নয় বছর পর শনিবার টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলে সাজ সাজ রব বিরাজ করছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক, শহরের প্রধান প্রধান সড়কসহ গুরত্বপূর্ণ এলাকায় তোরণ, বিলবোর্ড, ব্যানারসহ বিভিন্ন প্রচারণার মাধ্যমে প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন নেতা কর্মীরা। এছাড়াও বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে পোস্টার লাগিয়েছে প্রার্থীরা। নিজের ছবি সাথে কেন্দ্রীয় নেতা কর্মীদেও ছবি ও পূর্বের পদ পদবি তুলে ধরে পদ প্রত্যাশীরা তাদের যোগ্যতা তুলে ধরছেন। কে হচ্ছেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক?
শহরের পৌরউদ্যোনে আয়োজিত যুবলীগের সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। সম্মানিত অতিথি থাকবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সংসদ সদস্য মির্জা আজম, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামছুন নাহার চাপা, সদস্য তারানা হালিম, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
প্রধান বক্তা থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল। বিশেষ অতিথি থাকবেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, সংসদ সদস্য খন্দকার মমতা হেনা লাবলী, সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক। বিশেষ বক্তা থাকবেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ।
সম্মেলন উপলক্ষে শুক্রবার দুপুরে প্রেসক্লাবে যুবলীগের কেন্দ্রীয় ও জেলার নেতাদের সাথে টাঙ্গাইলে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ। টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের লীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চলের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সৈকত জোয়ারদার, সাংগঠনিক সম্পাদক জহির উদ্দিন খসরু, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিল্টন, আইটি সম্পাদক শামছুল আলম অনিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ, উপদপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার শাহজাদা, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক প্রমুখ।
সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সভাপতি পদে ১০ জন ও সাধারণ সম্পাদক পদে ১১ জন প্রার্থী জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এছাড়াও কাউন্সিলিং এর আগে পদ প্রত্যাশীরা প্রার্থীতা ঘোষণা করতে পারবেন। সভাপতি পদে জীবন বৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন যুবলীগ নেতা আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব, বিজয় দে, মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া বড় মনি, মো. মাসুদ পারভেজ, মনিরুজ্জামান লিটন, মো. মনিরুজ্জামান খান (মিন্টু), মো. মনিরুজ্জামান, মো. সাইফুল ইসলাম লাবলু, খন্দকার কামরুল হাসান ও মেহেদী হাসান ফেরদৌস ইমু। সাধারণ সম্পাদক পদে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন নাজমুল হাসান, মো. রেজাউল করিম সাগর, মো. আব্দুল্লাহ আল রাকিব, মো. মোস্তাফিজুর রহমান সোহেল, মো. মফিজুর রহমান মফিজ, ইসতিয়াক আহমেদ রাজীব, মো. আল মামুন, মো. মনির সিকদার, নূর মোহাম্মদ সিকদার মানিক, মো. তানভীরুল ইসলাম হিমেল ও মীর সাব্বির। এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক পদে সদর উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মাহমুদের নাম শোনা যাচ্ছে।
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশিদ বলেন, যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল পদ প্রতাশিদের জীবন বৃত্তান্ত দেখে যাচাই বাছাই করে সৎ, যোগ্য ও ত্যাগীদের নেতৃত্বে আনবেন। যারা দল ও টাঙ্গাইলের উন্নয়নে কাজে আসবে।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব




















