০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এখন পর্যন্ত ৩২ শতাংশ কাজের অগ্রগতি হয়েছে জেনে মঙ্গলবার সরকারি বাসভবন গণবভনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে এয়ারপোর্ট নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে। নির্মাণের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, নির্মাতা রোহান বাহরিনের নকশাতেই তৈরি হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। যেখানে একসঙ্গে থাকবে দেড় হাজার গাড়ি পার্কিং সুবিধা, যাত্রীদের সবচেয়ে কম সময়ে সেবা দিতে থাকবে ১১৫টি চেক ইন কাউন্টার, ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ, আর ৬৪টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার। সক্ষমতা তৈরি হবে বছরে দুই কোটি মানুষকে সেবা দেওয়ার। এসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিরতিহীনভাবে কাজ চলছে আড়াই লাখ বর্গমিটার ইয়ার্ডজুড়ে।

বর্তমানে দুই টার্মিনালে একসঙ্গে মাত্র ১২টি উড়োজাহাজ পার্ক করতে পারে, কিন্তু নতুন টার্মিনালে থাকবে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করার সুবিধা। দুই জাপানিজ কোম্পানি মিতসুবিশি আর ফুজিতার সঙ্গে বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং কনস্ট্রাকশনও।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৩:০৮:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ ২০২২

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এখন পর্যন্ত ৩২ শতাংশ কাজের অগ্রগতি হয়েছে জেনে মঙ্গলবার সরকারি বাসভবন গণবভনে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে এয়ারপোর্ট নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে। নির্মাণের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে বলেও জানান তিনি।
জানা গেছে, নির্মাতা রোহান বাহরিনের নকশাতেই তৈরি হচ্ছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল। যেখানে একসঙ্গে থাকবে দেড় হাজার গাড়ি পার্কিং সুবিধা, যাত্রীদের সবচেয়ে কম সময়ে সেবা দিতে থাকবে ১১৫টি চেক ইন কাউন্টার, ১২টি বোর্ডিং ব্রিজ, আর ৬৪টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার। সক্ষমতা তৈরি হবে বছরে দুই কোটি মানুষকে সেবা দেওয়ার। এসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে বিরতিহীনভাবে কাজ চলছে আড়াই লাখ বর্গমিটার ইয়ার্ডজুড়ে।

বর্তমানে দুই টার্মিনালে একসঙ্গে মাত্র ১২টি উড়োজাহাজ পার্ক করতে পারে, কিন্তু নতুন টার্মিনালে থাকবে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করার সুবিধা। দুই জাপানিজ কোম্পানি মিতসুবিশি আর ফুজিতার সঙ্গে বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল তৈরিতে কাজ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং কনস্ট্রাকশনও।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ