ব্লাকমেইল করে নর-নারীকে আটক করে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদা দাবি করার
অভিযোগে ০২ জনকে গ্রেফতার করেছে র্যা ব-৪’র আওতাধীন মানিকগঞ্জ সিপিসি-৩‘র
একটি আভিযানিক দল । এ সময় জিম্মিদশা থেকে ভুক্তভোগীদেরও উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো মানিকগঞ্জ পৌরসভাধীন উচুটিয়া গ্রামের মৃত মেহের আলীর
মেয়ে জামিলা আক্তার ওরফে তানিয়া (৪১), এবং মানিকগঞ্জ জেলার উপজেলাধীন
রামকৃষ্ণপুর নয়াকান্দি এলাকার মৃত রহমান বেপারীর পুত্র মোঃ সবুজ বেপারী
(৪৬)।
মানিকগঞ্জ সিপিসি-৩‘র কমান্ডার লেঃ কমান্ডার আরিফ হোসেন জানান,
গ্রেফতারকৃত জামিলা বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্ব পরিচিত ভিকটিম পলি ওরফে
খাদিজা (২৮) কে বাসায় কাজ দিবে বলে মোবাইল ফোনে বান্দুটিয়া এলাকায় তার
ভাড়া বাসায় ডেকে আনে। এরপর একই কায়দায় অপর ভিকটিম রাজন চন্দ্র (২৬) কে
ডেকে এনে সুকৌশলে একটি রুমে ঢুকিয়ে দিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেয়।
এর কিছুক্ষণ পর সেখানে সবুজ বেপারী এসে রুমের দরজা খুলে দেয়। সে নিজেকে
ডিবি অফিসার পরিচয় দিয়ে খাদিজা ও রাজনের বিরুদ্ধে রুমের মধ্যে অনৈতিক কাজ
করার মিথ্যা অভিযোগ এনে তাদের গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাবার হুমকী
দেয়।মান-সম্মান হারানোর ভয়ে তারা তাদেরকে ছেড়ে দেয়ার জন্য আকুতি-মিনতি
করতে থাকে। তথাকথিত ডিবি অফিসার সবুজ বেপারী তখন রাজন এর নিকট ৫০,০০০/-
(পঞ্চাশ হাজার) টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে তাদের মামলা দিয়ে জেল
হাজতে পাঠানো ও মারধর করার আস্ফালন করতে থাকে। এক পর্যায়ে রাজন বিকাশের
মাধ্যমে মোবাইল ফোনে টাকা আনার কথা বলে কৌশলে সিপিসি-৩, র্যাব-৪
মানিকগঞ্জ অফিসে ফোন করে। র্যা বের একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে অভিযান
চালিয়ে ভিকটিমদ্বয়কে উদ্ধার এবং জামিলা ও সবুজকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ
করে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা কৌশলে ডেকে এনে আটক রেখে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে ৫০
হাজার) টাকা চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি দেখানোর কথা স্বীকার করে।
গ্রেফতার কৃত জামিলা ও সবুজের বিরুদ্ধে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি
নিয়মিত মামলা রুজু করে তাদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ




















