০১:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

ফুলছড়ির করোনা টিকার আওতায় ৭০ ভাগ লোক

  • ফুলছড়ি
  • প্রকাশিত : ০৮:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২
  • 62

দেশের এক কোটি মানুষকে করোনার প্রথম ডোজ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার অংশহিসেবে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ২২টি টিকাদান কেন্দ্রে গণটিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার কঞ্চিপাড়া, উড়িয়া, উদাখালী, গজারিয়া, ফুলছড়ি, ফজলুপুর ও এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে ৩টি করে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি টিকাদান কেন্দ্রে যেসকল মানুষ প্রথম ডোজের টিকা নেননি তাদের ফাইজারের টিকা প্রদান করা হয়। উপজেলার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭০ ভাগ লোককে টিকার আওতায় আনার জন্য এ গণটিকার আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কার্যত ২৬ ফেব্রুয়ারিই শেষবারের মতো প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুজ্জামান বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৩৭ জন লোকের মধ্যে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৫ জনকে টিকাদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সিংহভাগ মানুষকে টিকাদান শেষ হয়েছে। শনিবার ৯ হাজার ১৪৬ জনের টিকাদান কার্যক্রম শেষ হলে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জিত হবে। টিকাদান কেন্দ্রগুলো ঘুরে মানুষের উপস্থিতি সন্তোষজনক পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, এই ক্যাম্পেইনে ভ্যাকসিন নিতে কোনো ধরনের নিবন্ধন করতে হয়নি। এমনকি যারা নিবন্ধন করেও ভ্যাকসিন পাননি, তারাও ক্যাম্পেইনে ভ্যাকসিন নিয়েছেন। নিবন্ধন ছাড়া গণটিকা ক্যাম্পেইনে টিকা গ্রহণকারীদের কেন্দ্র থেকে একটি সরকারি টিকা কার্ড প্রদান করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

‘ঘড়ির কাঁটা দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে’, ইরানকে সতর্কবার্তা ট্রাম্পের

ফুলছড়ির করোনা টিকার আওতায় ৭০ ভাগ লোক

প্রকাশিত : ০৮:১৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২

দেশের এক কোটি মানুষকে করোনার প্রথম ডোজ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার অংশহিসেবে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে ২২টি টিকাদান কেন্দ্রে গণটিকা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। শনিবার দিনব্যাপী উপজেলার কঞ্চিপাড়া, উড়িয়া, উদাখালী, গজারিয়া, ফুলছড়ি, ফজলুপুর ও এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে ৩টি করে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি টিকাদান কেন্দ্রে যেসকল মানুষ প্রথম ডোজের টিকা নেননি তাদের ফাইজারের টিকা প্রদান করা হয়। উপজেলার মোট জনসংখ্যার শতকরা ৭০ ভাগ লোককে টিকার আওতায় আনার জন্য এ গণটিকার আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। কার্যত ২৬ ফেব্রুয়ারিই শেষবারের মতো প্রথম ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রফিকুজ্জামান বলেন, ফুলছড়ি উপজেলার ১ লাখ ৯৫ হাজার ৩৩৭ জন লোকের মধ্যে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৩৫ জনকে টিকাদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সিংহভাগ মানুষকে টিকাদান শেষ হয়েছে। শনিবার ৯ হাজার ১৪৬ জনের টিকাদান কার্যক্রম শেষ হলে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জিত হবে। টিকাদান কেন্দ্রগুলো ঘুরে মানুষের উপস্থিতি সন্তোষজনক পরিলক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, এই ক্যাম্পেইনে ভ্যাকসিন নিতে কোনো ধরনের নিবন্ধন করতে হয়নি। এমনকি যারা নিবন্ধন করেও ভ্যাকসিন পাননি, তারাও ক্যাম্পেইনে ভ্যাকসিন নিয়েছেন। নিবন্ধন ছাড়া গণটিকা ক্যাম্পেইনে টিকা গ্রহণকারীদের কেন্দ্র থেকে একটি সরকারি টিকা কার্ড প্রদান করা হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর