০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাজিনকে

সদ্য প্রয়াত অভিনেত্রী তাজিন আহমেদকে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। বুধবার বাদ জোহর গুলশানের আজাদ মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরআগে, মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪৪ বছর।

এদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ উত্তরাস্থ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখানে তখন মেকাপ আর্টিস্ট মিহির ছিলেন। তাজিনের নির্দেশনা মোতাবেক তাকে উত্তরার সিনসিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে রিজেন্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আইসিউইউতে ডা. নূরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তাজিন আহমেদ’র জন্ম ১৯৭৩ সালে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতায়ও বেশ সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯৬ সালে বিটিভিতে প্রচারিত ‘শেষ দেখা শেষ নয়’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তাজিন আহমেদের অভিনয় যাত্রা শুরু হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেছেন তাজিন আহমেদ।

ভোরের কাগজ, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সাংবাদিকতার পাশাপাশি আনন্দ ভুবন ম্যাগাজিনের কলামিস্টও ছিলেন তিনি। পরে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিটিভির স্বর্ণালী সময়ে টিভি নাটকে অভিনয় করে দর্শকের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন তাজিন আহমেদ। বিটিভির সময়টাতে একচ্ছত্র জনপ্রিয়তা ছিল তাজিন আহমেদের। অসংখ্য নাটকে আজিজুল হাকিম, জাহিদ হাসান ছিলেন তাজিনের সহ অভিনেতা।

রেডিও এবং টেলিভিশনে উপস্থাপনাও করতেন তাজিন। লেখালেখিও করেন তিনি। তাজিনের লেখা ও পরিচালনায় তৈরি হয় ‘যাতক’ ও ‘যোগফল’ নামে দুটি নাটক। তার লেখা উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে ‘বৃদ্ধাশ্রম’, ‘অনুর একদিন’, ‘এক আকাশের তারা’, ‘হুম’, ‘সম্পর্ক’ ইত্যাদি।

>>তাজিন আহমেদ আর নেই

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে তাজিনকে

প্রকাশিত : ১০:২৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ মে ২০১৮

সদ্য প্রয়াত অভিনেত্রী তাজিন আহমেদকে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। বুধবার বাদ জোহর গুলশানের আজাদ মসজিদে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

এরআগে, মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪৪ বছর।

এদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ উত্তরাস্থ বাসায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সেখানে তখন মেকাপ আর্টিস্ট মিহির ছিলেন। তাজিনের নির্দেশনা মোতাবেক তাকে উত্তরার সিনসিন জাপান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে দ্রুত দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে রিজেন্ট হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আইসিউইউতে ডা. নূরের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তাজিন আহমেদ’র জন্ম ১৯৭৩ সালে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি সাংবাদিকতায়ও বেশ সক্রিয় ছিলেন। ১৯৯৬ সালে বিটিভিতে প্রচারিত ‘শেষ দেখা শেষ নয়’ নাটকে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তাজিন আহমেদের অভিনয় যাত্রা শুরু হয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পড়াশোনা করেছেন তাজিন আহমেদ।

ভোরের কাগজ, প্রথম আলোসহ বিভিন্ন পত্রিকায় সাংবাদিকতার পাশাপাশি আনন্দ ভুবন ম্যাগাজিনের কলামিস্টও ছিলেন তিনি। পরে মার্কেন্টাইল ব্যাংকে পাবলিক রিলেশন অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিটিভির স্বর্ণালী সময়ে টিভি নাটকে অভিনয় করে দর্শকের কাছে প্রিয় হয়ে ওঠেন তাজিন আহমেদ। বিটিভির সময়টাতে একচ্ছত্র জনপ্রিয়তা ছিল তাজিন আহমেদের। অসংখ্য নাটকে আজিজুল হাকিম, জাহিদ হাসান ছিলেন তাজিনের সহ অভিনেতা।

রেডিও এবং টেলিভিশনে উপস্থাপনাও করতেন তাজিন। লেখালেখিও করেন তিনি। তাজিনের লেখা ও পরিচালনায় তৈরি হয় ‘যাতক’ ও ‘যোগফল’ নামে দুটি নাটক। তার লেখা উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে ‘বৃদ্ধাশ্রম’, ‘অনুর একদিন’, ‘এক আকাশের তারা’, ‘হুম’, ‘সম্পর্ক’ ইত্যাদি।

>>তাজিন আহমেদ আর নেই