০২:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

কলারোয়ায় গাছে-গাছে মুখর আমের গুটি

ছোট্ট ছোট্ট আম ধরতে শুরু করেছে সাতক্ষীরার কলারোয়ার আমগাছগুলোতে। স্থানীয়দের ভাষায় এই ছোট্ট আমকে ‘আমের গুটি’ বলা হয়ে থাকে। এই আমের গুটিতে ভরতে দেখা যাচ্ছে গোট আম গাছ। আমের মুকুল থেকে ইতোমধ্যে আমের
গুটিতে রূপ নিয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের গুটির ধরণ ও ফলন আশাব্যঞ্জক।
উপজেলার চন্দনপুর গ্রামের মৌসুমি আম চাষী ও ব্যবসায়ী ওমর ফারুক, সাব্বির হোসেন, বাটরা গ্রামের জুয়েল হোসেনসহ অনেকে জানান, ‘আমের মৌসুমে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে। এটা অব্যাহত থাকলে এবারো আমের বাম্পার ফলন ও উৎপাদনে লাভের মুখ দেখা যেতে পারে।’

তারা আরো জানান, ‘অনেকে নিজেদের আম গাছের পাশাপাশি অন্যদের আম গাছ লিজ নিয়ে থাকেন। সেটা ছাড়াও পোকা-মাকর মুক্ত রাখতে ওষধ স্প্রে থেকে শুরু করে আম গাছ পরিচর্যা ও ফলনের পর সেটা বাজারজাতকরণ পর্যন্ত অনেক পরিশ্রমের পাশাপাশি বেশ খরচ হয়। বাম্পার ফলন ও শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ঠিকঠাক থাকলে লাভবান হন আম সংশ্লিষ্টরা।’

জানা গেছে, নিজেদের ও স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে কলারোয়ার আম দেশ-বিদেশে চলে যায়। নানান প্রজাতের ও নামের আম কে ঘিরে এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক পরিবেশ আশার মুখ দেখে এ মৌসুমে। স্বাবলম্বিও হচ্ছেন অনেকে।

কলারোয়া উপজেলা সিনিয়র কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আবুল হোসেন মিয়া জানান, ‘এ বছর উপজেলায় ৬৬০ হেক্টর জমিতে আমের ফলন হচ্ছে। আশা করি হেক্টরপ্রতি ১৫ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ার খোকসায় বাস এবং বালু বাহী ডাম্প ট্রাকের সংঘর্ষে তিনজন নিহত আহত ৩০

কলারোয়ায় গাছে-গাছে মুখর আমের গুটি

প্রকাশিত : ১২:৫৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মার্চ ২০২৩

ছোট্ট ছোট্ট আম ধরতে শুরু করেছে সাতক্ষীরার কলারোয়ার আমগাছগুলোতে। স্থানীয়দের ভাষায় এই ছোট্ট আমকে ‘আমের গুটি’ বলা হয়ে থাকে। এই আমের গুটিতে ভরতে দেখা যাচ্ছে গোট আম গাছ। আমের মুকুল থেকে ইতোমধ্যে আমের
গুটিতে রূপ নিয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রাকৃতিক আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমের গুটির ধরণ ও ফলন আশাব্যঞ্জক।
উপজেলার চন্দনপুর গ্রামের মৌসুমি আম চাষী ও ব্যবসায়ী ওমর ফারুক, সাব্বির হোসেন, বাটরা গ্রামের জুয়েল হোসেনসহ অনেকে জানান, ‘আমের মৌসুমে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে। এটা অব্যাহত থাকলে এবারো আমের বাম্পার ফলন ও উৎপাদনে লাভের মুখ দেখা যেতে পারে।’

তারা আরো জানান, ‘অনেকে নিজেদের আম গাছের পাশাপাশি অন্যদের আম গাছ লিজ নিয়ে থাকেন। সেটা ছাড়াও পোকা-মাকর মুক্ত রাখতে ওষধ স্প্রে থেকে শুরু করে আম গাছ পরিচর্যা ও ফলনের পর সেটা বাজারজাতকরণ পর্যন্ত অনেক পরিশ্রমের পাশাপাশি বেশ খরচ হয়। বাম্পার ফলন ও শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ঠিকঠাক থাকলে লাভবান হন আম সংশ্লিষ্টরা।’

জানা গেছে, নিজেদের ও স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে কলারোয়ার আম দেশ-বিদেশে চলে যায়। নানান প্রজাতের ও নামের আম কে ঘিরে এ অঞ্চলে অর্থনৈতিক পরিবেশ আশার মুখ দেখে এ মৌসুমে। স্বাবলম্বিও হচ্ছেন অনেকে।

কলারোয়া উপজেলা সিনিয়র কৃষি অফিসার কৃষিবিদ আবুল হোসেন মিয়া জানান, ‘এ বছর উপজেলায় ৬৬০ হেক্টর জমিতে আমের ফলন হচ্ছে। আশা করি হেক্টরপ্রতি ১৫ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব