০৯:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নলছিটি সমাজসেবা কর্মকর্তার ঘুষগ্রহনের ভিডিও ভাইরাল

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। এতে এলাকায় বেশ সমালোচিত হয়েছেন ঐ কর্মকর্তা।

সোমবার (১০ এপ্রিল) ৪ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের ঘুষ নেওয়া ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নলছিটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বিভিন্নজনের ফেসবুক আইডিতে ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়। তাতে কমেন্ট বক্সে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সম্পর্কে অনেকে লিখেছেন ‘ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ সম্ভব হচ্ছে না।’

অনুসন্ধানে জানা যায নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের কায়েদাবাদ জামিয়াই আযীযিয়া এতিমখানার পরিচালক আব্দুল জলিলের কাছ থেকে তার অফিস সহায়ক ফারুক হোসেন ১ হাজার টাকা, আরেক পিয়নকে ৫০০ টাকা এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা ৩ হাজার ৫০০ টাকা উৎকোচ নিয়েছেন। যা ঐ ভিডিওটি দেখে এমনটাই প্রমান মেলে।

তবে অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমার দপ্তরের পিয়নকে কিছু কাগজ ফটোকপি করার জন্য ৫০০ টাকা দিয়ে গেছে এতিমখানার লোকজন। আর আমার টেবিলের উপর রাখা ফাইলের ভিতর যে টাকার ভিডিও আপনারা দেখেছেন সেটা আমার অন্য টাকা।’

ঝালকাঠি সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহপার পারভীন বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নলছিটি সমাজসেবা কর্মকর্তার ঘুষগ্রহনের ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত : ০৬:০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৩

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরীর ঘুষ গ্রহণের একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। এতে এলাকায় বেশ সমালোচিত হয়েছেন ঐ কর্মকর্তা।

সোমবার (১০ এপ্রিল) ৪ মিনিট ৩৪ সেকেন্ডের ঘুষ নেওয়া ঘটনার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় নলছিটিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বিভিন্নজনের ফেসবুক আইডিতে ওই ভিডিওটিতে দেখা যায়। তাতে কমেন্ট বক্সে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সম্পর্কে অনেকে লিখেছেন ‘ঘুষ ছাড়া কোনো কাজ সম্ভব হচ্ছে না।’

অনুসন্ধানে জানা যায নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের কায়েদাবাদ জামিয়াই আযীযিয়া এতিমখানার পরিচালক আব্দুল জলিলের কাছ থেকে তার অফিস সহায়ক ফারুক হোসেন ১ হাজার টাকা, আরেক পিয়নকে ৫০০ টাকা এবং সমাজসেবা কর্মকর্তা ৩ হাজার ৫০০ টাকা উৎকোচ নিয়েছেন। যা ঐ ভিডিওটি দেখে এমনটাই প্রমান মেলে।

তবে অভিযোগের বিষয় জানতে চাইলে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘আমার দপ্তরের পিয়নকে কিছু কাগজ ফটোকপি করার জন্য ৫০০ টাকা দিয়ে গেছে এতিমখানার লোকজন। আর আমার টেবিলের উপর রাখা ফাইলের ভিতর যে টাকার ভিডিও আপনারা দেখেছেন সেটা আমার অন্য টাকা।’

ঝালকাঠি সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহপার পারভীন বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ