ঢাকা সকাল ১০:৪৩, শুক্রবার, ২৭শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বৈশ্বিক পরিস্থিতি যাই হোক পররাষ্ট্রনীতিতে অটল থাকবে ঢাকা

বৈশ্বিক পরিস্থিতি যাই হোক না কেন বাংলাদেশ তার পররাষ্ট্রনীতি থেকে সরবে না। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম আজ মঙ্গলবার ঢাকায় এক সেমিনারে এমন বার্তা দিয়েছেন।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ তার নিজস্ব মিলনায়তনে ওই সেমিনার আয়োজন করে। সেমিনারের বিষয় ছিল ‘বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশীর সঙ্গে বাংলাদেশের বৈদেশিক সম্পর্ক।’

সেমিনারে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’—এটিই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল বিষয়। বৈশ্বিক পরিস্থিতি যে দিকেই যাক না কেন, আমাদের এই অবস্থান অক্ষত থাকবে। তাছাড়া জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ কখনো আপোস করবে না। এসব অক্ষত রেখে বাংলাদেশ তার নিজস্ব সম্পদকে অব্যাহতভাবে কাজে লাগাবে।

শাহরিয়ার আলম বাংলাদেশকে ‘আদর্শ প্রতিবেশী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বিশ্বের সব দেশই ভালো প্রতিবেশী প্রত্যাশা করে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উদাহরণ হতে পারে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভালো প্রতিবেশী হিসেবে বাংলাদেশ সম্পর্ক সম্প্রচারণ অব্যাহত রাখবে। প্রতিবেশীরাও বাংলাদেশের এ ভূমিকার যথার্থ মূল্যায়ন করবে।

প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নীতিকে এ অঞ্চলের ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে অভিহিত করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১৫ বছর আগে ট্রানজিট ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশে সস্তা রাজনীতি হয়েছে। শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক জীবন ঝুঁকিতে নিয়ে ট্রানজিটের ভাবনা বাস্তবায়ন করেছেন। এর সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইআইএসএসের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন।

হুমায়ুন কবির বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ব্যবস্থায় বিশ্বের অনেক দেশ প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে কঠিন সময় পার করছে। বাংলাদেশ ভারতের প্রকৃত বন্ধু। সেই বন্ধুত্বের মর্যাদা ভারতেরও দেওয়া উচিত।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক রকিবুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক লাইলাফুর ইয়াসমিন, বিআইআইএসএসের গবেষণা পরিচালক মাহফুজ কবির ও সিনিয়র রিসার্চ ফেলো এম আশিক রহমান বক্তব্য রাখেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

এ বিভাগের আরও সংবাদ