদী থেকে অবৈধভাবে বালি ও মাটি উত্তোলনের কারণে আমাদের ফসলি জমি এবং বিটা মাটি নদীগর্ভে চলে গেছে। প্রশাসন যদি নদী থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন বন্ধ না করে হয়তো আগামী বর্ষা মৌসুমে আবারো ভেঙে যাবে এই বেরিবাঁধ। ভিটা মাটি হারিয়ে অসহায় হয়ে যাবে হাজারো পরিবার।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর