টাঙ্গাইলে লায়লা বেগম (২৬) নারে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে মারপিট করার পর গাছে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে। ৯৯৯ এ ফোন করার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করেন।
বুধবার (১১ মে) সকালে কালিহাতীর নাগবাড়ী ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
প্রবাসীর স্ত্রীর দাবি কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে। তবে অভিযুক্ত স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশারফ এর দাবি জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী লায়লা বেগম বলেন, ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন সম্পর্কে আমার মামা হন। আমার স্বামী বিদেশ যাবার পর থেকেই সে তাঁর এক বন্ধুকে দিয়ে আমাকে কুপ্রস্তাব দেয়। তাতে রাজি না হওয়ায় ওরা দুইজনে গত ৪ এপ্রিল সেহরি রান্না করার সময় ঘরে ঢুকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। তখন আমার চিৎকারে ওরা পালিয়ে যায়। এরপর থেকে তারা আমার উপর ক্ষিপ্ত। বুধবার মোশারফের স্ত্রী আর বোনেরা আমার ও সন্তানদের ওপর আক্রমণ করে আমাকে গাছে বেঁধে রাখে। পরে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করেছে। আমি থানায় অভিযোগ দিব। আমি এ ঘটনার বিচার চাই। লায়লার স্বামী সৌদী প্রবাসী। তিনি ৩ সন্তানের জননী।
ভুক্তভোগী লায়লা আরও বলেন, মোশারফ মেম্বার অনেক শক্তিশালী। তাকে এলাকার সবাই ভয় পায়। সে অপরাধ করলেও বিচার হয় না।
অভিযুক্ত নাগবাড়ী ইউনিয়নের ইউপি সদস্য মোশারফ হোসেন বলেন, আমাদের সাথে লায়লাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এলাকায় একাধিকবার গ্রাম্য সালিশও হয়েছে। মামলা মোকাদ্দমাও হয়েছে। মা কাঁঠাল পারতে গেলে লায়লা বাঁধা দেয়। শুনেছি পরে মহিলারা ওকে গাছে বেঁধে রাখে। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। তবে কুপ্রস্তাবের বিষয়টি সঠিক নয়।
মোশারফ হোসেনের স্ত্রী শিল্পী আক্তার বলেন, আমার স্বামী ভালো চরিত্রের মানুষ। বাড়ি ও জমির লোভেই লায়লা নিজেই এ ঘটনাটি ঘটিয়েছেন।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, ৯৯৯ এ কল থেকে ঘটনা জানা মাত্রই আমাদের অফিসার ও ফোর্সরা তাঁকে উদ্ধার করেন। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত নেওয়া হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















