০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

কাশ্মীরে বড় ধরনের ‘অভিযান’ চালাতে যাচ্ছে ভারত সরকার

ভারতের কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে এবার হাউজ লিস্টিং অপারেশন (এইচএলও) শুরু করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। আগামী ১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এ জরিপ অভিযান। মোদি সরকারের এই জরিপ অভিযানের খবরে এরই মধ্যে নিরাপত্তার শঙ্কা তৈরি হয়েছে স্থানীয় মুসলিমদের মধ্যে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে, জাতীয় জনগণনা ২০২৭-এর অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে এ জরিপ। খবর এনডিটিভির।

হাউজ লিস্টিং অপারেশনের এই কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে ইউনিয়ন টেরিটরি লেভেল সেন্সাস কো-অর্ডিনেশন কমিটি। বুধবার (২১ জানুয়ারি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরিপের প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জারি করা হবে। স্ব-গণনার সুবিধার্থে টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও চার্জ অফিসারদের সেবা ব্যবহার করে জনসাধারণকে ১৫ দিনের আগেই নির্দেশনা দেওয়া হবে।

জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখের ডিরেক্টর সেন্সাস অপারেশনস-এর প্রধান অমিত শর্মা জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে এ বছরের গণনা হবে ভারতের প্রথম পূর্ণ ডিজিটাল সেন্সাস। প্রশিক্ষণ, স্ব-গণনা, হাউস লিস্টিং ও জনসংখ্যা গণনার কার্যক্রমের ধারা ও বিস্তারিত সময়সীমা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গৃহীত সিদ্ধান্ত কার্যকর ও বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে সেন্সাস ২০২৭-এর জন্য দ্রুত মানবশক্তি নিয়োগ অনুমোদন করেছে কমিটি। ডেপুটি কমিশনারদেরকে জেলা লেভেল সেন্সাস সেল গঠন এবং সমন্বয়, প্রশিক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের জন্য কর্মকর্তা মনোনয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, চলতি সপ্তাহে ‘মসজিদ-মাদরাসা প্রোফাইলিং’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। এতে মসজিদের আদর্শিক মতবাদ, প্রতিষ্ঠার সাল, অর্থের উৎস, মাসিক ব্যয়, জমির মালিকানা এবং একসঙ্গে কতজন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন-এমন নানা তথ্য চাওয়া হয়েছে।

চার পৃষ্ঠার ফরমে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মোবাইল নম্বর, ইমেইল, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য। এমনকি আত্মীয়স্বজন বিদেশে থাকেন কি না, সেসব বিষয়েও তথ্য দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

ডিএস./

জনপ্রিয়

সায়েন্সল্যাবে ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

কাশ্মীরে বড় ধরনের ‘অভিযান’ চালাতে যাচ্ছে ভারত সরকার

প্রকাশিত : ১০:৪৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীরে এবার হাউজ লিস্টিং অপারেশন (এইচএলও) শুরু করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। আগামী ১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত চলবে এ জরিপ অভিযান। মোদি সরকারের এই জরিপ অভিযানের খবরে এরই মধ্যে নিরাপত্তার শঙ্কা তৈরি হয়েছে স্থানীয় মুসলিমদের মধ্যে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে, জাতীয় জনগণনা ২০২৭-এর অংশ হিসেবে চালানো হচ্ছে এ জরিপ। খবর এনডিটিভির।

হাউজ লিস্টিং অপারেশনের এই কর্মসূচি নির্ধারণ করেছে ইউনিয়ন টেরিটরি লেভেল সেন্সাস কো-অর্ডিনেশন কমিটি। বুধবার (২১ জানুয়ারি) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জরিপের প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন ৩১ জানুয়ারির মধ্যে জারি করা হবে। স্ব-গণনার সুবিধার্থে টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ও চার্জ অফিসারদের সেবা ব্যবহার করে জনসাধারণকে ১৫ দিনের আগেই নির্দেশনা দেওয়া হবে।

জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখের ডিরেক্টর সেন্সাস অপারেশনস-এর প্রধান অমিত শর্মা জানিয়েছেন, জম্মু ও কাশ্মীরে এ বছরের গণনা হবে ভারতের প্রথম পূর্ণ ডিজিটাল সেন্সাস। প্রশিক্ষণ, স্ব-গণনা, হাউস লিস্টিং ও জনসংখ্যা গণনার কার্যক্রমের ধারা ও বিস্তারিত সময়সীমা এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

গৃহীত সিদ্ধান্ত কার্যকর ও বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে সেন্সাস ২০২৭-এর জন্য দ্রুত মানবশক্তি নিয়োগ অনুমোদন করেছে কমিটি। ডেপুটি কমিশনারদেরকে জেলা লেভেল সেন্সাস সেল গঠন এবং সমন্বয়, প্রশিক্ষণ ও তত্ত্বাবধানের জন্য কর্মকর্তা মনোনয়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, চলতি সপ্তাহে ‘মসজিদ-মাদরাসা প্রোফাইলিং’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছে ভারত সরকার। এতে মসজিদের আদর্শিক মতবাদ, প্রতিষ্ঠার সাল, অর্থের উৎস, মাসিক ব্যয়, জমির মালিকানা এবং একসঙ্গে কতজন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন-এমন নানা তথ্য চাওয়া হয়েছে।

চার পৃষ্ঠার ফরমে ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খতিবদের ব্যক্তিগত তথ্য চাওয়া হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে মোবাইল নম্বর, ইমেইল, পাসপোর্ট নম্বর, ব্যাংক হিসাব, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য। এমনকি আত্মীয়স্বজন বিদেশে থাকেন কি না, সেসব বিষয়েও তথ্য দিতে বাধ্য করা হচ্ছে।

ডিএস./