জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার স্থানীয় সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম দূর্বৃত্তদের হাতে মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছেন। তার মাথায় ও চোখের আঘাত খুবই গুরুতর। বুধবার, ১৪ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে বকশীগঞ্জ সরকারি কলেজ এলাকায় এটিএম বুথের সামনে দূর্বৃত্তরা নাদিমকে এলোপাথাড়ি মারধর করে। এতে করে রক্তাক্ত অবস্থায় সেখানেই অচেতন হয়ে পরে যায় নাদিম। এ সময় আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে দূর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয় লোকজন ও আরেক সাংবাদিক ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য পরিবারের লোকজন জামালপুর ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসে।
স্থানীয় সাংবাদিক লালন জানান, অফিসে পেশাগত জরুরি কাজ শেষে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন সাংবাদিক নাদিম। পথিমধ্যে একদল দূর্বৃত্ত তাকে পিটিয়ে অজ্ঞান করে নির্জন স্থানে টেনে হিঁচড়ে ফেলে রেখে যায়। খবর পেয়ে আমি পথচারীদের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসি।
এদিকে সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম জানান, আমি ফোনে খবর পেয়ে দ্রুত হাসপাতালে গিয়ে দেখি আমার স্বামী অজ্ঞান অবস্থায় শুয়ে আছে। তার মাথায় ও চোখে অনেক আঘাত করা হয়েছে। তার অবস্থা ভাল না। ঘটনার সাথে জড়িত সবার বিচার চাই।
বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহীন আল আমিন জানিয়েছেন,অসৎ উদ্দেশ্যে সাংবাদিক নাদিমকে গুরুতর আহত করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। অবিলম্বে এর সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দুষ্কৃতিকারীদের আইনের আওতায় এনে দ্রুত উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোহেল রানা জানায়, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। হাসপাতালে আমি তার সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছি, তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে সিসি ক্যামেরা দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িত রেজাউল নামে একজনকে আমরা চিহ্নিত করতে পেরেছি। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। বাকিদেরও খুব দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হব।
বিজনেস বাংলাদেশ/ হাবিব




















