নাটোরের সিংড়ায় নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্রের সৌঁতিজালে জড়ানো লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের রাণীনগর ব্রীজের স্লুইচগেট এলাকা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত মাদ্রাসা ছাত্রের নাম মো. কাওছার আহমেদ (১৪)। সে রাণীনগর উজানপাড়ার হাবিবুর রহমান হবির ছেলে ও তেলিগ্রাম দাখিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শেরকোল ইউনিয়নের রাণীনগর ব্রীজের স্লুইচগেটে একটি সৌঁতিজাল পরিচালনা করছিলেন স্থানীয় আ’লীগ কর্মী মো. আইয়ুব আলী, হায়দার আলী, মনসুর রহমানসহ বেশ কয়েকজন। নদীতে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোসল করতে যায় কাওছার আহমেদ। পরে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় সৌঁতিজালে জড়ানো তার মরদেহ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ সৌঁতি জাল পরিচালনা করার কারনে এই এলাকার নদী এখন মৃত্যু ফাঁদে পরিনত হয়েছে। প্রায় ১০ বছর আগে এই এলাকার আইয়ুব আলীর পাতা অবৈধ সৌঁতি জালে জড়িয়ে তার বিশ্ববিদ্যালয় পঅবৈধ য়া ছেলে মো. সেলিম মারা যায়। সেই আইয়ুব আলী গংদের পাতা অবৈধ সৌঁতি জালে জড়িয়ে মাদ্রাসা ছাত্র কাওছার আহমেদ মারা যায়। এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিজের ছেলে অবৈধ সৌঁতি জালে জড়িয়ে মারা যাওয়ার পরও অবৈধ সৌঁতিজাল পেতে মাছ শিকার বন্ধ হচ্ছে না। সন্তান হারানোর পরও কোন ভ্রুক্ষেপ নেই সৌঁতি জাল পরিচালনাকারীদের। এনিয়ে প্রশাসনও নিরব রয়েছে।
অভিযুক্ত হায়দার আলী বলেন, সে সৌঁতিজালে জড়িয়ে মারা যায়নি। তাহলে আপনারা সৌঁতিজাল কাটলেন কেন প্রশ্ন করলে তিনি উত্তরে বলেন, আমি সৌঁতিজালের সাথে নাই।
সিংড়া থানার ওসি তদন্ত মো. রফিকুল ইসলাম বলেন,সকালে সৌঁতিজালে জড়ানো এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে আইনানগু ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




















