১১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আইনের কঠোর প্রয়োগে সড়ক দুর্ঘটন রোধ করতে হবে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, নাগরিক অসচেতনতা এবং গাড়ির চালক বেপরোয়া হওয়াই সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ দুর্ঘটনা রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ হবে।

শনিবার রাজধানীর ফার্মগের চৌরাস্তায় ‘সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক উদ্বুদ্ধকরণ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনের কঠোর থেকে কঠোরতর প্রয়োগ করতে চাই। সাম্প্রাতিক সময়ে কয়েকটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। ‌‌

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে দু’টি বাসের সংঘর্ষে এক নাগরিকের হাত হারিয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে। তার কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবার সড়ক দুর্ঘটনা। সড়ক দর্ঘটনা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এটা উদ্বেগের বিষয়।’

চালকদের উদ্দেশ্য করে সাঈদ খোকন বলেন, ঢাকা শহরে অধিকাংশ বাসের চালকের বয়স খুবই অল্প। এসব চালকদের অধিকাংশের বয়সই ১২ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। অনেকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। এসব ছোট ছোট চাকলরা বেপরোয়া বাস চালাচ্ছে। এর ফলেই দুর্ঘটনা ঘটছে। বাসের সুপারভাজার ও সহকারীদের আচরণে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এজন্য আমাদের আরও অনেক বেশি কঠোর হতে হবে।

নাগরিক অসচেতনতাকেও সড়ক দুর্ঘটার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ্য করে মেয়র বলেন, আমাদের সচেতনতার বড় অভাব রয়েছে। রাস্তায় চলাচল করার সময় প্রায়ই দেখা যায় মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পাড় হচ্ছেন। আবার অনেকে কানে হেডফোন-ব্লুটুথ ব্যবহার করেও রাস্তা পার হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এজন্য নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি জেব্রা ক্রসিং, সিগন্যাল বাতি দেখে রাস্তা পার হওয়ার আহ্বান জানান ঢাকা দক্ষিণের মেয়র।

এসময় ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল, বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার (সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য) এবং দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, স্থানীয় কাউন্সিলর এম এ হামিদ খান, কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে মেয়র বাস চালক, পথচারী ও রিকশা চালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আইনের কঠোর প্রয়োগে সড়ক দুর্ঘটন রোধ করতে হবে

প্রকাশিত : ০৪:১০:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন বলেছেন, নাগরিক অসচেতনতা এবং গাড়ির চালক বেপরোয়া হওয়াই সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এ দুর্ঘটনা রোধে আইনের কঠোর প্রয়োগ হবে।

শনিবার রাজধানীর ফার্মগের চৌরাস্তায় ‘সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক উদ্বুদ্ধকরণ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে আইনের কঠোর থেকে কঠোরতর প্রয়োগ করতে চাই। সাম্প্রাতিক সময়ে কয়েকটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। ‌‌

তিনি বলেন, কিছুদিন আগে দু’টি বাসের সংঘর্ষে এক নাগরিকের হাত হারিয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে। তার কয়েকদিন যেতে না যেতেই আবার সড়ক দুর্ঘটনা। সড়ক দর্ঘটনা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। এটা উদ্বেগের বিষয়।’

চালকদের উদ্দেশ্য করে সাঈদ খোকন বলেন, ঢাকা শহরে অধিকাংশ বাসের চালকের বয়স খুবই অল্প। এসব চালকদের অধিকাংশের বয়সই ১২ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে। অনেকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। এসব ছোট ছোট চাকলরা বেপরোয়া বাস চালাচ্ছে। এর ফলেই দুর্ঘটনা ঘটছে। বাসের সুপারভাজার ও সহকারীদের আচরণে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা হয়রানির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এজন্য আমাদের আরও অনেক বেশি কঠোর হতে হবে।

নাগরিক অসচেতনতাকেও সড়ক দুর্ঘটার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ্য করে মেয়র বলেন, আমাদের সচেতনতার বড় অভাব রয়েছে। রাস্তায় চলাচল করার সময় প্রায়ই দেখা যায় মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পাড় হচ্ছেন। আবার অনেকে কানে হেডফোন-ব্লুটুথ ব্যবহার করেও রাস্তা পার হচ্ছে, যা দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। এজন্য নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি জেব্রা ক্রসিং, সিগন্যাল বাতি দেখে রাস্তা পার হওয়ার আহ্বান জানান ঢাকা দক্ষিণের মেয়র।

এসময় ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান মো. বিলাল, বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার (সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য) এবং দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, স্থানীয় কাউন্সিলর এম এ হামিদ খান, কাউন্সিলর হাসিবুর রহমান মানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে মেয়র বাস চালক, পথচারী ও রিকশা চালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।