০৮:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে আগামী বন্যার আগেই যমুনার ভাঙন রোধে বেরীবাঁধ নির্মাণ হবে

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, নদী ভাঙন চিরাচরিচয়িত নিয়ম। স্থানীয় এমপির সুপারিশে টাঙ্গাইলে এসেছি। নদী ভাঙন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। নদী ভাঙনরোধে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। সমীক্ষাও চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার একটি প্রকল্প পক্রিয়াধীন আছে। চলতি বন্যার মধ্যে কাজটি শুরু করলে টেকসই হবে না। পানি কমে গেলে কাজ শুরু হবে। আগামী বন্যার আগেই বেরী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। ফলে পরবর্তী বন্যায় নদী ভাঙন থাকবে না। বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুরে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পৌলী গ্রামে ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নদী ভাঙন রোধে পাড় থেকে দেড় থেকে দুই শ ফিট দূরে স্পার দেয়া হবে। ফলে স্ত্রোতের ধাক্কা সরাসরি পাড়ে লাগবে না। ফলে তেমন ভাঙনও হবে না। পলি মাটি পড়ে এই জায়গায় আস্তে আস্তে চর পরে যাবে। বিভিন্ন এলাকায় এভাবে কাজ করা হয়েছে। সেখানে ভাঙনে হারিয়ে যাওয়া জমিতে চাষাবাদসহ বসতবাড়ী করতে পারে। এছাড়াও নদী শাসনের মাধ্যমে গতি পথ সোজা রাখা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ। যুগের পর যুগ নদী ভাঙে, নদী গড়ে। নদীর বিভিন্ন জায়গায় চরও জেগে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে প্রাকৃতিক ভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা দায়ী নয়। যারা সমৃদ্ধশালী দেশ তারাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তাদের কারনে আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। কিন্তু ভুক্তভোগী হচ্ছি আমরা।

এ সময় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পূর্ব রিজিওন) মাহবুুর রহমান, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণপাড়া কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতির ৩৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

টাঙ্গাইলে আগামী বন্যার আগেই যমুনার ভাঙন রোধে বেরীবাঁধ নির্মাণ হবে

প্রকাশিত : ০৫:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুন ২০২২

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক বলেছেন, নদী ভাঙন চিরাচরিচয়িত নিয়ম। স্থানীয় এমপির সুপারিশে টাঙ্গাইলে এসেছি। নদী ভাঙন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তিনি। নদী ভাঙনরোধে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। সমীক্ষাও চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার একটি প্রকল্প পক্রিয়াধীন আছে। চলতি বন্যার মধ্যে কাজটি শুরু করলে টেকসই হবে না। পানি কমে গেলে কাজ শুরু হবে। আগামী বন্যার আগেই বেরী বাঁধ নির্মাণ করা হবে। ফলে পরবর্তী বন্যায় নদী ভাঙন থাকবে না। বৃহস্পতিবার (২ জুন) দুপুরে তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পৌলী গ্রামে ভাঙন এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নদী ভাঙন রোধে পাড় থেকে দেড় থেকে দুই শ ফিট দূরে স্পার দেয়া হবে। ফলে স্ত্রোতের ধাক্কা সরাসরি পাড়ে লাগবে না। ফলে তেমন ভাঙনও হবে না। পলি মাটি পড়ে এই জায়গায় আস্তে আস্তে চর পরে যাবে। বিভিন্ন এলাকায় এভাবে কাজ করা হয়েছে। সেখানে ভাঙনে হারিয়ে যাওয়া জমিতে চাষাবাদসহ বসতবাড়ী করতে পারে। এছাড়াও নদী শাসনের মাধ্যমে গতি পথ সোজা রাখা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ। যুগের পর যুগ নদী ভাঙে, নদী গড়ে। নদীর বিভিন্ন জায়গায় চরও জেগে উঠেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে প্রাকৃতিক ভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য আমরা দায়ী নয়। যারা সমৃদ্ধশালী দেশ তারাই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী। তাদের কারনে আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। কিন্তু ভুক্তভোগী হচ্ছি আমরা।

এ সময় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পূর্ব রিজিওন) মাহবুুর রহমান, টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর