ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলার নবীনগর উপজেলায় লাউ চাষে ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন ইব্রাহিমপুর গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে সুমন মিয়া (৫২)। তিনি ইব্রাহিমপুরে ১২ শতাংশ জমিতে লাউ চাষ করে এখন স্বাবলম্বী। লাউ চাষের আগে এ জমিতে তিনি অন্য ফসল চাষ করেন। লাউ ও এর পাতার ব্যাপক চাহিদা থাকায় অনেকেই এ সবজি চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। সরেজমিনে জানা যায়, কৃষক সুমন মিয়া গত ২ বছর আগে ৯ শতাংশ জমিতে প্রথম লাউ চাষ শুরু করেন, প্রথম বছরই তিনি সফলতার পান।
বর্তমানে তিনি ১২ শতাংশ জমিতে লাভ জনক ফসল লাউ চাষ করছেন। এতে তার ৫,৫০০ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০/৮০ টাকা। এ বছর ৮০,০০০ থেকে ১,০০০০০ টাকা লাউ বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করেন, লাউয়ের পাতা বিক্রি করে ও ভাল দাম পান। এ পর্যন্ত তিনি কয়েক বার লাউ ও পাতা জমিতে ও বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেছেন এবং দাম ও ভাল পাচ্ছেন।

লাউ বিক্রির টাকা দিয়ে তার সংসার এখন বেশ ভাল চলছে। তিনি বলেন- লাউ চাষে তেমন রোগ-বালাই ও পরিশ্রম করতে হয় না। প্রথম দিকে জমি প্রস্তুত, বীজ রোপণ ও মাঁচা তৈরীর সময় একটু পরিশ্র হয়। গাছ বড় হওয়ার পর তেমন শ্রম দিতে হয় না, শুধু নিয়মিত তদারকি করলেই হয়। এ ছাড়া কৃষি বিভাগের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নাইম নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে থাকেন বলে জানান তিনি।
চাষি রেজ্জাক মিয়া (৫৫) জানান, তিনি সুমনের দেখা-দেখি আমি এ বছর ০৪ শতাংশ জমিতে লাউ চাষ করি। কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে সঠিক ভাবে ক্ষেতে সার-ঔষধ দিয়েছি, ফলন ভাল হবে বলে আশা করি। সুমন মিয়া জানান -সবজি চাষে সফল হওয়ার জন্য চাই আত্ম-প্রত্যয়, কঠিন পরিশ্রম ও সঠিক পরামর্শ। বেকার যুবকদের সরকারি ভাবে লাউ চাষের প্রশিক্ষণ দেয়া হলে কৃষকরা লাউ চাষে আরো আগ্রহী হবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব




















