০৬:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ-আরব আমিরাতের সমঝোতা স্বাক্ষর

বাংলাদেশ থেকে ১৯ ক্যাটাগরির কর্মী নিয়োগের বিষয়ে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

বুধবার দুবাইয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের আন্ডার সেক্রেটারি সাইফ আহমেদ আল সুআইদি নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের সাথে সাথেই কার্যকর হয়েছে।

এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী নাসের আল হামলি উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে গত কয়েক মাস ধরে আলাপ-আলোচনা চলছিল। দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের দপ্তরে উভয় দেশের মধ্যে শেষ পর্যায়ের আলোচনার পর সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করা হয় এবং উভয় দেশের আগ্রহ ও সম্মতির ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত হয়।

সমঝোতা স্মারকটিতে বাংলাদেশ থেকে ১৯ ক্যাটাগরির কর্মী নিয়োগের বিধান, পদ্ধতি, রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি ও উভয় দেশের সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য, কর্মীদের অধিকার, সুযোগ-সবিধা, এমপ্লয়ারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, নিয়োগ চুক্তির বিধান ও পৃথক একটি বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা ইত্যাদি উল্লেখ রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসব কর্মীর স্বার্থ রক্ষার্থে ২০১৭ সালে কার্যকর হওয়া আইনের আলোকে সমঝোতা স্মারকটিতে শ্রমিক, মালিক ও উভয় দেশের সরকারের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল শ্রম অভিবাসনের লক্ষ্য অর্জনের বিষয়সমূহ বিবেচনায় রেখে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করা হয়।

সমঝোতা স্মারকটি বাস্তবায়নের জন্য উভয় দেশের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি জয়েন্ট কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এ কমিটিকে কতিপয় সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশী কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশ-আরব আমিরাতের সমঝোতা স্বাক্ষর

প্রকাশিত : ১২:০৪:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮

বাংলাদেশ থেকে ১৯ ক্যাটাগরির কর্মী নিয়োগের বিষয়ে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

বুধবার দুবাইয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের আন্ডার সেক্রেটারি সাইফ আহমেদ আল সুআইদি নিজ নিজ দেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরের সাথে সাথেই কার্যকর হয়েছে।

এ সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী নাসের আল হামলি উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ে গত কয়েক মাস ধরে আলাপ-আলোচনা চলছিল। দুবাইয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মিনিস্ট্রি অব হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যান্ড এমিরেটাইজেশনের দপ্তরে উভয় দেশের মধ্যে শেষ পর্যায়ের আলোচনার পর সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত করা হয় এবং উভয় দেশের আগ্রহ ও সম্মতির ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত হয়।

সমঝোতা স্মারকটিতে বাংলাদেশ থেকে ১৯ ক্যাটাগরির কর্মী নিয়োগের বিধান, পদ্ধতি, রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি ও উভয় দেশের সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য, কর্মীদের অধিকার, সুযোগ-সবিধা, এমপ্লয়ারদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, নিয়োগ চুক্তির বিধান ও পৃথক একটি বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা ইত্যাদি উল্লেখ রয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসব কর্মীর স্বার্থ রক্ষার্থে ২০১৭ সালে কার্যকর হওয়া আইনের আলোকে সমঝোতা স্মারকটিতে শ্রমিক, মালিক ও উভয় দেশের সরকারের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে। নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও দায়িত্বশীল শ্রম অভিবাসনের লক্ষ্য অর্জনের বিষয়সমূহ বিবেচনায় রেখে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করা হয়।

সমঝোতা স্মারকটি বাস্তবায়নের জন্য উভয় দেশের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি জয়েন্ট কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এ কমিটিকে কতিপয় সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশী কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়া পুনরায় শুরু হবে।