র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এম. খুরশীদ হোসেন বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিষেধাজ্ঞায় র্যাবে যেসব সংস্কারের কথা বলা হয়েছে, তা করার দায়িত্ব সরকারের। সরকার বিষয়টি নিয়ে কাজ করছে।’
আজ সোমবার দুপুরে সিলেটে র্যাব-৯-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন এম. খুরশীদ হোসেন। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে যাত্রা শুরু করে র্যাব-৯।
সংস্থার কেউ আইনবিরোধী কাজ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে র্যাব ডিজি এম. খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘র্যাব তার নীতিতে অবিচল। সংস্থায় কেউ যদি অপরাধ করে সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞায় নাম থাকা ৭৬ জনের তালিকা অনুসারে তদন্ত করা হয়েছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।’
বান্দরবানে জঙ্গি ও কুকি-চীন বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে করা অভিযান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এম. খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘বান্দরবানে অপারেশন চলছে, এখনো শেষ হয়নি। অভিযান পুরোপুরি সফলের পর সবকিছু জানিয়ে দেওয়া হবে। জঙ্গিগোষ্ঠী পাহাড়ে গিয়ে সমবেত হয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিল। আমরা শনাক্ত করতে পেরেছি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে পাহাড়ে অভিযান চালিয়েছি। অভিযান এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
র্যাব ডিজি বলেন, ‘র্যাবের স্লোগানই হচ্ছে- বাংলাদেশ আমার অহংকার। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বলেছি, র্যাব হবে এদেশের মানুষের নিরাপত্তা, আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীক। আমরা সেই মনোভাব নিয়ে কাজ করে যাবো। পক্ষান্তরে যারা অপশক্তি, সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, জঙ্গি তাদের জন্য র্যাব হবে আতঙ্কের প্রতীক- এই হলো র্যাবের মূল মন্ত্র। আমরা চাই, দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে র্যাব সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।’
র্যাব-৯-এর প্রশংসা করে এম. খুরশীদ হোসেন বলেন, ‘সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে মানুষের আস্থা অর্জন ও জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে র্যাব-৯। ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠার পর থেকে র্যাব-৯ এর যেসব সদস্য দেশের তরে কাজ করে জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তাদের আত্মার মাগফিরাত কমনা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমাবেদনা জ্ঞাপন করছি।’
তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকার পাশাপাশি র্যাব-৯ সকল দুর্যোগ মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিগত বন্যায় অসহায় মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়াসহ নানা সহায়তা করেছে র্যাব-৯।’
বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ




















