০৯:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হিন্দি সিনেমা আমদানির অনুমতি দিল সরকার

চলতি বছর শুরুর দিকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভারতের সিনেমার মুক্তির জোর দাবি তোলা হয়। এর পক্ষে মত দেয় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। আর বেশ কয়েক বছর ধরেই একই দাবি করে আসছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতারা। তবে এবারের দাবিটা জোর হাওয়া পায় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমিতিগুলোর কারণে। যা লিখিত আকারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়।

অবশেষে বিজয়ের মালা তাদের গলাতেই উঠলো, যারা দেশের সিনেমা ও প্রেক্ষাগৃহ বাঁচানোর কথা বলে হিন্দি সিনেমা আমদানির জোর দাবি জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই মর্মে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই অনুমতিপত্রে জানানো হয়, সাফটা ভুক্ত দেশ হতে উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত ১০টি সিনেমা বছরে আমদানি করা যাবে। বিপরীতে সমান সংখ্যক বাংলাদেশি সিনেমা রপ্তানি করতে হবে।

তবে সেটি আপাতত দুই বছরের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যা আমদানি ও রপ্তানি করতে পারবেন বাংলাদেশের বৈধ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশকরা।

যেখানে আরও বলা হয়, সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই আবেদনে ইতিবাচক সাড়া দেয়। মূলত সেই সূত্রেই ১০ এপ্রিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্র আমদানি ও রপ্তানির এই সিদ্ধান্ত পাঠায় বিএফডিসিসহ সিনেমা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে।

এখানে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, আমদানি করা সিনেমাগুলো দুই ঈদ ও দুর্গাপূজার সপ্তাহে বাংলাদেশের কোনো প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করা যাবে না। এর বাইরে সারা বছরই ছবিগুলো উন্মুক্ত রাখা যাবে দেশের প্রেক্ষাগৃহে। পাশাপাশি প্রতিটি ছবির সাব টাইটেল থাকতে হবে এবং সেন্সরবোর্ডের ছাড়পত্র নিতে হবে।

এদিকে, দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় সিনেমা মুক্তির জোর দাবি ওঠে শাহরুখ খানের নতুন সিনেমা ‘পাঠান’মুক্তির পরপরই। সাফটা চুক্তির আওতায় এটি দেশে মুক্তির প্রস্তুতি নিয়েছিল নির্মাতা-প্রযোজক অনন্য মামুনের অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট। অবশেষে মুক্তির অনুমতি পাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছে, ‘পাঠান’ দিয়ে দেশের বাজারে নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :

ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তপু রায়হানের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় দায়িত্ববোধ, উত্তরাধিকার ও নাগরিক প্রত্যাশার রাজনীতি

হিন্দি সিনেমা আমদানির অনুমতি দিল সরকার

প্রকাশিত : ০৫:৪২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০২৩

চলতি বছর শুরুর দিকে দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভারতের সিনেমার মুক্তির জোর দাবি তোলা হয়। এর পক্ষে মত দেয় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ১৯টি সংগঠন। আর বেশ কয়েক বছর ধরেই একই দাবি করে আসছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির নেতারা। তবে এবারের দাবিটা জোর হাওয়া পায় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সমিতিগুলোর কারণে। যা লিখিত আকারে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে দেওয়া হয়।

অবশেষে বিজয়ের মালা তাদের গলাতেই উঠলো, যারা দেশের সিনেমা ও প্রেক্ষাগৃহ বাঁচানোর কথা বলে হিন্দি সিনেমা আমদানির জোর দাবি জানিয়েছেন। গতকাল সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই মর্মে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই অনুমতিপত্রে জানানো হয়, সাফটা ভুক্ত দেশ হতে উপমহাদেশীয় ভাষায় নির্মিত ১০টি সিনেমা বছরে আমদানি করা যাবে। বিপরীতে সমান সংখ্যক বাংলাদেশি সিনেমা রপ্তানি করতে হবে।

তবে সেটি আপাতত দুই বছরের জন্য পরীক্ষামূলকভাবে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যা আমদানি ও রপ্তানি করতে পারবেন বাংলাদেশের বৈধ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশকরা।

যেখানে আরও বলা হয়, সম্মিলিত চলচ্চিত্র পরিষদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই আবেদনে ইতিবাচক সাড়া দেয়। মূলত সেই সূত্রেই ১০ এপ্রিল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্র আমদানি ও রপ্তানির এই সিদ্ধান্ত পাঠায় বিএফডিসিসহ সিনেমা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে।

এখানে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে, আমদানি করা সিনেমাগুলো দুই ঈদ ও দুর্গাপূজার সপ্তাহে বাংলাদেশের কোনো প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করা যাবে না। এর বাইরে সারা বছরই ছবিগুলো উন্মুক্ত রাখা যাবে দেশের প্রেক্ষাগৃহে। পাশাপাশি প্রতিটি ছবির সাব টাইটেল থাকতে হবে এবং সেন্সরবোর্ডের ছাড়পত্র নিতে হবে।

এদিকে, দেশের প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় সিনেমা মুক্তির জোর দাবি ওঠে শাহরুখ খানের নতুন সিনেমা ‘পাঠান’মুক্তির পরপরই। সাফটা চুক্তির আওতায় এটি দেশে মুক্তির প্রস্তুতি নিয়েছিল নির্মাতা-প্রযোজক অনন্য মামুনের অ্যাকশন কাট এন্টারটেইনমেন্ট। অবশেষে মুক্তির অনুমতি পাওয়ার পর অনেকেই ধারণা করছে, ‘পাঠান’ দিয়ে দেশের বাজারে নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ