চট্টগ্রামের ছেলে ওয়াসিফ আহমেদ সালাম। লন্ডনের সিটি ইউনিভার্সিটিতে বিবিএ শেষ করে ২০১৬ সালে দেশে শুরু করেছিলেন নিজস্ব খামার ও এশিয়ান এগ্রো নামে একটি প্রতিষ্ঠান। সালাম তখন চট্টগ্রাম গ্রামার স্কুলের ‘ও লেভেলের’ ছাত্র ছিলেন। পকেটের টাকা ও সালামি দিয়ে কেনা মাত্র চারটি গরু নিয়ে খামার শুরু করেন তিনি। একজন শ্রমিকের সহায়তায় তিনি প্রাথমিক দিনগুলোতে খামার দেখাশোনা করতেন। ইউটিউব থেকে আধুনিক লালন-পালনের কৌশলের ভিডিও দেখে আরও বিকাশ করেছিলেন তার প্রকল্পটি। এক বছরে সবগুলো গরু বিক্রি করে ভালো লাভ হয়েছিল তার। এরপর আরও দশটি গরু কিনে ঝুঁকে পড়েন দুগ্ধ কৃষিতেও। আস্তে আস্তে তা আরও লাভজনক হয়ে উঠে। বর্তমানে দেশের সর্ব কনিষ্ঠ খামারি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন ওয়াসিফ আহমেদ সালাম। এখন বিশ্বব্যাপী এশিয়ান এগ্রোর প্রসার করতে চান এই যুবক।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গত বুধবার চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানাধীন রুবি গেটস্থ টেক্সটাইল মোড়ে উদ্বোধন করা হয়েছে এশিয়ান এগ্রোর কোরবানির পশু বিক্রয়কেন্দ্র। যেখানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে বিক্রি কার্যক্রম।
তরুণ উদ্যোক্তা ওয়াসিফ সালাম বলেন, ছোটবেলা থেকে বাবাকে ব্যবসা করতে দেখতাম। বাবা আমাদের জন্য ও মানুষের জন্য অনেক পরিশ্রম করতেন। এখনও পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। দাদাও ব্যবসা করতেন। বাবা একজন সফল ব্যবসায়ী। ব্যবসাখাতে দেশকে এগিয়ে নিতে এবং ৩৫ হাজার শ্রমিককে সামাল দিতে তিনি যে পরিশ্রমটা করেন সেই পরিশ্রমই আমার অনুপ্রেরণা। সবার সহযোগিতা পেলে এগ্রো শিল্পের প্রসারে ভূমিকা রাখতে পারবো। ভেজালমুক্ত ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করাই আমাদের উদ্দেশ্য। আশা করি এশিয়ান এগ্রোর মাধ্যমে চট্টগ্রামে কোরবানি মাংসের চাহিদা কিছুটা মেটানো সম্ভব হবে। বিক্রয় কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন শুলকবহর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোরশেদুল আলম, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও এশিয়ান গ্রæপের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকিফ আহমেদ সালাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য আরশেদুল আলম বাচ্চু, এশিয়ান গ্রæপের পরিচালক ও এশিয়ান এগ্রোর কর্ণধার ওয়াসিফ আহমেদ সালামসহ আরও অনেকে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















