০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ছাত্রের ‘স্টাম্পের আঘাতে’ আহত শিক্ষক মারা গেছেন!

ঢাকার সাভারে দশম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার দুপুরে নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার হন শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার (৩৫)। আজ সোমবার ভোরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের ইনচার্জ ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, উৎপল সরকারের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় থানার এঙ্গেলদানি গ্রামে। তিনি ১০ বছর ধরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজ শাখায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এবং শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বলেন, প্রতিবছর ছেলেদের ফুটবল ও মেয়েদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। এবারও এই আয়োজন হয়েছিল। গত শনিবার মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। সেসময় প্রতিষ্ঠানের দোতলা ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছেলেরা খেলা দেখছিল। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীও সেখানে ছিল।

অধ্যক্ষ বলেন, সকাল থেকেই ওই ছাত্রের হাতে স্টাম্প ছিল। দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ সে দোতলা থেকে নেমে মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে স্টাম্প দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় উৎপলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহতের ভাই অসীম কুমার সরকার বলেন, ‘জানতে পেরেছি মেয়েদের ইভটিজিংসহ নানান শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে শাসন করায় ওই ছাত্র আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।’

আশুলিয়া থানার এসআই এমদাদুল হক বলেন, ওই শিক্ষকের ভাই মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রের ‘স্টাম্পের আঘাতে’ আহত শিক্ষক মারা গেছেন!

প্রকাশিত : ০৪:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুন ২০২২

ঢাকার সাভারে দশম শ্রেণির এক ছাত্রের বিরুদ্ধে শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। গত শনিবার দুপুরে নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মারধরের শিকার হন শিক্ষক উৎপল কুমার সরকার (৩৫)। আজ সোমবার ভোরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের ইনচার্জ ইউসুফ আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, উৎপল সরকারের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় থানার এঙ্গেলদানি গ্রামে। তিনি ১০ বছর ধরে আশুলিয়ার চিত্রশাইল এলাকার হাজী ইউনুস আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজ শাখায় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক এবং শৃঙ্খলা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

কলেজের অধ্যক্ষ সাইফুল হাসান বলেন, প্রতিবছর ছেলেদের ফুটবল ও মেয়েদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়। এবারও এই আয়োজন হয়েছিল। গত শনিবার মেয়েদের ক্রিকেট খেলা চলছিল। সেসময় প্রতিষ্ঠানের দোতলা ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছেলেরা খেলা দেখছিল। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীও সেখানে ছিল।

অধ্যক্ষ বলেন, সকাল থেকেই ওই ছাত্রের হাতে স্টাম্প ছিল। দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ সে দোতলা থেকে নেমে মাঠের একপাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষক উৎপলকে স্টাম্প দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে। পরে আহত অবস্থায় উৎপলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিহতের ভাই অসীম কুমার সরকার বলেন, ‘জানতে পেরেছি মেয়েদের ইভটিজিংসহ নানান শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে শাসন করায় ওই ছাত্র আমার ভাইকে হত্যা করেছে। আমি প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর কাছে এর উপযুক্ত বিচার চাই।’

আশুলিয়া থানার এসআই এমদাদুল হক বলেন, ওই শিক্ষকের ভাই মামলা করেছেন। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ