০৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নিখোঁজের তিনদিন পর কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার

বরগুনার সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া এলাকায় দিন আগে নিখোঁজ সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর লাশ বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

বৃহস্পতিবার (৪ মে) সন্ধ্যার দিকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে বরগুনা পুলিশ।

উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থী কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া দরবার ব্রিজ এলাকায় সাবেক ইউপি সদস্য মো: শাহজাহান হাওলাদারের মেয়ে মোসাঃ রিপা (১৪) সে স্থানীয় কোটবাড়িয়া কাদেরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন।

গত মঙ্গলবার নিখোঁজের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে তজম্বর মৃধা নামে এক ব্যক্তির জঙ্গলের পাশ থেকে হেটে গেলে গন্ধ পেয়ে স্থানীয় মেম্বারকে জানায় পরে এসে শিক্ষার্থীর লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় ইউপি সদস্য সপন মিয়া।

স্থানীয় ইউপি সদস্য স্বপন মিয়া জানান, স্থানীয়রা দেখে আমাকে জানালে আমি নিশ্চিত হয়ে পুলিশকে খবর দেই। তবে কি হয়েছে এগুলো তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

এ বিষয়ে স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় ,গত মঙ্গলবার রাতে প্রতিবেশী রাজা মৃধার বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে অনেক খুঁজাখুঁজি করার পরে না পেয়ে থানায় গতকাল মেয়ের বাবা জিডি করেছ। আজ সন্ধ্যার দিকে বাড়ির অদূরে প্রতিবেশীরা রিপার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্বজনদের খবর দেয়া হয়। এ বিষয়ে স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, মেয়ের দুঃসম্পর্কের মামা মোঃ আল-আমিন এর কার্যাক্লাব বা তার দীর্ঘদিনের দুশ্চরিত্র এ কার্যক্রম বিভিন্ন মেয়েদের সাথে করেছে এবং অনেক শালিসি বৈঠক হয়েছে ওর বিরুদ্ধে। আমারা নিশ্চিত যে আল-আমিন আমাদের রিপাকে ধর্ষণ করে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে রেখেছে। এবং নিখোঁজের পর থেকে এখন পর্যন্ত আল- আমিন পলাতক রয়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, লাশ ও আলামত দেখে মনে হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তাকে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়েছে। এবং আল- আমিন এর বিরুদ্ধে আগেও এরকম একাধিক অভিযোগ ও সালিশি বৈঠক হয়েছে। এ কার্যক্রমও আল- আমিন করতে পারে। তা না হলে সে নিখোঁজের পর থেকে এখন পর্যন্ত কেন পলাতক রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আঃ হালিম বলেন, শিশুটির লাশ জঙ্গলে পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠানো হবে। কি ভাবে মারা গেছে বিষয়টি ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করলে তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নিখোঁজের তিনদিন পর কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত : ০৯:৫১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩

বরগুনার সদর উপজেলার কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া এলাকায় দিন আগে নিখোঁজ সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর লাশ বাড়ির পাশের জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের।

বৃহস্পতিবার (৪ মে) সন্ধ্যার দিকে কিশোরীর লাশ উদ্ধার করে বরগুনা পুলিশ।

উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থী কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কোটবাড়িয়া দরবার ব্রিজ এলাকায় সাবেক ইউপি সদস্য মো: শাহজাহান হাওলাদারের মেয়ে মোসাঃ রিপা (১৪) সে স্থানীয় কোটবাড়িয়া কাদেরিয়া দাখিল মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলেন।

গত মঙ্গলবার নিখোঁজের পর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে তজম্বর মৃধা নামে এক ব্যক্তির জঙ্গলের পাশ থেকে হেটে গেলে গন্ধ পেয়ে স্থানীয় মেম্বারকে জানায় পরে এসে শিক্ষার্থীর লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয় ইউপি সদস্য সপন মিয়া।

স্থানীয় ইউপি সদস্য স্বপন মিয়া জানান, স্থানীয়রা দেখে আমাকে জানালে আমি নিশ্চিত হয়ে পুলিশকে খবর দেই। তবে কি হয়েছে এগুলো তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

এ বিষয়ে স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা যায় ,গত মঙ্গলবার রাতে প্রতিবেশী রাজা মৃধার বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে অনেক খুঁজাখুঁজি করার পরে না পেয়ে থানায় গতকাল মেয়ের বাবা জিডি করেছ। আজ সন্ধ্যার দিকে বাড়ির অদূরে প্রতিবেশীরা রিপার মরদেহ দেখতে পেয়ে স্বজনদের খবর দেয়া হয়। এ বিষয়ে স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, মেয়ের দুঃসম্পর্কের মামা মোঃ আল-আমিন এর কার্যাক্লাব বা তার দীর্ঘদিনের দুশ্চরিত্র এ কার্যক্রম বিভিন্ন মেয়েদের সাথে করেছে এবং অনেক শালিসি বৈঠক হয়েছে ওর বিরুদ্ধে। আমারা নিশ্চিত যে আল-আমিন আমাদের রিপাকে ধর্ষণ করে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে রেখেছে। এবং নিখোঁজের পর থেকে এখন পর্যন্ত আল- আমিন পলাতক রয়েছে।

স্থানীয়রা বলেন, লাশ ও আলামত দেখে মনে হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তাকে হত্যা করে জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়েছে। এবং আল- আমিন এর বিরুদ্ধে আগেও এরকম একাধিক অভিযোগ ও সালিশি বৈঠক হয়েছে। এ কার্যক্রমও আল- আমিন করতে পারে। তা না হলে সে নিখোঁজের পর থেকে এখন পর্যন্ত কেন পলাতক রয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আঃ হালিম বলেন, শিশুটির লাশ জঙ্গলে পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠানো হবে। কি ভাবে মারা গেছে বিষয়টি ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করলে তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ bh