০৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

চবিতে ভাংচুর মামলায় ছাত্রলীগের নিন্দা: ৭ দফা দাবি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাটল ট্রেনের দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপাচার্যের বাসভবন ও ক্যাম্পাসে গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করে ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহন, নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের মামলা থেকে অব্যাহতি, শাটলের সংখ্যা বৃদ্ধি, শাটলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ প্রশাসনের নিকট ৭ টি দাবি তুলে ধরে শাখা ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট ) উপচার্য বরাবর প্ররিত শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু স্বাক্ষরিত এক স্মারকলিপিতে এসব দাবি জানানো হয়।

প্রশাসনের প্রতি ছাত্রলীগের দাবিগুলো হলো—
১. শাটল দূর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং সম্পূর্ণ ব্যায় বহন করা। ২. অনতিবিলম্বে নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের ভিত্তিহীন মামলা হতে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে। ৩. সুষ্ঠু ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. ৭ তারিখের শাটল দূর্ঘটনার গাফিলতি বা অপব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু তদন্ত কমিটি গঠন ও জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। ৫. শাটলের সংখ্যা বৃদ্ধি ও শিডিউল বৃদ্ধি করতে হবে। ৬. শাটল ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানোর জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। ৭. ক্যাম্পাসে এবং শাটলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে হবে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর শাটল ট্রেনের দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, শাটলের সংকট ও অপব্যবস্থাপনার দরুণ এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে গণজোয়ারে রূপ নেয়। সেই শান্তিপূর্ণ অধিকার আন্দোলনের সময় কিছু বিশৃঙ্খলাকারী আন্দোলনের মধ্যে বিশৃঙ্খলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভবনসহ অন্যান্য সরকারী সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালায়।

প্রশাসনের দায়ের করা মামলায় নিন্দা জানিয়ে এতে বলা হয়, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসন মামলা করে। কিন্তু সেই মামলা দায়ের করা হয় কতিপয় নিরপরাধী এবং ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর। যা একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে নিপীড়নের শামিল। নিরপরাধ এই শিক্ষার্থীদের উপর অবিচার ও ভিত্তিহীন মামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ কর্মীদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, অনতিবিলম্বে নিরাপরাধ ছাত্রলীগ কর্মীদের হেয়প্রতিপন্ন করা মামলা হতে অব্যাহতি প্রদান করার জোর দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে চবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, আজ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে। নিরপরাধ শিক্ষার্থীরা যেন মিথ্যা মামলায় হয়রানি না হয় এবং শাটলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারের ব্যবস্থাসহ সার্বিক বিষয়ে ৭ টি দাবি প্রশাসনের নিকট তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও এবিষয়ে কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

চবিতে ভাংচুর মামলায় ছাত্রলীগের নিন্দা: ৭ দফা দাবি

প্রকাশিত : ০৪:২৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শাটল ট্রেনের দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপাচার্যের বাসভবন ও ক্যাম্পাসে গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করে ৭ দফা দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা ব্যয় বহন, নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের মামলা থেকে অব্যাহতি, শাটলের সংখ্যা বৃদ্ধি, শাটলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ প্রশাসনের নিকট ৭ টি দাবি তুলে ধরে শাখা ছাত্রলীগ।

বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট ) উপচার্য বরাবর প্ররিত শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু স্বাক্ষরিত এক স্মারকলিপিতে এসব দাবি জানানো হয়।

প্রশাসনের প্রতি ছাত্রলীগের দাবিগুলো হলো—
১. শাটল দূর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা এবং সম্পূর্ণ ব্যায় বহন করা। ২. অনতিবিলম্বে নিরপরাধ শিক্ষার্থীদের ভিত্তিহীন মামলা হতে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে। ৩. সুষ্ঠু ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে। ৪. ৭ তারিখের শাটল দূর্ঘটনার গাফিলতি বা অপব্যবস্থাপনার সুষ্ঠু তদন্ত কমিটি গঠন ও জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে। ৫. শাটলের সংখ্যা বৃদ্ধি ও শিডিউল বৃদ্ধি করতে হবে। ৬. শাটল ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানোর জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে সময় উপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। ৭. ক্যাম্পাসে এবং শাটলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে হবে।

গত ৭ সেপ্টেম্বর শাটল ট্রেনের দুর্ঘটনার বর্ণনা দিয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, শাটলের সংকট ও অপব্যবস্থাপনার দরুণ এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রচন্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়, যা পরবর্তীতে গণজোয়ারে রূপ নেয়। সেই শান্তিপূর্ণ অধিকার আন্দোলনের সময় কিছু বিশৃঙ্খলাকারী আন্দোলনের মধ্যে বিশৃঙ্খলা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভবনসহ অন্যান্য সরকারী সম্পত্তিতে ভাঙচুর চালায়।

প্রশাসনের দায়ের করা মামলায় নিন্দা জানিয়ে এতে বলা হয়, এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রশাসন মামলা করে। কিন্তু সেই মামলা দায়ের করা হয় কতিপয় নিরপরাধী এবং ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর। যা একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে নিপীড়নের শামিল। নিরপরাধ এই শিক্ষার্থীদের উপর অবিচার ও ভিত্তিহীন মামলার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগ কর্মীদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে স্মারকলিপিতে বলা হয়, অনতিবিলম্বে নিরাপরাধ ছাত্রলীগ কর্মীদের হেয়প্রতিপন্ন করা মামলা হতে অব্যাহতি প্রদান করার জোর দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাদের কঠোর শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে চবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু বলেন, আজ আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে। নিরপরাধ শিক্ষার্থীরা যেন মিথ্যা মামলায় হয়রানি না হয় এবং শাটলে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জোরদারের ব্যবস্থাসহ সার্বিক বিষয়ে ৭ টি দাবি প্রশাসনের নিকট তুলে ধরা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও এবিষয়ে কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিজনেস বাংলাদেশ/একে