০৯:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নরমাল ডেলিভারি করতে গিয়ে বাচ্চার মাথা বডি থেকে আলাদা

মানব সৃষ্টির আদিম যুগ থেকে বিজ্ঞানের যুগেও কিছু বিষয় একদম ই পালটাই নি।এরকম ই একটি প্রক্রিয়া হলো নরমাল ডেলিভারি বা সাধারণ প্রসব। নরমাল ডেলিভারি করতে গিয়ে বাচ্চার মাথা আলাদা করে ফেলল এক ধাত্রী। এমন এক ঘটনা ঘটেছে মাধবপুর উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের মাহবুব মিয়ার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী আবেদা বেগমের সাথে।
রোগীর স্বজন দের সাথে কথা বললে জানা যায়,গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে আবেদা বেগমের প্রসব বেদনা শুরু হলে আমরা ধাত্রী মহিলাকে ডাকি
ধাত্রী মহিলা বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত নরমাল ডেলিভারি করার জন্য অনেক চেষ্টা করে এবং অনেক জোরাজুরি করে পরে এসব টানাটানির কারনে বাচ্চার মাথা আলাদা হয়ে যায়,এবং বাচ্চার বাকি অংশ প্রসুতির মায়ের পেটে ই রয়ে যায়।
মাথা আলাদা হয়ে যাওয়ার পর আমরা মাথা টাকে প্যাকেটে করে রোগীকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে আসি। এমতাবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসার পর গতকাল রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ডা.ফারহানা ইয়াছমিন প্রসূতি মাকে সিজারিয়ানের মাধ্যমে শরিরের বাকিটা বডি টা বের করেন।
ডা.ফারহানা ইয়াছমিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান- এমন ঘটনা কখনো এর আগে ঘটেনি আর বাচ্চার ওজনও ছিল প্রায় ছয় কেজি।এত বড় ওজনের বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হওয়ার কথা না।তাই রোগীদের সচেতনতার ক্ষেত্রে আমরা বলব গ্রামে নরমাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া দরকার আর
গ্রামের মহিলারদের দিয়ে এসব না করিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা উচিত।কারণ এসব নরমাল ডেলিভারি করতে গিয়ে বাচ্চার উপর প্রেশার পরে পরিবর্তীতে এসব বাচ্চারা বেশির ভাগ ই এভ নরমাল হয়।
হাসপাতালের স্ট্যাফ নার্স সবাই এমন ঘটনা দেখে বিস্মিত, রোগীর স্বজনসহ সবাই আবেগে আপ্লূত। এবং এমন ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেনি এবং ঘটেছে বলে মনে হয় না।
তাই আমাদের সবার উচিত নরমাল ডেলিভারির ক্ষেতে সচেতন হওয়া, একটি ভুল সিদ্বান্তের কারনে অকালে ঝড়ে যেতে পারে একটি প্রান।
বর্তমানে রুগীটি ভালো আছেন এবং গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

নরমাল ডেলিভারি করতে গিয়ে বাচ্চার মাথা বডি থেকে আলাদা

প্রকাশিত : ০৪:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২

মানব সৃষ্টির আদিম যুগ থেকে বিজ্ঞানের যুগেও কিছু বিষয় একদম ই পালটাই নি।এরকম ই একটি প্রক্রিয়া হলো নরমাল ডেলিভারি বা সাধারণ প্রসব। নরমাল ডেলিভারি করতে গিয়ে বাচ্চার মাথা আলাদা করে ফেলল এক ধাত্রী। এমন এক ঘটনা ঘটেছে মাধবপুর উপজেলার আনন্দপুর গ্রামের মাহবুব মিয়ার স্ত্রী দুই সন্তানের জননী আবেদা বেগমের সাথে।
রোগীর স্বজন দের সাথে কথা বললে জানা যায়,গতকাল মঙ্গলবার দুপুর থেকে আবেদা বেগমের প্রসব বেদনা শুরু হলে আমরা ধাত্রী মহিলাকে ডাকি
ধাত্রী মহিলা বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত নরমাল ডেলিভারি করার জন্য অনেক চেষ্টা করে এবং অনেক জোরাজুরি করে পরে এসব টানাটানির কারনে বাচ্চার মাথা আলাদা হয়ে যায়,এবং বাচ্চার বাকি অংশ প্রসুতির মায়ের পেটে ই রয়ে যায়।
মাথা আলাদা হয়ে যাওয়ার পর আমরা মাথা টাকে প্যাকেটে করে রোগীকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে আসি। এমতাবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসার পর গতকাল রাত সাড়ে এগারোটার দিকে ডা.ফারহানা ইয়াছমিন প্রসূতি মাকে সিজারিয়ানের মাধ্যমে শরিরের বাকিটা বডি টা বের করেন।
ডা.ফারহানা ইয়াছমিনের সাথে কথা বললে তিনি জানান- এমন ঘটনা কখনো এর আগে ঘটেনি আর বাচ্চার ওজনও ছিল প্রায় ছয় কেজি।এত বড় ওজনের বাচ্চা নরমাল ডেলিভারি হওয়ার কথা না।তাই রোগীদের সচেতনতার ক্ষেত্রে আমরা বলব গ্রামে নরমাল ডেলিভারির ক্ষেত্রে সচেতন হওয়া দরকার আর
গ্রামের মহিলারদের দিয়ে এসব না করিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসা উচিত।কারণ এসব নরমাল ডেলিভারি করতে গিয়ে বাচ্চার উপর প্রেশার পরে পরিবর্তীতে এসব বাচ্চারা বেশির ভাগ ই এভ নরমাল হয়।
হাসপাতালের স্ট্যাফ নার্স সবাই এমন ঘটনা দেখে বিস্মিত, রোগীর স্বজনসহ সবাই আবেগে আপ্লূত। এবং এমন ঘটনা তারা আগে কখনো দেখেনি এবং ঘটেছে বলে মনে হয় না।
তাই আমাদের সবার উচিত নরমাল ডেলিভারির ক্ষেতে সচেতন হওয়া, একটি ভুল সিদ্বান্তের কারনে অকালে ঝড়ে যেতে পারে একটি প্রান।
বর্তমানে রুগীটি ভালো আছেন এবং গ্রামীণ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ