কুমিল্লা বুড়িচংয়ে নিজ সন্তানের হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন সুলজার বেগম নামে একজন বৃদ্ধা।মঙ্গলবার সকালে উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের পূর্ব পাড়া চারু মিয়া হাজী বাড়ীতে এ হতাহতের ঘটনাটি ঘটেছে।স্হানীয়সূত্রে জানা যায় সম্পত্তি ও পারিবারিক কলহের জের ধরে বৃদ্ধার সন্তান পাষণ্ড রিপন মিয়া পূর্ব থেকে পরিকল্পনা করে বাকবিতণ্ডা সৃষ্টি করে হঠাৎ মাকে আক্রমণ করে বসে।বৃদ্ধ মা যখন সন্তানের মারধরে বসতের উঠনে লুটিয়ে পরে তখন তার চিৎকার শুনে তার মেয়ে ঘর থেকে মিলন বেগম দৌড়ে আসে,তৎক্ষনাৎ রিপনের স্ত্রী জেসমিন ও মেয়ে পলিন ক্ষিপ্ত হয়ে বৃদ্ধার মেয়েকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করে।এতে বৃদ্ধা ও তার মেয়ের জোড়ালে চিৎকারে আশেপাশের প্রতিবেশী লোকজন দৌড়ে এসে উদ্ধার করে।এতে বৃদ্ধ মায়ের ও মেয়ের শরীরে নীলা ফুলা রক্তাক্ত যখম হয়।
তখন স্হানীয় লোকজন পাষণ্ড সন্তান রিপনের হাতে লাঠি সোটা দেখতে পেয়ে তাহা হাত থেকে কেড়ে নেয়।হতাহতের ঘটনা শুনে সুলজার বেগমের অন্য আরেক মেয়ে রুজিনা, নাতিন জান্নাত দেখতে আসে।ভাই রিপনকে মায়ের সাথে হতাহতের কথা জিজ্ঞেস করলে এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডার জেরে তাদেরকেও লাঠি দিয়ে দৌড়িয়ে,হুমকি ধমকি প্রদর্শন করে বাড়ি থেকে বাহির করে দেয়।পরবর্তীতে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় অটোবাইকে করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বৃদ্ধা মা ও আহত সবাই ছুটে আসে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার তা দেখে থানায় অভিযোগ করতে বলেন।বুড়িচং থানা অফিসার ইনচার্জ ইসমাইল হোসেন বৃদ্ধাকে এবস্হায় দেখে প্রথমে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে বলেন।প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুনরায় বৃদ্ধা বুড়িচং থানায় অভিযোগ দায়ের করতে ফিরে আসে।ওসি ইসমাঈল হোসেন ঘটনা শুনে অভিযোগের আলোকে বলেন পাষন্ড ছেলের হীন কর্মকাণ্ডের যথাযথ আইনি ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।অপরদিকে বৃদ্ধা মা সোলজার বেগম বলেন এযাত্রায় বেঁচে গেছি,রিপন ও তার পরিবার আমাকে আগেও একবার আঘাত করেছে।আমাকে এলাকাবাসী সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে টিকিয়ে রেখেছে,সে সন্তান হয়েও মায়ের খোঁজ খবর নেয়না বরং আমার স্বামীর বসতভিটা থেকে উচ্ছেদ করার জন্য নানা পায়তারা করছে।আমি এই পাষন্ড সন্তানের শাস্তি কামনা করি।তার এই প্রশ্নের জবাবে উপজেলা প্রশাসন গণমাধ্যমকে জানান তাকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করা হবে।




















