০৬:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

জেলা বিএনপির সদস্য সচিবকে ঢাকায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিএনপির বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও সোনারগাঁ ফজলুল হক মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মামুন মাহমুদকে (৫৪) রাজধানীর পল্টনে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মানববন্ধন করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের ইউটার্ণ এলাকায় এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে পল্টনে কস্তুরী হোটেলের সামনে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তার ব্যক্তিগত সহকারী দিদার মহসিন জানান, পল্টন এলাকায় নারায়ণগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির বিশেষ সভা ছিলো। মামুন মাহমুদ ঐ সভা শেষ করে অফিস থেকে বেরিয়ে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কয়েকজন তার গতিরোধ করেন। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে মামুন গুরুতর আহত হন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি জানান, আমাদের দলীয় বৈঠক ছিল পল্টনে মামুনের অফিসে। দুপুর ৩টা থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির জরুরী বৈঠক চলে। ইফতারের পর আমরা চলে আসি। কে বা কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে জানি না। তবে এ আক্রমণ ছিনতাইকারীদের না বলে আমরা মনে করি। যদি ছিনতাইকারীরা এ কাজ করতো তবে তো টাকা পয়সা নিতো।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় সিদ্ধিরগঞ্জের ডাচ বাংলা ব্যাংকের সামনে একটি মাননবন্ধন করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য সচিব শাহ আলম হীরা,থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী মনির, টি এইচ তোহা, মহানগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম,বিএনপি নেতা কবির হোসেন, যুবদল নেতা রাসেল, ইব্রাহীম, শাহজালাল কালু, ওসমান গণি, আক্তারুজ্জামান ও রুবেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মামুন মাহমুদের বাড়ি সিদ্ধিরগঞ্জের মুক্তিনগর এলাকায়। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের বাড়িও সিদ্ধিরগঞ্জে। কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে উভয় ব্লকের লোকদের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির কমিটিতে প্রবেশকে কেন্দ্র করে অন্তঃকোন্দল চলছিলো। এরই সূত্র ধরে গত ১৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সাবেক সংসদ গিয়াসউদ্দিনের একান্ত সহযোগী এবং নাসিক ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ভেন্ডার ইকবাল হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাজেদুল হকসহ সন্ত্রাসী বাহিনী একাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সংঘর্ষস্থলে হামলা চালিয়েছিলো। ঐ সভায় তাদের লাঠি-সোটা, লোহার রড দিয়ে হামলায় এসময় জেলা বিএনপির ভাপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল হাই রাজু, সদস্য সচিব শাহ আলম, যুগ্ম-আহ্বায়ক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজসহ ১০ নেতাকর্মী আহত হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, ২০ সদস্যকে পুরস্কার প্রদান

জেলা বিএনপির সদস্য সচিবকে ঢাকায় ছুরিকাঘাতের ঘটনায় বিএনপির বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৪:৪১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল ২০২২

নারায়ণগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব ও সোনারগাঁ ফজলুল হক মহিলা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক মামুন মাহমুদকে (৫৪) রাজধানীর পল্টনে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় মানববন্ধন করেছে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি। গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের ইউটার্ণ এলাকায় এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে পল্টনে কস্তুরী হোটেলের সামনে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদকে ছুরিকাঘাত করা হয়। তার ব্যক্তিগত সহকারী দিদার মহসিন জানান, পল্টন এলাকায় নারায়ণগঞ্জ বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির বিশেষ সভা ছিলো। মামুন মাহমুদ ঐ সভা শেষ করে অফিস থেকে বেরিয়ে ফুটপাত দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কয়েকজন তার গতিরোধ করেন। এক পর্যায়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন। এতে মামুন গুরুতর আহত হন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি জানান, আমাদের দলীয় বৈঠক ছিল পল্টনে মামুনের অফিসে। দুপুর ৩টা থেকে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির জরুরী বৈঠক চলে। ইফতারের পর আমরা চলে আসি। কে বা কারা তাকে ছুরিকাঘাত করেছে জানি না। তবে এ আক্রমণ ছিনতাইকারীদের না বলে আমরা মনে করি। যদি ছিনতাইকারীরা এ কাজ করতো তবে তো টাকা পয়সা নিতো।
জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদের উপর হামলার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় সিদ্ধিরগঞ্জের ডাচ বাংলা ব্যাংকের সামনে একটি মাননবন্ধন করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য সচিব শাহ আলম হীরা,থানা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী মনির, টি এইচ তোহা, মহানগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম,বিএনপি নেতা কবির হোসেন, যুবদল নেতা রাসেল, ইব্রাহীম, শাহজালাল কালু, ওসমান গণি, আক্তারুজ্জামান ও রুবেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, মামুন মাহমুদের বাড়ি সিদ্ধিরগঞ্জের মুক্তিনগর এলাকায়। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপি দলীয় সাবেক এমপি গিয়াস উদ্দিনের বাড়িও সিদ্ধিরগঞ্জে। কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে উভয় ব্লকের লোকদের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির কমিটিতে প্রবেশকে কেন্দ্র করে অন্তঃকোন্দল চলছিলো। এরই সূত্র ধরে গত ১৫ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সাবেক সংসদ গিয়াসউদ্দিনের একান্ত সহযোগী এবং নাসিক ২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বে ভেন্ডার ইকবাল হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাজেদুল হকসহ সন্ত্রাসী বাহিনী একাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সংঘর্ষস্থলে হামলা চালিয়েছিলো। ঐ সভায় তাদের লাঠি-সোটা, লোহার রড দিয়ে হামলায় এসময় জেলা বিএনপির ভাপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম রবি, থানা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল হাই রাজু, সদস্য সচিব শাহ আলম, যুগ্ম-আহ্বায়ক রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজসহ ১০ নেতাকর্মী আহত হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ