০৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে তালাবন্ধ ঘর থেকে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাতে জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারের ভেতর একটি তালাবন্ধ ঘর থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

নিহত মমতাজ বেগম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা কুশাখালী ইউনিয়নের মৃত আব্দুল মতিনের স্ত্রী। তার স্বামী সড়ক ও জনপদ বিভাগের ড্রাইভার ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর নিহতের বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম বাপ্পী মাস্টার রুলে সড়ক বিভাগে পিয়নের কাজ করে আসছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, স্বামী মৃত্যুর পর থেকে জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারে দুই ছেলে শরিফুল ইসলাম বাপ্পী ও ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম রকিকে নিয়ে বসবাস করছিলেন মমতাজ বেগম। ঈদের ছুটিতে ছোট ছেলে রকিকে বাসায় রেখে বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম বাপ্পীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি কুশাখালীতে ঈদ করতে যান মমতাজ বেগম। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাপ্পী তার মাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোয়াটারে পাঠায়। রাত ৯টার দিকে বাপ্পী বাসায় ফিরে দেখে ঘরে তালা লাগানো। এ সময় ফোনেও মাকে না পেয়ে সে আশপাশের লোকজনকে খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা জানালার ফাঁক দিয়ে মেঝে রক্ত দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই ঘর থেকে মমতজ বেগমের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার পর থেকেই নিহতের ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম রকি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রকি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের ডিগ্রির ছাত্র।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পারিবারিক বিরোধে ছোট ছেলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

লক্ষ্মীপুরে তালাবন্ধ ঘর থেকে নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ১২:১৯:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৩

সোমবার (২৪ এপ্রিল) রাতে জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারের ভেতর একটি তালাবন্ধ ঘর থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় নারীর খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ।

নিহত মমতাজ বেগম লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা কুশাখালী ইউনিয়নের মৃত আব্দুল মতিনের স্ত্রী। তার স্বামী সড়ক ও জনপদ বিভাগের ড্রাইভার ছিলেন। স্বামীর মৃত্যুর পর নিহতের বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম বাপ্পী মাস্টার রুলে সড়ক বিভাগে পিয়নের কাজ করে আসছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, স্বামী মৃত্যুর পর থেকে জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগের স্টাফ কোয়ার্টারে দুই ছেলে শরিফুল ইসলাম বাপ্পী ও ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম রকিকে নিয়ে বসবাস করছিলেন মমতাজ বেগম। ঈদের ছুটিতে ছোট ছেলে রকিকে বাসায় রেখে বড় ছেলে শরিফুল ইসলাম বাপ্পীকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি কুশাখালীতে ঈদ করতে যান মমতাজ বেগম। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাপ্পী তার মাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা করে সড়ক ও জনপদ বিভাগের কোয়াটারে পাঠায়। রাত ৯টার দিকে বাপ্পী বাসায় ফিরে দেখে ঘরে তালা লাগানো। এ সময় ফোনেও মাকে না পেয়ে সে আশপাশের লোকজনকে খবর দেয়। পরে স্থানীয়রা জানালার ফাঁক দিয়ে মেঝে রক্ত দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই ঘর থেকে মমতজ বেগমের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার পর থেকেই নিহতের ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম রকি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রকি লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজের ডিগ্রির ছাত্র।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সদর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন বলেন, কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পারিবারিক বিরোধে ছোট ছেলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটাতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh