সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের ডাউকি নদীর পাড়ে চা-বাগান সংলগ্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার মধ্য জাফলং ইউনিয়নের জাফলং চা-বাগানে চা শ্রমিকদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
“জাফলং চা-বাগান রক্ষা হউক, ড্রেজার মেশিন বন্ধ হউক, বাগান পাড়ের পাথর ও বালু তোলা বন্ধ হউক বন্ধ হউক, চা-বাগান পাড়ের বেড়িবাঁধ দেওয়া হউক দেওয়া হউক, চা শিল্পের ক্ষতিগ্রস্থ মানবো না মানবো না, প্রশাসন নিরব কেন জবাব চাই জবাব দাও” এরকম বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্লেকার্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে কয়েক শতাধিক চা শ্রমিক নারী পুরুষ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন গোয়াইনঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ফারুক আহমদ, তোয়াকুল কলেজের প্রভাষক লোকমান হোসেন শিকদার, জাফলং চা বাগানের ব্যাবস্থাপক (ম্যানেজার) কামাল হোসেন,
স্থানীয় ইউপি সদস্য সয়েন ব্যানার্জি, চা বাগানের পঞ্চায়েত প্রধান নিরঞ্জন গোয়ালা ও যুবলীগ নেতা আক্কেল প্রধান প্রমুখ।
এ সময় স্থানীয় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ চা বাগানে বসবাসরত সর্বস্তরের নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা প্রশাসনের উদ্দশ্যে বলেন, জাফলং চা বাগান হচ্ছে উত্তর সিলেটের অনন্য এক ঐতিহ্য। আপনারা দয়া করে আমাদের এ ঐতিহ্যকে রক্ষায় ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করুন। পাথর ও বালু খেকোদের দৌরাত্ম্যে এবং নদী ভাঙনের কবলে ইতিমধ্যে এই চা বাগানের প্রায় ৩০০ একর ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন অবশিষ্ট যেটুকু রয়েছে সেটুকু রক্ষায় যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেন তাহলে একসময় এই চা বাগানের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা মুশকিল হবে। কাজেই বিলীন হয়ে যাওয়ার আগে এই চা বাগান রক্ষায় আপনারা যদি কোন পদক্ষেপ না নেন তাহলে আমরাও (চা শ্রমিকরা) আমাদের অস্তিত্ব রক্ষায় মিছিল, মিটিং ও মানববন্ধনসহ লাগাতর আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















