নাতি কলেজে ভর্তি হয়েছে, এই খুশিতে শনিবার বিকেলে নাতিকে মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছেন দাদা। সেই মোটরসাইকেল নিয়ে রোববার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দুই বন্ধুসহ গোমতী নদীর পাড়ে গিয়েছে ঘুরতে যায় নাতি মাফি। বাসায় ফেরার পথে দ্রুতগতিতে চালাতে গিয়ে রাত ৯টায় স্পীড ব্রেকারে মোটরসাইকেল উল্টে মারাত্মক আহত হয় তিন বন্ধু। এসময় স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক কলেজ ছাত্র ফারহান আঞ্জুম মাফি (১৭)কে মৃত ঘোষনা করে। অপর দুই বন্ধু বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
নিহত মাফির পিতা দৈনিক আমাদের কুমিল্লার সাহিত্য সম্পাদক কবি দীপ্র আজাদ কাজল এ কথা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মাফির পরিবার জানায়, মাফি এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড থেকে এস এস সি পরীক্ষায় পাস করে কুমিল্লা নগরীর রেসিডেন্সিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি হয়। নাতি কলেজে ভর্তি হওয়ার খুশিতে তার ছোট দাদা শনিবার তাকে একটি মোটরসাইকেল কিনে দেয়। দাদার মোটরসাইকেল পেয়ে খুশিতে দুই বন্ধুকে নিয়ে রোববার সন্ধ্যায় গোমতীর পাড় ঘুরতে যায় তারা। এ সময় কলেজ ছাত্র মাফি মোটরসাইকেল চালাচ্ছিল। ঘুরাঘুরি করে শহরে ফেরার পথে রাত ৯টায় বিবির বাজার রোডস্থ কালাপীর মাজার শরীফের সামনের স্পীড ব্রেকারে এসে মোটরসাইকেলটি উল্টে যায়। এতে চালক মাফিসহ তার দুই বন্ধু মারাত্মক আহত হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পরেই কর্তব্যরত চিকিৎসক মাফিকে মৃত্যু ঘোষনা করে। মাফি কুমিল্লা নগরীর নজরুল এভিনিউস্থ এলাকার কবি দীপ্র আজাদ কাজলের এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার বড়।
আহত দুই মোটরসাইকেল আরোহী হলো, নগরীর বজ্রপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে মো. রাজু (১৭) ও নজরুল এভিনিউ এলাকার আমিন মিয়ার ছেলে কুমিল্লা মর্ডান স্কুলের দশম শ্রেণীর ছাত্র ইফতি। তারা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















