মাদারীপুর জেলার ডাসার থানায় দক্ষ অফিসার (ইনচার্জ) হিসেবে জনগণের সকল সেবা দ্বারে দ্বারে পৌঁছানোর লক্ষ্যে থানা পুলিশের চীর-চেনা রূপকে পাল্টে দিয়েছেন ডাসার থানার সুযোগ্য অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান।
তার কর্তব্যনিষ্ঠার কারণে থানার অনেক উন্নতি হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় জনগনের মাঝে ব্যাপক প্রসংশা অর্জন করতে সফল হয়েছেন।
জেলার ৫ টি থানার মধ্যে একটি নবগঠিত থানা ডাসার। থানা মানেই ছিলো টাকা। টাকা ছাড়া থানায় কোনো কাজ হয় না। এমন ধারণা জনসাধারণের। তবে জনসাধারন মানুষের সেই ধারণা পাল্টে দিয়েছেন ডাসার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হাসানুজ্জামান।
এ থানায় সেবা নিতে আসা লোকজন টাকা ছাড়াই এখন সাধারণ ডায়েরি (জিডি), অভিযোগ ও মামলা লেখা বা অন্তর্ভুক্ত করতে পারছেন। পুলিশের আচরণ যেমন পাল্টেছে, তেমন থানার চিত্রও বদলেগেছে। এতে আগের তুলনায় থানায় সেবার মানও বেড়েছে।
তিনি মাদারীপুর জেলার নবগঠিত ডাসার থানার অফিসার ইনচার্জ হিসেবে ১৪ ই জানুয়ারী ২০২১ সালে যোগদান করেন। যোগদানের পরে থানা এলাকার ৫টি ইউনিয়নে মাদকমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, অবৈধ অস্ত্রধারী, জঙ্গিমুক্ত ও মারামারি হানাহানি মুক্ত করে শান্তির জনপথ হিসেবে ডাসার থানা যেন মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে তৈরি করেছেন।
সেই প্রতিজ্ঞতা নিয়ে কাজ শুরু করে সংক্ষিপ্ত সময়ে একাধিক মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে কারাগারে প্রেরণ করেন। ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার,সহ বালিগ্রাম ইউনিয়নের খাতিয়াল গ্রামের দির্ঘ দিনের মারামারি নিষ্পত্তি করে অবৈধ্য ধারালো অস্ত্র উদ্ধারে সক্ষম হয়েছেন।
অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান ডাসারের মানুষের চোখে একজন সৎ, আদর্শবান, নিষ্ঠাবান ও গরিবের বন্ধুসুলভ পুলিশ অফিসার হিসেবে।অধিকাংশ সাধারন মানুষই তাকে গরীবের বন্ধু হিসেবে জানেন।
তিনি তার সততা ও বিচক্ষণ বুদ্ধিমত্তা এবং মেধা দিয়ে তার দায়িত্বরত এলাকা মাদকনির্মূল , সন্ত্রাসদমন, চাঁদাবাজিমুক্ত, চোর-ডাকাতের উৎপাত ও দখল বাজদের হাত থেকে এলাকায় কঠোর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করছেন। তার চোখে ধনী-গরীব, জেলে, রিক্সাচালক হতে সব শ্রেণীপেশার মানুষেই তার কাছে সম্মানিত।
তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বেশে মানুষের মাঝে উপস্থিত হয়ে মানুষের সুখ দুঃখের কথা শুনছেন। “মামলা নয়, আপোষ হলে ভালো হয়”-এই স্লোগানে উদ্বুদ্ধ হয়ে তাঁর থানায় অধিকাংশ অভিযোগ বাদী-বিবাদীর মধ্যে আপোষের মাধ্যমে সমাধান করে দেন। ফলে তিনি থানায় যোগদানের পর থেকে বিগত সময়ের তুলনায় থানায় মামলা বহুলাংশে কমে গেছে। তার মতো দক্ষ, সৎ ও কর্তব্যপরায়ন পুলিশ অফিসার বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর জন্য গর্ব।
প্রতিটি অপরাধ দমনে ডাসার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসানুজ্জামান এর মতো পুলিশ অফিসারের সান্নিধ্য পেলে অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশ ব্যাপক অগ্রগতি লাভ করবে বলে মানুষ মনে করেন।
তার ছুটে চলা সর্বত্র। কখনও তিনি লাঠি হাতে সড়কে, কখনো অসহায় এতিম শিশুদের পাশে থেকে নিজের সামর্থ্য মত সাহায্য করেন। এসবের একটাই লক্ষ্য- মানুষের সেবা ও আস্থা অর্জন। একজন নেতা যেমন কর্মীদের অনুপ্রেরণা দিয়ে নেতৃত্ব প্রদান করে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যান, একজন কোচ যেভাবে কনফিডেন্স লেভেল তৈরি করে শিষ্যের কাছ থেকে সেরাটুকু বের করে নিয়ে আনেন ঠিক একইভাবে তিনি তাঁর অফিসারদের কনফিডেন্স লেভেল তৈরি করে কাজ করিয়ে নেন। শত বিপদে, প্রতিকূলতার মধ্যে যিনি বট গাছের ন্যায় আগলে রাখেন অধীনস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যদের। ভালোবাসায় মুগ্ধ হন সাধারন মানুষও।
থানায় আসা এক সাধারন ব্যক্তির সাথে কথা বলে জানা যায়। ওসির অফিস রুমে ঢুকতে ওসি স্যারের অনুমতি লাগে কিন্তু ডাসার থানার ওসির রুমে ঢুকতে কোনো অনুমতি লাগে না।
তিনি আরো বলেন থানায় ওসি মোঃ হাসানুজ্জামান স্যার ডাসার থানায় যোগদানের পর থেকে চুরি-ডাকাতি কমে যাওয়ায় রাতে শান্তিতে ঘুমাতে পারছি আমরা। ওসি স্যার একজন অসাধারণ ভালো মনের সৎ মানুষ। জানতাম না এতো মানবিক অনুভূতির পুলিশও আছে।
থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ওসি স্যারের অসংখ্য সৃজনশীল নির্দেশনা তৈরি করে অধীনস্থ অফিসারদের নিয়ে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ডাসার বাসীর কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাওয়া সুপার হিরো আমাদের অভিভাবক মোঃ হাসানুজ্জামান স্যার।
তিনি বলেন, মাদারীপুর জেলা পুলিশ সুপার (পিপি এম বার) জনাব মাসুদ আলম স্যার একজন সৎ মানুষ আমি স্যারের নির্দেশনাকে ফলো করে ডাসার থানা কে মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি। কোনো চাওয়া-পাওয়ার জন্য নয়, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ভালো লাগার জায়গা থেকে মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ হিসেবে জনগণের পাশে দাঁড়াতে সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি। মানবিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি যে কোনো অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে সর্বদা আমি সজাগ আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো।
একজন পুলিশের কাছে সেটাও সম্ভব একজন অপরাধীকে ঘৃণার দৃষ্টিতে না দেখে আইনের মাধ্যমে তাকে ভালোবাসার দৃষ্টিতে দেখে আলোর পথে নিয়ে আসা। আমরা চেষ্টা করতে পারি তাকে ভালো করার সুযোগ দেয়ার। আপনারা আমাদের সাহায্য করুন আমরা সত্যিই মানুষের স্বপ্নের পুলিশ হতে চাই।
তিনি আরও বলেন আইনের সেবক হয়ে জনতার সারিতে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করে যাবো, প্রতিটি মানুষ আমাকে খুব কাছ থেকে পাবে এবং তাদের সমস্যার কথা গুলি বলতে পারবে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন মাদারীপুরের সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় নিজ কর্মস্থলে সম্পূর্ণ পেশাদারিত্বের সহিত দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি।




















