০২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

দুপুর পর্যন্ত খোলেনি অফিস কক্ষ রূপগঞ্জে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ভোগান্তি!

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে প্রায় শতাধীক নারী-পুুরুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে কোন প্রকার সমাধান না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগীরা। শুধু তাই নয়, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়েও একই চিত্র। গতকাল রোববার উপজেলা কার্যালয়ে এসে এ ভোগান্তির শিকার হন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর পক্ষ থেকে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করার দায়িত্ব দেয়া হয় টেকনেশিয়ান জাহিদুল ইসলামকে। সরকারী নিয়মানুযায়ী সকাল ৮টা থেকে অফিস করার কথা। সকাল ৮টা থেকে প্রায় শতাধীক নারী-পুরুষ জন্মনিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউএনও কার্যালয়ে ভীর জমায়। সকাল থেকেই সংশোধন করার কক্ষটি বন্ধ রয়েছে। বেলা ১১টা
হয়ে গেলেও অফিস কক্ষ না খোলায় এবং জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে না পেরে ক্ষিপ্ত
হয়ে উঠেন উপস্থিত ভুক্তভোগীরা। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল হকের কাছে গেলে তিনি টেকনেশিয়ান এবং
সার্ভারে সমস্যা আছে বলে দেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে চনপাড়া পূর্ণবাসন কেন্দ্রের আবুল কালাম বলেন, আমার ছেলে সিয়ানের জন্মনিবন্ধনে বয়স কম দেয়া হয়েছে। সংশোধন করতে এসে দুই ঘন্টা ধরে বসে আছি। গন্ধর্বপুর এলাকার রুবি আক্তার বলেন, আমার মেয়ে তানজিলার জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে এখানে এসে বসে আছি আড়াই ঘন্টা ধরে।

জাঙ্গীর এলাকার সোহান বলেন, জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ৯টা থেকে বসে আছি। সাড়ে ১২টা বাজলেও কেউ আসেনি।
রুপসী এলাকা থেকে এসেছেন সাহিদা বেগম। তিনি তার মেয়ে মিথু আক্তারের জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গুতিয়াবো এলাকার হালিমা বেগম এসেছেন জন্মনিবন্ধনে ছেলে কাউসারের নাম পরিবর্তন করতে। ১০ থেকে বসে আছেন।
রুপগঞ্জ গ্রাম থেকে এসেছেন সোনিয়া আক্তার। ছেলে সিফাতের জন্মনিবন্ধনে মা বাবার নাম ভুল হয়েছে। সংশোধন করতে এসে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ ধরনের অভিযোগের শেষ নেই।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদেও তাদের হয়রানি হতে হয়েছে। নানা অযুহাতে
অফিস কক্ষ বন্ধ বা সমস্যা দেখিয়ে যেন সাধারন মানুষকে হয়রানি করা না হয়।

দুপুর ১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সার্ভারে ও টেকনেশিয়ান কিছু ক্রুটি
রয়েছে কিছু ক্ষনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। অফিস কক্ষ বন্ধ কেন ? এমন প্রশ্নের
জবাবে ইউএনও বলেন, দায়িত্ব দেয়া জাহিদুল ইসলামকে ত্রুটি গুলোর সমাধান করার জন্য বাহিরে পাঠানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সামাজিক সংগঠন সুহৃদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৩০০ দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

দুপুর পর্যন্ত খোলেনি অফিস কক্ষ রূপগঞ্জে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ভোগান্তি!

প্রকাশিত : ০৬:২৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে প্রায় শতাধীক নারী-পুুরুষ ভোগান্তির শিকার হয়েছেন। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে কোন প্রকার সমাধান না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ভুক্তভোগীরা। শুধু তাই নয়, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়েও একই চিত্র। গতকাল রোববার উপজেলা কার্যালয়ে এসে এ ভোগান্তির শিকার হন ভুক্তভোগীরা। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এর পক্ষ থেকে জন্মনিবন্ধন সংশোধন করার দায়িত্ব দেয়া হয় টেকনেশিয়ান জাহিদুল ইসলামকে। সরকারী নিয়মানুযায়ী সকাল ৮টা থেকে অফিস করার কথা। সকাল ৮টা থেকে প্রায় শতাধীক নারী-পুরুষ জন্মনিবন্ধন সংশোধন করার জন্য ইউএনও কার্যালয়ে ভীর জমায়। সকাল থেকেই সংশোধন করার কক্ষটি বন্ধ রয়েছে। বেলা ১১টা
হয়ে গেলেও অফিস কক্ষ না খোলায় এবং জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে না পেরে ক্ষিপ্ত
হয়ে উঠেন উপস্থিত ভুক্তভোগীরা। এক পর্যায়ে ভুক্তভোগীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল হকের কাছে গেলে তিনি টেকনেশিয়ান এবং
সার্ভারে সমস্যা আছে বলে দেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে চনপাড়া পূর্ণবাসন কেন্দ্রের আবুল কালাম বলেন, আমার ছেলে সিয়ানের জন্মনিবন্ধনে বয়স কম দেয়া হয়েছে। সংশোধন করতে এসে দুই ঘন্টা ধরে বসে আছি। গন্ধর্বপুর এলাকার রুবি আক্তার বলেন, আমার মেয়ে তানজিলার জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে এখানে এসে বসে আছি আড়াই ঘন্টা ধরে।

জাঙ্গীর এলাকার সোহান বলেন, জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ৯টা থেকে বসে আছি। সাড়ে ১২টা বাজলেও কেউ আসেনি।
রুপসী এলাকা থেকে এসেছেন সাহিদা বেগম। তিনি তার মেয়ে মিথু আক্তারের জন্মনিবন্ধন সংশোধন করতে এসে ভোগান্তিতে পড়েছেন।
গুতিয়াবো এলাকার হালিমা বেগম এসেছেন জন্মনিবন্ধনে ছেলে কাউসারের নাম পরিবর্তন করতে। ১০ থেকে বসে আছেন।
রুপগঞ্জ গ্রাম থেকে এসেছেন সোনিয়া আক্তার। ছেলে সিফাতের জন্মনিবন্ধনে মা বাবার নাম ভুল হয়েছে। সংশোধন করতে এসে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এ ধরনের অভিযোগের শেষ নেই।
ভুক্তভোগীদের দাবি, ইউনিয়ন পরিষদেও তাদের হয়রানি হতে হয়েছে। নানা অযুহাতে
অফিস কক্ষ বন্ধ বা সমস্যা দেখিয়ে যেন সাধারন মানুষকে হয়রানি করা না হয়।

দুপুর ১টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সার্ভারে ও টেকনেশিয়ান কিছু ক্রুটি
রয়েছে কিছু ক্ষনের মধ্যে সমাধান হয়ে যাবে। অফিস কক্ষ বন্ধ কেন ? এমন প্রশ্নের
জবাবে ইউএনও বলেন, দায়িত্ব দেয়া জাহিদুল ইসলামকে ত্রুটি গুলোর সমাধান করার জন্য বাহিরে পাঠানো হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ