চলচ্চিত্রকে সমাজ বদলের হাতিয়ার বলে উল্লেখ করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ‘চলচ্চিত্র সমাজ বদলাতে সহায়তা করে। সমাজে নানা অনিয়ম, অপরাধকে তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করে। যারা এখন সিনেমার সঙ্গে জড়িত তাদের উচিত আগুন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জাতিকে সতর্ক করা। এখন এই দুটি সমস্যা আমাদের অনেক যাতনা দিচ্ছে। চলচ্চিত্র হোক আগুন সন্ত্রাস প্রতিহত করার হাতিয়ার।’
এফডিসি ও চলচ্চিত্র স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় চলচ্চিত্র দিবসের উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী একথা বলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘একটি জাতির মানসিক উন্নয়নে চলচ্চিত্রের ভূমিকা অপরিসীম। সেটা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুধাবন করতে পেরেছিলেন বলেই এই দেশে এফডিসি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তার হাত ধরেই বাংলাদেশ চলচ্চিত্রের বিকাশ শুরু হয়। আজকের এই দিনে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’
এইসময় আরো উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, চিত্রনায়ক রোশান, চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি ও চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের সদস্য ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ, বিএফডিসির এমডি আমীর হোসেনসহ তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিএফডিসির কর্মকর্তাবৃন্দ। তবে তারকা উপস্থিতির অভাবে ম্লান ছিলো সরকারিভাবে জাতীয় চলচ্চিত্র দিবসের উদ্ধোধন। প্রতি বছর চলচ্চিত্রের তারকাদের নিয়েই এই আয়োজন করতো এফডিসি। কিন্তু এবারে জাতীয় চলচ্চিত্র উদযাপন কমিটিতে সৈয়দ হাসান ইমামের সভাপতিত্ব নিয়ে বিরোধ তৈরি হওয়ায় তথ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে এফডিসির আয়োজন বয়কট করেছে চলচ্চিত্র কর্মীরা।
তবে এফডিসির আয়োজনেও বর্ণিল উপস্থাপনা থাকছে বলে জানালেন এর এমডি আমীর হোসেন। তিনি বলেন, দিনভর নানা আয়োজনে চলচ্চিত্র দিবস উদযাপিত হবে। থাকবে তারকাদের উপস্থিতিতে সাংস্কৃতিক আয়োজনও।


























