০৫:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

একদিনে তিন নারীকে ফাঁসি দিল ইরান

ফাঁসিতে ঝুলিয়ে একই দিনে তিন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। গত ২৭ জুলাই দেশটির পৃথক কারাগারে তাদেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়। স্বামী হত্যার দায়ে এই নারীদের ফাঁসি দেয় ইরান।

নরওয়ে ভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) এর বরাত দিয়ে এই খবর দিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার তিন নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা জানায় আইএইচআর। ইরানে নারীদের ফাঁসি দেওয়ার ঘটনা বাড়ছে। এতে উদ্বেগ জানিয়েছেন আইএইচআর।

ইরান হিউম্যান রাইটস বলছে, গত ২৭ জুলাই ওই তিন নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার মধ্য দিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ নারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় সানানদাজ শহরের কারাগারে সোহেলি আবেদি নামের এক নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মাত্র ১৫ বছর বয়সে সোহেলির বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের ১০ বছর পর তিনি স্বামীকে হত্যা করেন। ২০১৫ সালে এ ঘটনায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

অন্যদিকে, পাঁচ বছর আগে স্বামীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ফারানাক বেহেস্তি নামের আরেক নারী। তাকে উর্মিয়া শহরের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলের একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি, প্রজ্ঞাপন জারি

একদিনে তিন নারীকে ফাঁসি দিল ইরান

প্রকাশিত : ১২:৫০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ জুলাই ২০২২

ফাঁসিতে ঝুলিয়ে একই দিনে তিন নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। গত ২৭ জুলাই দেশটির পৃথক কারাগারে তাদেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়। স্বামী হত্যার দায়ে এই নারীদের ফাঁসি দেয় ইরান।

নরওয়ে ভিত্তিক ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) এর বরাত দিয়ে এই খবর দিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় শুক্রবার তিন নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা জানায় আইএইচআর। ইরানে নারীদের ফাঁসি দেওয়ার ঘটনা বাড়ছে। এতে উদ্বেগ জানিয়েছেন আইএইচআর।

ইরান হিউম্যান রাইটস বলছে, গত ২৭ জুলাই ওই তিন নারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার মধ্য দিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ১০ নারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় সানানদাজ শহরের কারাগারে সোহেলি আবেদি নামের এক নারীকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মাত্র ১৫ বছর বয়সে সোহেলির বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের ১০ বছর পর তিনি স্বামীকে হত্যা করেন। ২০১৫ সালে এ ঘটনায় তিনি দোষী সাব্যস্ত হন।

অন্যদিকে, পাঁচ বছর আগে স্বামীকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন ফারানাক বেহেস্তি নামের আরেক নারী। তাকে উর্মিয়া শহরের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলের একটি কারাগারে ফাঁসি দেওয়া হয়।