‘রাজ আমার সঙ্গে থাকতে চায় না, তাহলে ও–ই আমাকে ডিভোর্স দিক, আমি কেন দিতে যাব।’ রাজ আমার সঙ্গে থাকতে চায় না এমন মন্তব্যে পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিমকে একথা বলেছেন পরীমণি।
সেলিম বলেছেন, যদি তোমাদের বিচ্ছেদ হয় বাচ্চার কি হবে? বাচ্চাকে দেখভাল কীভাবে কী করবে, চিন্তাভাবনা করে দেখো। এর উত্তরে পরীমণি জানিয়েছেন, বাচ্চা আমার কাছেই থাকবে। তবে বিচ্ছেদ হওয়ার পর অবশ্যই সে বাচ্চা দেখতে আসতে পারবে। তবে শর্ত, সে অস্বাভাবিক সময় বাসায় আসলে বাচ্চাকে দেখতে দেব না। যদি রাত চারটায় আসে, ভোরবেলায় আসে, তাহলে তো বাচ্চা দেখতে দেওয়ার সুযোগই নাই। স্বাভাবিক, সঠিক সময়ে এসে সে বাচ্চা দেখতেই পারে। কোনো সমস্যা নাই।’
সম্প্রতি স্বামী শরীফুল রাজের ফেসবুক থেকে সম্প্রতি অভিনেত্রী তানজিন তিশা, নাজিফা তুষি ও সুনেরাহ বিনতে কামালের কিছু ছবি ও ভিডিও ক্লিপস ফাঁস হয়। ২৯ মে দিবাগত রাতে এসব ছবি ও ভিডিও ফাঁস হওয়ার পর থেকেই রাজ ঘরের বাইরে। জানা গেছে, বিষয়টি সমাধান করতে পরিচালক গিয়াস উদ্দিন সেলিম রাজকে ডেকে বাসায় এনেছিলেন।
এদিকে বাসা থেকে জিনিসপত্র নিয়ে বের হয়ে যাওয়া, ফোন না ধরার যে কথা পরীমনি বলছেন, সেটা ঠিক নয় বলছেন রাজ। আর এসব না ছড়ানোর অনুরোধ জানিয়েন। রাজ বলেন, ‘আমি বাসা থেকে কেন বেরিয়ে এসেছি, পরী ভালো করে জানে। কীভাবে বেরিয়ে এসেছি, কেন বেরিয়ে এসেছি, তা-ও সে ভালো করে জানে। ওই দিন বাসায় তার ও আমার পরিচালক গুরু গিয়াস উদ্দিন সেলিম ছিলেন। সঙ্গে তাঁর স্ত্রীও ছিলেন।’
পরীমনির বক্তব্যকে ‘মিথ্যাচার’ অভিহিত করে রাজ বললেন, ‘আমি ঢাকাতেই আছি, কাজ করছি। এরই মধ্যে “দেয়ালের দেশ”, “ইনফিনিটি”, “কাজলরেখা” ছবিগুলোর ডাবিং শেষ করছি। সুতরাং আমাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না, এটা ডাহা মিথ্যা কথা। এসব মিথ্যাচার করে কী লাভ হচ্ছে, তা আমার জানা নাই। আমি সব সময়ই পরীকে সম্মান দিয়ে কথা বলি। কিন্তু সে কেন এমন করে, বুঝি না।’
















