রাজধানীর মিরপুরে এক বাড়িতে অআগুনে দগ্ধ মা ও সন্তানের পর বাবা মানিক মিয়াও (৩৫) চলে গেলেন না ফেরার দেশে। তার শরীরের ৮০ ভাগেরও বেশি দগ্ধ ছিল।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে মারা যান মানিক।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. বাচ্চু মিয়া তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মানিকের স্ত্রী মিনা আক্তার (২২) মারা যান বুধবার দুপুরে। অগ্নিকাণ্ডের রাতে মঙ্গলবারই মারা যায় তাদের সাত মাসের ছেলে তামিম। এ দুর্ঘটনায় দগ্ধ তিন জনের মধ্যে আর কেউ বেঁচে রইলো না।
মিরপুরে ১১ নম্বর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ৩ নম্বর রোডের ৪নং বাড়ির নিচ তলায় সিকিউরিটির গার্ডরুমে পরিবার নিয়ে থাকেন বাড়ির কেয়ারটেকার মানিক।
মানিক রুমে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সিগারেট ধরাতে দিয়াশলাই ঠুকা দিতেই জমে থাকা গ্যাস থেকে আগুন ধরে যায়। আগুনে তারা তিনজন গুরুতর দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ইসলামিয়া হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তাদের স্থানান্তর করা হয় ঢামেক বার্ন ইউনিটে।
সেখানে তামিমকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। এ সময় তারা জানান, মিনা ও মানিকের শরীরের ৮০ শতাংশেরও বেশি পুড়ে গেছে।
গ্যাসের লাইনে ত্রুটি ছিল এবং এ কারণেই রুমের মধ্যে গ্যাস জমে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিক ধারণা ফায়ার সার্ভিসের।























