মহাসড়কে বেপরোয়া গতির কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে। মোটরসাইকেল আরোহীর অনেকের মাথায় থাকে না হেলমেট। এমনকি দুজনের পরিবর্তে তিন-চারজন চড়ে বসেন।
কয়েক বছর ধরে দেশে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বেড়ে গেছে। ঈদের ছুটিতে এমন দুর্ঘটনা ও মৃত্যু আরও বাড়ে। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের বড় একটা অংশই কিশোর ও উঠতি বয়সী তরুণ। নিয়ম না মেনে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোয় সড়কে মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হচ্ছে এসব তরুণ প্রাণ।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন, তাঁদের সবার বয়স ১৮ বা তার নিচে। নিহত তরুণদের কেউ চালক, কেউবা ছিলেন আরোহী।
সন্তানদের আবদার মেটাতে কম বয়সী ছেলেদের হাতে মোটরসাইকেলের চাবি তুলে দেওয়ায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা। অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। কিশোরদের বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালানোই এসব দুর্ঘটনার জন্য দায়ী বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকেরা।
অভিভাবকেরা যদি তাঁদের কম বয়সী ছেলেদের হাতে মোটরসাইকেলের চাবি তুলে দেওয়া বন্ধ করেন, তাহলে হয়তো আমাদের এ ধরনের দুঃসংবাদ শুনতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিকগন। তবে গ্রামের সড়কগুলোতে যেভাবে বেপরোয়া গতিতে কিশোরেরা মোটরসাইকেল চালায়, এটা বন্ধ করতে পরিবারের ভূমিকাই সবেচেয়ে বেশি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















