ঋতু মাতৃক দেশ বাংলাদেশ,তাই ঋতুর পালা বদলের সাথে সাথে যেন, বদলে যাচ্ছে সবই যদিও জৈষ্ঠ্যমাস প্রায় বিদায়ের পথযাত্রী,মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ঘটছে বর্ষার আগমন। বর্ষা যদিও ছুঁই ছুঁই করছে, তবুও যেন দেখা মিলছে না একফোঁটা বৃষ্টির! এসময়ে বৃষ্টির আশংকা থাকলেও, হচ্ছেনা বৃষ্টি, বিপরীত শুরু হয়েছে অগ্নিঝরা রোদের তীব্র তাপদাহতায় এক অসহনীয় নাভিশ্বাস। একদিকে জৈষ্ঠ্যের অসস্তিকর তীব্র তাপদাহ, অন্যদিকে ভয়াবহ ঘন ঘন লোডশেডিং , দু”টি মিলে শুরু হয়েছে প্রাণীকুল সহ মানুষের অতিষ্ঠতা।সারাদেশের ন্যায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের রংপুর জেলার আশেপাশের প্রত্যেকটি উপজেলায়, এবং গ্রাম গুলোতে শুরু হয়েছে ভয়াবহ লোডশেডিং।
জৈষ্ঠ্যের অগ্নি ঝরা রোদের তীব্র তাপদাহে আর ঘন ঘন ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে এই অঞ্চলের জনজীবনে দেখা দিয়েছে ভয়াবহতা।সারাদেশের মতো এ অঞ্চলেও গড়ে লোডশেডিং হচ্ছে প্রায় ৫থেকে ৬ঘন্টারও বেশি, আবার মাঝে মধ্যে কোন কোন এলাকাতে জানা যায় ৬ থেকে ৭ঘন্টাও লোডশেডিং হচ্ছে। বিশেষ করে উক্ত জেলার সীমান্তবর্তী এলাকাকা গুলোতে লোডশেডিংয়ের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি শুরু হয়েছে।দিনের ভাগে যেমন তেমন, রাতের বেলা একেবারেই বেহাল দশা।
এই অবস্থা থেকে অতি সহসা মুক্তির কোন আশংকাই।বর্তমান দেশে দৈনিক বিদ্যুৎতের চাহিদা হচ্ছে ১৬হাজার মেগাওয়াটও বেশি ,কিন্তু সেখানে উৎপাদন হচ্ছে বর্তমান ১০হাজার মেগাওয়াটরও কম।ফলে ঘাটতি থাকছে ৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এদিকে মধ্যে রাতে সাড়ে তিন থেকে ৪হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লোডশেডিং হচ্ছে।বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি গুলো বলছে,বর্তমান এসময়ে তীব্র তাপদাহের কারণে বিদ্যুৎতের চাহিদা বাড়লেও, সেই তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছেনা।একারণে লোডশেডিং করতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্টরা বলেন,বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত, তীব্রতা কমবেনা এবং বৃষ্টি হলে বিদ্যুৎতের চাহিদাও কমবে, লোডশেডিংও কমে যাবে। যদিও এখন পর্যন্ত কোন সুখবর দিচ্ছেনা আবহাওয়া অধিদপ্তর।আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য মতে জানা যায় ,যে,সহসা এই তীব্র তাপদাহ কমার কোন সম্ভাবনা নেই!
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব























