০৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

পায়রা বন্দরে বঙ্গবন্ধু কর্ণারে ফুটে উঠেছে পুরো বাংলাদেশর চিত্র

কলাপাড়ায় নির্মিত বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর (বিসিপিসিএল) পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন, ছিষট্টির ৬ দফা, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট লিপিবদ্ধ করে স্থাপন করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীনতার মাত্র ৩২৪ দিনের মধ্যে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতিকে ‘সংবিধান’ উপহার দেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মূল সংবিধানের অনুলিপি বঙ্গবন্ধু কর্ণারে রাখা হয়েছে। তা ছাড়া এখানকার পার্শ্বদেয়ালে ব্রোঞ্জের অক্ষরে বঙ্গবন্ধুর জীবনীকে গ্রাফিক্যালি কম্পোজ করা হয়েছে, একটি দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর জীবনী তুলে ধরা হয়েছে।

গবেষণাধর্মী কিছু বই, বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর (বিসিপিসিএল) অংশীদার কোম্পানী এনডবিøউপিজিসিএল সংকলিত ‘সময় রেখায় বঙ্গবন্ধু’ – বইটির কিছু কপি দিয়ে ‘বই পড়ার কোণ’ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা বিভিন্ন লেখকের বই। বঙ্গবন্ধুর জীবনীর ওপর তৈরি করা একটি ই-বুক এক পাশে রাখা হয়েছে। ই-বুকের বোতাম টিপলে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আরও বিশদভাবে জানা যাবে। এ স্থাপত্যশৈলী, সৃজনশীলতা এবং অবয়ব যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। স্থাপত্যিক প্রতিষ্ঠান দি টাইমস অর্গানাইজেশন বঙ্গবন্ধু কর্ণারটি স্থাপনের জন্য কাজ করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির স্থপতি মির্জা শাহ্পার জলিল এবং আশরাফ মাহমুদ-এর স্থাপত্যিক নকশা, সৌন্দর্যবর্ধনসহ পুরো কাজটি সু-নিপুনভাবে সম্পন্ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট একটু জায়গা জুড়ে কর্ণারটি তৈরি করা হয়েছে, তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির ইতিহাসের পুরো অর্জনকে। বঙ্গবন্ধু কর্ণারের সম্মুখ দেয়ালে স্বাধীনতার চুম্বুক অংশ ১৯৭১-এর ৭ মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতা যুদ্ধের তথা মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা এবং সেই প্রেক্ষাপটে সমস্ত বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করার বিষয়টি চিত্রায়িত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কর্ণারে ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালের স্থির চিত্রকে আবক্ষ ম্যুরালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণের ‘আর যদি একটা গুলি চলে’-এই নির্দেশনাটি সন্নিবেশিত হয়েছে ৭১ অক্ষরগুলোর মাঝে। এক পাশে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী নায়েব উদ্দিন আহমেদের মুক্তিযোদ্ধাদের আলোকচিত্রকে ব্রোঞ্জের মাধ্যমে চিত্রায়িত করা হয়েছে সর্ব সাধারণের অংশগ্রহনের রূপক হিসেবে। বঙ্গবন্ধু কর্ণারটির মাঝখানে ব্রোঞ্জ দিয়ে একটি ‘বৃক্ষ’ তৈরি করা হয়েছে। বৃক্ষের কান্ডের মাঝে ব্রোঞ্জ প্লেটের ওপর গ্রানাইটের ‘অফ কাটের’ মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর একটি ‘ছাঁয়া ভাস্কর্য’ স্থাপন করা হয়েছে। যা শিশু খোকা থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’তে পরিনত হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। এ ছাড়া কাঁচের পাপড়ির মাধ্যমে সাঁজানো ‘সময় চাকা’য় রয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের চুম্বকীয় পর্বগুলোর গল্প। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সময় রেখায় আমরা মনস্তাত্তি¡ক ভ্রমন করতে পারবো। বৃক্ষ এবং সময় চাকার ভিত্তি হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রকে স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানচিত্রকে উচ্চকিত করা হয়েছে বৃক্ষ মূলের কেন্দ্রে উদীয়মান বাংলাদেশকে চিত্রায়ন করার জন্য। ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ – এর অপরিনত মৃত্যুর শোককে শক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যম হিসেবে চিত্রায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কর্ণারটির পুরো আবহ তৈরি করা হয়েছে কালো রঙ এর পটভূমিতে।

স্থপতি মির্জা শাহ্পার জলিল এ প্রতিনিধিকে বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্ণারের কম্পোজিশন মূলত জীবন, জ্ঞান, ক্ষমতা ও সমৃদ্ধির প্রতীক একটি ‘বৃক্ষ’কে ঘিরে। বৃক্ষ বীজ থেকে অঙ্কুরোদগমের মাধ্যমে শাখা-প্রশাখার বিস্তৃতি এবং পল্লবিত হয়ে সময়ের সাথে সাথে শক্তিশালী হয়ে বেড়ে উর্ধ্বমুখী হয়ে আরও বৃহত্তর জ্ঞান, শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতার জন্য পরিপক্ক হয়। তিনি আরও বলেন, এখানে আমরা চেষ্টা করেছি বৃক্ষকে বঙ্গবন্ধুর জীবনের রূপক হিসেবে চিত্রিত করে ব্যক্তি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পথচলা, তাঁর অনন্যতা এবং সাত কোটি বাঙালিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে একটি স্বাধীন জাতিতে পরিনত করার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করার সৌন্দর্যকে তুলে ধরতে। আজকের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ যার সবচেয়ে বড় অর্জন।

এনডবিøউপিজিসিএল এবং বিসিপিসিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম গনমাধ্যমকে বলেন, জাতির পিতার জন্ম থেকে স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত তিনি যে অবদান রেখেছেন, সংগ্রাম করে গেছেন তা মানুষের স্মৃতিপটে তুলে ধরার জন্য আমাদের এমন উদ্যোগ। সত্যিই অসাধারণভাবে বঙ্গবন্ধু কর্ণারটি স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে আছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগত দেশি-বিদেশীরা বঙ্গবন্ধু কর্ণারটি পরিদর্শন করতে পারবে এবং এ কর্ণারের সার্বিক আয়োজন দেখে আগন্তক, ভ্রমনকারীরা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, বাঙালি জাতির অর্জন এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে পারবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যশোর জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত, ২০ সদস্যকে পুরস্কার প্রদান

পায়রা বন্দরে বঙ্গবন্ধু কর্ণারে ফুটে উঠেছে পুরো বাংলাদেশর চিত্র

প্রকাশিত : ০১:০৮:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২২

কলাপাড়ায় নির্মিত বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর (বিসিপিসিএল) পায়রা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলায় বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন, ছিষট্টির ৬ দফা, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপট লিপিবদ্ধ করে স্থাপন করা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু কর্ণার’। ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর স্বাধীনতার মাত্র ৩২৪ দিনের মধ্যে জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতিকে ‘সংবিধান’ উপহার দেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মূল সংবিধানের অনুলিপি বঙ্গবন্ধু কর্ণারে রাখা হয়েছে। তা ছাড়া এখানকার পার্শ্বদেয়ালে ব্রোঞ্জের অক্ষরে বঙ্গবন্ধুর জীবনীকে গ্রাফিক্যালি কম্পোজ করা হয়েছে, একটি দেয়ালে বঙ্গবন্ধুর জীবনী তুলে ধরা হয়েছে।

গবেষণাধর্মী কিছু বই, বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানীর (বিসিপিসিএল) অংশীদার কোম্পানী এনডবিøউপিজিসিএল সংকলিত ‘সময় রেখায় বঙ্গবন্ধু’ – বইটির কিছু কপি দিয়ে ‘বই পড়ার কোণ’ তৈরি করা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ওপর লেখা বিভিন্ন লেখকের বই। বঙ্গবন্ধুর জীবনীর ওপর তৈরি করা একটি ই-বুক এক পাশে রাখা হয়েছে। ই-বুকের বোতাম টিপলে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে আরও বিশদভাবে জানা যাবে। এ স্থাপত্যশৈলী, সৃজনশীলতা এবং অবয়ব যে কাউকেই মুগ্ধ করবে। স্থাপত্যিক প্রতিষ্ঠান দি টাইমস অর্গানাইজেশন বঙ্গবন্ধু কর্ণারটি স্থাপনের জন্য কাজ করেছেন। প্রতিষ্ঠানটির স্থপতি মির্জা শাহ্পার জলিল এবং আশরাফ মাহমুদ-এর স্থাপত্যিক নকশা, সৌন্দর্যবর্ধনসহ পুরো কাজটি সু-নিপুনভাবে সম্পন্ন করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট একটু জায়গা জুড়ে কর্ণারটি তৈরি করা হয়েছে, তুলে ধরা হয়েছে বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির ইতিহাসের পুরো অর্জনকে। বঙ্গবন্ধু কর্ণারের সম্মুখ দেয়ালে স্বাধীনতার চুম্বুক অংশ ১৯৭১-এর ৭ মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতা যুদ্ধের তথা মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা এবং সেই প্রেক্ষাপটে সমস্ত বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করার বিষয়টি চিত্রায়িত হয়েছে। বঙ্গবন্ধু কর্ণারে ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালের স্থির চিত্রকে আবক্ষ ম্যুরালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর সেই ঐতিহাসিক ভাষণের ‘আর যদি একটা গুলি চলে’-এই নির্দেশনাটি সন্নিবেশিত হয়েছে ৭১ অক্ষরগুলোর মাঝে। এক পাশে প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী নায়েব উদ্দিন আহমেদের মুক্তিযোদ্ধাদের আলোকচিত্রকে ব্রোঞ্জের মাধ্যমে চিত্রায়িত করা হয়েছে সর্ব সাধারণের অংশগ্রহনের রূপক হিসেবে। বঙ্গবন্ধু কর্ণারটির মাঝখানে ব্রোঞ্জ দিয়ে একটি ‘বৃক্ষ’ তৈরি করা হয়েছে। বৃক্ষের কান্ডের মাঝে ব্রোঞ্জ প্লেটের ওপর গ্রানাইটের ‘অফ কাটের’ মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর একটি ‘ছাঁয়া ভাস্কর্য’ স্থাপন করা হয়েছে। যা শিশু খোকা থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’তে পরিনত হওয়াকে বোঝানো হয়েছে। এ ছাড়া কাঁচের পাপড়ির মাধ্যমে সাঁজানো ‘সময় চাকা’য় রয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের চুম্বকীয় পর্বগুলোর গল্প। এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সময় রেখায় আমরা মনস্তাত্তি¡ক ভ্রমন করতে পারবো। বৃক্ষ এবং সময় চাকার ভিত্তি হিসেবে বিশ্ব মানচিত্রকে স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মানচিত্রকে উচ্চকিত করা হয়েছে বৃক্ষ মূলের কেন্দ্রে উদীয়মান বাংলাদেশকে চিত্রায়ন করার জন্য। ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ – এর অপরিনত মৃত্যুর শোককে শক্তিতে রূপান্তরের মাধ্যম হিসেবে চিত্রায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কর্ণারটির পুরো আবহ তৈরি করা হয়েছে কালো রঙ এর পটভূমিতে।

স্থপতি মির্জা শাহ্পার জলিল এ প্রতিনিধিকে বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্ণারের কম্পোজিশন মূলত জীবন, জ্ঞান, ক্ষমতা ও সমৃদ্ধির প্রতীক একটি ‘বৃক্ষ’কে ঘিরে। বৃক্ষ বীজ থেকে অঙ্কুরোদগমের মাধ্যমে শাখা-প্রশাখার বিস্তৃতি এবং পল্লবিত হয়ে সময়ের সাথে সাথে শক্তিশালী হয়ে বেড়ে উর্ধ্বমুখী হয়ে আরও বৃহত্তর জ্ঞান, শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতার জন্য পরিপক্ক হয়। তিনি আরও বলেন, এখানে আমরা চেষ্টা করেছি বৃক্ষকে বঙ্গবন্ধুর জীবনের রূপক হিসেবে চিত্রিত করে ব্যক্তি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পথচলা, তাঁর অনন্যতা এবং সাত কোটি বাঙালিকে স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে একটি স্বাধীন জাতিতে পরিনত করার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপান্তর করার সৌন্দর্যকে তুলে ধরতে। আজকের স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ যার সবচেয়ে বড় অর্জন।

এনডবিøউপিজিসিএল এবং বিসিপিসিএলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রকৌশলী এ এম খোরশেদুল আলম গনমাধ্যমকে বলেন, জাতির পিতার জন্ম থেকে স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত তিনি যে অবদান রেখেছেন, সংগ্রাম করে গেছেন তা মানুষের স্মৃতিপটে তুলে ধরার জন্য আমাদের এমন উদ্যোগ। সত্যিই অসাধারণভাবে বঙ্গবন্ধু কর্ণারটি স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে আছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগত দেশি-বিদেশীরা বঙ্গবন্ধু কর্ণারটি পরিদর্শন করতে পারবে এবং এ কর্ণারের সার্বিক আয়োজন দেখে আগন্তক, ভ্রমনকারীরা বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট, বাঙালি জাতির অর্জন এবং জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে খুব সহজেই জানতে পারবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর