ঢাকা রাত ১১:৫৪, শুক্রবার, ৩রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামের রৌমারী

সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা আশা করছেন কৃষকরা

কুড়িগ্রামের রৌমারী এবার রবি মৌসুমে সরিষার ব্যাপক চাষ করেছে কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকরা। অল্প খরচে বেশী লাভ হওয়ার কারণে কৃষকের আগ্রহবেশী সরিষা চাষে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সরিষার বাম্পার ফলন পাবেন সম্ভাবনা রয়েছে । নিচু জমি গুলোতে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে এই অঞ্চলের কৃষকরা বাড়তি ফসল হিসেবে সরিষা চাষ করে থাকে। এবং উচু জমি গুলোতে আমন ধানের চাষ হয়ে থাকে কিছু,কিছু কৃষক আমন ধান কাটার পরেই সরিষা চাষ করেছেন। সরিষা ফসল তুলে আবার বোরো মৌসুমে ধান রোপণ করবেন কৃষকরা।

উপজেলার আলগারচর গ্রামের কৃষক আলহাজ¦ হাছেন আলী বলেন আমাদের জমি গুলো নিচু হওয়ায় আমরা আমন ধানের চাষ করতে পারিনা। তাই বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে,সাথে সরিষার চাষ করি,তিনি বলেন সরিষার জমি মাত্র দুটি চাষ করে দিয়ে সরিষা রোপণ করা যায়, সরিষার কোন আগাছা পরিষ্কার করতে হয়না, অল্প খরচে লাভ অনেক বেশি হয় তাই আমি প্রতি বছর প্রায় ১০ বিঘা জমিতে সরিষার চাষ করে থাকি।

কৃষক শাহার আলী. শহিদুর এদের দাবী সরিষা ভালো হলেই কি তেলের দাম না কমালে লাভ হবেনা। উপজেলার সদর ইউনিয়নের কৃষক আফছার আলী বলেন সরিষা চাষে খরচ অনেক কম লাগে লাভ বেশি হয় যার ফলে সরিষা চাষ করা হয়। সরিষা বিক্রি করে ওই টাকায় সংসারের চাহিদা মিটিয়ে বোরো ধান রোপন করতে পারি।
তিনি আরও বলেন, প্রতি বিঘা জমিতে সরিষা চাষে খরচ হয় প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা, ভালো সরিষা হলে ১২ থেকে ১৩ মণ পর্যন্ত সরিষা হয়ে থাকে।তারা বলেন প্রতি মণ সরিষা বাজারে নিয়ে ২ হাজার থেকে ২৫শ টাকা দরে বিক্রি করতে পারলেই আমাদের অনেক লাভ থাকে এর চেয়ে বাজার কম হলে আমাদের বেশি লাভ হয়না না।

রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, কৃষকরা এই ফসলটাকে বাড়তি আয়ের উৎস হিসেবে চাষাবাদ করে থাকে। এবার আমাদের রৌমারী উপজেলায় সরিষা চাষের লক্ষ্য মাত্রা ছিল ৪ হাজার হেক্টর,কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে এবার সরিষার চাষ হয়েছে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমিতে। এখন পর্যন্ত আবওহায়া অনুকুলে আছে শেষ পর্যন্ত এরকম থাকলে কৃষকরা সরিষার ফলনও অনেকটা ভালো পাবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

এ বিভাগের আরও সংবাদ