একুশের গান মানেই স্যাড ভার্সনে অবনত মস্তক। গানের এই চিরায়ত রূপকে ভেঙেছেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী গীতিকার মুনশী ওয়াদুদ। তার দৃষ্টিতে একুশের মানেটা এখানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং একুশ মানে তেজদীপ্ত তারুণ্যের প্রত্যয় আর শ্রদ্ধার। প্রজন্মের এগিয়ে যাওয়ার সংকল্প। তার এমন ভাবনার কথাগুলো উঠেছে এসেছে ভাষার মাসে একুশকে সামনে রেখে। ‘একুশ সে তো বরকতেরই প্রসন্ন মুখ, অবিনাশী এক নকশীকাঁথায় সূচিকর্মের বিষণ্ণ সুখ, ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে, আজ শ্রদ্ধার অঞ্জলি।- এমন কথামালায় সাজিয়েছেন ভিন্নধর্মী একটি গান যার সুর ও সঙ্গীতায়োজন করেছেন কিংবদন্তী শেখ সাদী খান। মুনশীর লেখা মেলোডি নির্ভর কথাগুলোকে জাগরণের দ্যোতনায় ভাসিয়ে তুলেছেন। যা শ্রোতাদের হৃদয়ে প্রোথিত হবে অনেক দিন।
এনিগমা মাল্টিমিডিয়া পরিকল্পনায় গানটি শনিবার মাই টিভি স্টুডিওয়োতে রেকর্ডিং হয়। শেখ সাদী খান সুর করে তা তুলে দেন বরেণ্য সংগীত শিল্পী লিনু বিল্লাহর কণ্ঠে। সঙ্গে এ প্রজন্মের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মোমিন বিশ্বাস, স্মরণ ও জোনাকি জ্যোতির কণ্ঠ যুক্ত হয়। তাদের মিলিত কণ্ঠের যাদুতে গানটি সঙ্গীত গ্রহণ করেন পুলক বড়ুয়া।
এ মুনশী ওয়াদুদ বলেন, জীবনে অনেক গান লিখেছি। অনেক গান শ্রোতাপ্রিয় হয়েছে। ছোট এ জীবনের অভিজ্ঞতায় বলতে পারি একুশ নিয়ে আমার লেখা এই গানটি শ্রোতারা অনেকদিন মনে রাখবে। কথা নির্ভর গানটিকে প্রাণ দিয়েছেন শেখ সাদী ভাই। আমার বিশ্বাস শ্রোতারা ভালো কিছু পেতে যাচ্ছে।
শেখ সাদী খান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি আমি গানটি করে খুবই খুশি। শ্রোতারা একুট মনোযোগ দিয়ে শুনলেই হবে। দারুন সব কথার পঙক্তিমালায় গানটি মুনশী ওয়াদুদ রচনা করেছেন, তেমনি আমাদের প্রজন্মের গায়ক লিনুর সঙ্গে এ প্রজন্মের মোমিন-স্মরণ ও জোনাকি জ্যোতির কণ্ঠ যেনো গানটিতে প্রাণ সঞ্চারিত হয়েছে।
আমরা এক সঙ্গে অনেক গানই করেছি, তবে একুশ নিয়ে ভিন্ন মেজাজের গান এই প্রথম করলাম- যোগ করেন লিুন বিল্লাহ।
অপরদিকে কণ্ঠশিল্পী মোমিন বিশ্বাস বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি কৃতজ্ঞ আমাদের তিন গুণীর কাছে। তারা আমাদের মতো ক্ষুদ্রদের প্রতি গুরুত্বপূর্ণ আবহে ভিন্ন মেজাজের এই গানটিতে সুযোগ দেওয়ার জন্য।
গানটি খুব শিগগিরই মিউজিক ভিডিও আকারে এনিগমা মাল্টিমিডিয়ার ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেইজ থেকে চলতি সপ্তাহেই প্রকাশ করা হবে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

























