রশিদ খান ও মুজিব-উর-রহমান; আফগানিস্তান দল তো বটেই, বর্তমান ক্রিকেটবিশ্বের অন্যতম সেরা দুই স্পিনার। এশিয়া কাপের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলংকার বিপক্ষেও এই দুই স্পিনার তুলে নিয়েছেন ৩ উইকেট। তবে দুজনের ইকোনমিই ছিল ৬ বা তার বেশি। দলের সেরা দুই বোলার চাপ তৈরি করতে না পারায় ২৯১ রানের বিশাল সংগ্রহ তুলেছে শ্রীলংকা।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে এদিন ৬৩ রানের ওপেনিং জুটি গড়েন দুই লংকান ওপেনার পাথুম নিশাঙ্কা ও দিমুথ করুনারত্মে। তবে গুলবাদিন নাইবের তোপে পড়ে ৮৬ রানের মধ্যেই ৩ উইকেট পড়ে যায়। চতুর্থ উইকেটে ১০২ রানের জুটি গড়েন চারিথ আসালঙ্কা এবং মেন্ডিস। ১৮৮ রানের মাথায় আসালঙ্কাকে বিদায় করে ব্রেকথ্রু এনে দেন রশিদ খান। এরপরই শুরু হয় ছন্দপতন। রশিদ ও মুজিবের তোপে পড়ে ২২৭ রান তুলতেই হারিয়ে বসে প্রথম ৭ উইকেট। এরই মধ্যে দুর্ভাগ্যজনক এক রান আউটে কাটা পড়েন সেঞ্চুরির কাছে যাওয়া কুশল মেন্ডিস (৯২)।
এরপরই দারুণভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন মূলত বোলার দুনিথ ভালালাগে এবং মহেশ থিকসানা। নির্ধারিত ৫০ ওভারের শেষ বলে থিকসানা (২৪ বলে ২৮) আউট হলেও ততক্ষণে এই জুটি গড়ে ফেলেন ৬৪ রানের জুটি। ৩৯ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন ভালালাগে। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকটে হারিয়ে ২৯১ রান তোলে লংকানরা।
আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল গুলবাদিন নাইব। ১০ ওভারে ৬০ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ১০ ওভারে ৬৩ রান দিয়ে ২ উইকেট রশিদের। সমানসংখ্যক ওভারে মুজিব নিয়েছেন ১ উইকেট। তবে কোনো উইকেট না পেলেও সমান ওভারে মাত্র ৩৫ রান দিয়েছেন মোহাম্মদ নবী।
বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় শুরু হওয়া ‘বি’ গ্রপের এ ম্যাচ দুদলের জন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। সুপার ফোরে উঠতে শ্রীলংকার জিতলেই চলবে। তবে আফগানিস্তানের বড় ব্যবধানে জিতে তবেই পরের পর্বে যেতে হবে।




















