এক সময়ে ফেনী শহরে একমাত্র প্রবেশ পথ ছিল এস, এস, কে, সড়ক। উক্ত সড়কের উপর চাপ কমানোর জন্য তৎকালিন সাবেক সাংসদ মরহুম জয়নাল হাজারী স্হানীয় লোকজনের বাধা উপেক্ষা করে রাতারাতি বিশ্ব রোড় থেকে পুরাতন কুমিল্লা রোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও প্রায় ৩০ ফুট প্রস্থ রাস্তাটি নির্মাণ করেন।
শুরুর দিকে স্হানীয় লোকজনের আপওি থাকলেও এই রাস্তার কারনে আশ পাশের জায়গার দাম কয়েক গুন বেড়ে যাওয়ার ফলে এর সুফল পেতে থাকে স্হানীয় লোকজন। এই রাস্তাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে দৃষ্টি নন্দন বহু তলা ভবন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অপর দিকে যোগাযোগ ব্যবস্হায় আসে আমূল পরিবর্তন। চাপ কমতে থাকে এস, এস, কে, সড়কের উপর। মালবাহী সকল যানবাহন সহ প্রশাসনের ও আদালতের সকল হাকিমগনের গাড়ি গুলো উক্ত সড়কের উপর দিয়ে চলাচল করতেন।
এখন রাস্তাটি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার ফলে ভারি বা হালকা কোন যানবাহনতো চলেই না বরং রিকশা, সি, এন, জি ও চলতে চায় না। এ ছাড়া রাস্তার অভ্যন্তরে অপ্রয়োজনীয় ড্রেন নির্মাণ করে রাস্তা বানানোর মূল উদ্দেশ্যটাকেই নষ্ট করা হয়েছে। উক্ত ড্রেনের স্লাব গুলো উঠে যাওয়ার কারনে প্রতিনিয়ত কোন না কোন দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। এতে স্কুল কলেজে পড়ুয়া ছাএ-ছাএীরা,ও অভিভাবকগন এবং অফিসগামী লোকজন পড়েছেন বিপাকে। অন্য দিকে রাস্তার পাশে গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলোর নিভু নিভু অবস্থা।
বহু বছর যাবত এই রাস্তাটি অবহেলিত থাকার বিষয়ে স্হানীয় লোকজনকে জিজ্ঞেসাবাদে জানা যায় পৌরসভার ১১ এবং ১২ নং ওয়ার্ডের মধ্যেই রাস্তাটির অবস্থান হলেও পৌরসভা নাকি এই ব্যাপারে উদাসীন। আবার কেউ কেউ বলেছেন রাস্তাটি নামকরনের কারনেই প্রতিহিংসার বলী হয়েছে রাস্তাটি। এই ব্যাপারে দায়িত্বশীল লোক জনদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেছেন কোন সরকারি দপ্তরের অধিনে রাস্তাটি না থাকায় এবং এর জন্য কোন বরাদ্দ না আসায় রাস্তাটির কাজ করা যাচ্ছে না। তবে তারা বরাদ্দের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
এখন এলাকা বাসির দাবি হলো তারা কোন দপ্তর বা বরাদ্দ বুঝেন না, তারা চান এতো উন্নয়নের যুগে রাস্তাটি কেন অবহেলিত থাকবে। তাছাড়া এখনই যদি রাস্তাটির মেরামতের কাজ না করা হয় তাহলে এই বর্ষা মৌসুমে রাস্তাটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। তাই এলাকা বাসী মনে করেন বর্তমান সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারী একজন উন্নয়ন বান্ধব নেতা এবং বর্তমান ফেনীর জননন্দিত মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী একটু সুদৃষ্টি দিলেই অচিরেই রাস্তাটির সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা পোষন করেন চলাচলকারীরা। তাই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষন করছেন ভুক্তভোগীরা
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















